
১৯৭১ সালের ২৫ শে মার্চের রাতে আক্রমণের আগেই জাতি ঐক্যবদ্ধ ছিলেন; সেই কারণে, ২৬শে মার্চ সকাল থেকেই পাকিস্তানী বাহিনীর বিপক্ষে অস্ত্র ধরা সম্ভব হয়েছিলো; ১৯৬৬ সাল থেকে শুরু করে, পুরো যুদ্ধের মাঝে জাতির বড় অংশের মাঝে যে একতা ছিলো, উহা তৈরি করেছিলেন শেখ সাহেব, মওলানা ভাসানী ও তাজুদ্দিন সাহেব।
যুদ্ধ চলাকালীন সময়ে, যখন দেশের ভুমির বড় অংশ পাকীদের দখলে চলে গিয়েছিলো, পাকীরা জামাত ও মুসলিম লীগের নেতৃত্বকে কাজে লাগিয়ে বাংগালীদের 'বৃহত্তর পাকিস্তানের পক্ষে ঐক্যবব্ধ করার চেষ্টা করে'; তারা গোলাম আজম, ফজলুল কাদের চৌধুরী ও দুনিয়ার ক্রিমিনালদের এই দায়িত্ব দেয়; এরা রাজাকার আলবদর ও শান্তি বাহিনী করে হয়তো, শতকরা ১০/১২ জনকে পাকীদের পক্ষে ঐক্যবদ্ধ করে; কিন্তু এরা জাতির বাকী ৮০/৮৫ ভাগের সাথে পেরে উঠার কোন সম্ভাবনাই ছিলো না; ১৬ই ডিসেম্বর ক্রিমিনালদের পতন হয় আমাদের জাতীয় ঐক্যের কারণে।
এখন আজকের সমস্যা করোনা, ইহাতে জাতীয় ঐক্যের দরকার ছিলো; এখন দেশের ৫ কোটী পরিবার ৫ কোটী "দ্বীপের" মতো, মহা সাইক্লোন ও প্লাবনের মাঝে একা হয়ে পড়েছে। মনে হচ্ছিল, বিএনপি, জামাত ও সামরিক শক্তিকে থামানোর পর, শেখ হাসিনা জাতি গঠনে মন দেবেন; এখন মনে হচ্ছে, উনার সেই দক্ষতা নেই। উনার পরে, আজকে আর কোন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব নেই, যিনি কোন কারণে জাতির কাছে বিশেষ ব্যক্তিত্ব; ড: কামাল হোসেন কিছুটা পরিচিত ছিলেন জাতির কাছে, কিন্তু উনি উদার ও বিশাল ব্যক্তিত্বের অধিকারী নন; সর্বোপরি, গত জাতীয় ইলেকশানে, হঠাৎ করে "বেগম জিয়ার মুক্তি চাইলেন", উনি বুঝতে চাইলেন না যে, ইহা জাতি চাচ্ছে কিনা, ইহা কোন জাতীয় সমস্যা কিনা, যাকে কেন্দ্র করে জাতি এক হওয়ার সম্ভাবনা আছে! উনি পঁচে গেলেন।
এই মহুর্তে, পুরো জাতিতে ১ জনও পরিচিত মুখ নেই, যার কথায় জাতি কান দেবে; আমি কাউকে দেখছি না; আপনাদের ভাবনায় কেহ আছে টাছে নাকি?
সর্বশেষ এডিট : ১৮ ই মার্চ, ২০২০ বিকাল ৫:৩৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


