
দেশে প্রটেকটিভ গিয়ারের বিকল্প তৈরি করা সম্ভব; সরকারের কাছে টাকা আছে, মানুষের কাছে টাকা আছে, ব্যবসায়ীদের কাছে টাকা আছে, দরকার নেতৃত্ব। নেতৃত্বের অভাবে মানুষ হতাশ হচ্ছে, দুষ্টরা গুজব রচনা ও রটনা করছে, দরিদ্ররা কাঁপছে; এই ভীতিকর অবস্হা থেকে মানুষের মনোবল বাড়ানোর জন্য শেখ হাসিনার উচিত প্রতিদিন একই সময়ে টেলিভিশনে কথা বলা।
শেখ হাসিনা যদি নিজের অধীনে 'করোনা ফাণ্ড' করে, প্রবাসীরা টাকা পাঠাবে। টাকা সমস্যা নয়, নেতৃত্বের সমস্যা হচ্ছে দেশে।
কিছু ডাক্তার পালিয়ে যেতে পারে; কম বয়সী ও সাহসী ডাক্তারদের নিয়ে প্রতি হাসপাতালে টিম গঠন করার দরকার; মেডিক্যাল কলেজের সিনিয়র ছাত্ররা যারা ভলনটিয়ার হিসেবে আসতে চায়, তাদেরকে ডাকা দরকার।
ইউনিভার্সিটির ছাত্ররা গ্রামের চাষীদের খাদ্য উৎপাদনে ও দরিদ্রদের মাঝে খাদ্য বিতরণে সাহায্য করতে পারার কথা। গ্রামের পরিবেশে মানুষের মাঝে দুরত্ব রাখা খুবই সহজ।
মেডিক্যাল গ্লাভস, ইত্যাদি তৈরি করার মেশিন ও উপকরণ ভারতে আছে, পাকিস্তানেও থাকতে পারে; এগুলো নিয়ে আসা সম্ভব। শহরের বয়স্ক ও ছাত্রদেরকে গ্রামে পাঠিয়ে দেয়ার দরকার, এতে শহরে মানুষ ঘনত্ব কমে আসবে। বস্তির মানুষজনের জন্য শহরের বাহিরে তাঁবু দিয়ে ৩/৪ মাস থাকার ব্যবস্হা করা যেতে পারে; এদেরকে সরকারী গুদাম থেকে খাবার দেয়া সম্ভব।
করোনায় মানুষ মারা গেলে সরকারের উচিত হবে না, উহা লুকায়ে রাখা; মানুষ বিশ্ব পরিস্হিতি জানে, মানুষকে সঠিক তথ্য দিলে, মানুষের আস্হা বাড়বে, গুজব কমবে ও মানুষ অন্যদের সাহায্য করতে পারবে।
ইউনিভার্সিটির ২০ হাজারের মতো মাষ্টার্স ও পিএইচডি বসে আছেন; এদের যারা ভলনটিয়ার হিসেবে কাজ করতে চান, তাদেরকে শহরের এলাকাগুলো ম্যানেজ করার কাজ দেয়া যেতে পারে; এখন মানুষের জন্য দরকার দায়িত্বশীল ও ব্যক্তিত্বশীল মানুষ।
সর্বশেষ এডিট : ২২ শে মার্চ, ২০২০ রাত ৩:৫৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


