
আজকে শেখ হাসিনা "করোনা ফান্ড" করুক, কাল সকালে ওখানে ২ বিলিয়ন ডলার জমা হবে; শেখ হাসিনা যদি বলেন, বসুন্ধরার ভুমি দস্যুরা আজ রাতেই ওখানে ১ বিলিয়ন দেবে; তারপর, সব ঋণ খেলাফীরা সরকারী ব্যাংক লুট করে নেওয়া ডলার থেকে আধা বিলিয়ন দেবে; এরপর দেবে মন্ত্রী শাহজাহানের যোগাযোগ মাফিয়ারা ও আওয়ামী লীগের টেন্ডাররাজরা ও চাঁদাবাজরা; এরপর দেবে সব প্রাইভেট হাসপাতালের ডাকাতরা ও প্রাইভেট ইউনিভার্সিটির ডাকাতরা; এমনকি ব্লগার রাজিবও টাকা দেবেন, যদিও উনি বেকার। ব্যুরোক্রেট সেক্রেটারীরা দিতে পারবে ক্যাশ আধা বিলিয়ন; পুলিশের কর্মকর্তারা ফান্ডকে ভাসিয়ে দিতে পারবে।
সুতরাং সম্পদ কোন সমস্যা নয়; পিজি হাসপাতালের ডাক্তারদের এক নেতা বলেছে যে, সম্পদের অভাবে ওরা প্রটেকটিভ গিয়ার কিনতে পারছে না; এই সব ভালছাল নেতাগুলো হাসপাতালের ঐষধ ইত্যাদি বিক্রয় করে গাড়ী কিনে; সম্পদ নাই সে কি করে জানে? শেখ হাসিনার একার মুল্যও ২০ বিলিয়ন ডলার। সেই ছাগল মিডিয়াতে গিয়ে বলছে, মানুষকে ভয় লাগিয়ে দিচ্ছে! এরা সবাই প্রাইভেট ক্লিনিকের মালিক, শেয়ার হোল্ডার, কিংবা ওখানে কাজ করে, সরকারী হাসপাতাল থেকে রোগী বাগিয়ে নেয়।
শেখ হাসিনার উচিত হাতে ক্যাশ না থাকলে, করোনা ফান্ড করে, একদিনে ১ কার্গো প্লেইন ভরে চীন, জার্মানী থেকে গিয়ার বিয়ার নিয়ে আসা; ৪০ হাজার ডাক্তার, দেড় লাখ নার্সের জন্য গিয়ার কেনার পয়সা বাংলার চোর-ডাকাতেরাই দেবে; সর্বোপরি ভালো মানুষেরাও এই ধরণের ফান্ডে টাকা দিবেন।
ডাক্তারেরা এটা ওটার দোষ দিচ্ছে পালিয়ে যাবার জন্য; এরা অসৎ ব্যবসায়ী, এরা সাধারণ মানুষের জন্য নিজ জীবনকে কখনো বিপন্ন করবে না; করোনা শুরু হলে, এরা নিজকে "করোনা-পজেটিভ" বলে কেটে পড়বে; সেটা হবে সমস্যা। বেশীরভাগ ডাক্তার শেখ হাসিনাকে পছন্দ করে না; চট্রগ্রাম মেডিক্যাল থেকে সবগুলো শিবির বেরিয়ে এসেছে, এগুলো ডাক্তার নয়, এরা ব্যবসায়ী জল্লাদ, ইডিয়ট। শেখ হাসিনাকে ভালো ডাক্তারদের নিয়ে, ভালো নার্সদের নিয়ে এখুনি মহামারী টিম গঠন করতে হবে; না'হলে, যেসব ভালছাল এখন থেকে গিয়ার নেই, বিয়ার নেই বলছে, এরা রোগী দেখবে না। যাক, গরম এলে ভাইরাসের বিবর্তন ঘটবে, সংক্রমণ ক্ষমতা কমবে মনে হয়।
সর্বশেষ এডিট : ২২ শে মার্চ, ২০২০ রাত ৯:২১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


