
দেশকে কোরনামুক্ত করার জন্য আজকেই লকডাউন করা উচিত; মানুষ মানসিকভাবে প্রস্তুত, শতকরা ৬০/৭০ ভাগ মানুষ গড়ে ১ মাসের মতো খাবার কিনেছেন; গরীবেরাও সামর্থ মতো কিনেছেন। শুরুতে, ২/৩দিন বড় বড় শহরগুলোতে লক-ডাউন করা দরকার; তারপর, উপশহর, হাটবাজার, চা-দোকান, রেষ্টুরেন্ট ও নন-ইমারজেন্সী অফিস ও কলকারখানা।
গরীবেরা খবারের অভাবে পড়বে ২/১ সপ্তাহে পরে; ততদিনে সব এলাকায় নিদ্দিষ্ট দোকান থেকে প্রয়োজনীয় খাবার দেয়ার ব্যবস্হা করা সম্ভব হবে, এবং একসাথে ২/১ সপ্তাহের জন্য খাবার দেয়া যাবে; সরকার এসব দোকানের বিল মিটাবে। যাদের আয় কম, তাদের ইলেকট্রিক ও দরকারী টেলিভিশন বিল ৩/৪ মাসের জন্য মওকুফ করে দিলে, তাদের হাতে কিছু ক্যাশ থেকে যাবে; গরীবদের জন্য সর্ব প্রকার লোন পেমেন্ট বন্ধ করা করা হলে, তাদের অর্থাভাব কমবে; এরপর, সরকার শহরের গরীবদের বাড়ীভাড়া মওকুফ করার জন্য ধনী বাড়ীর মালিকদের বলে দেখতে পারে; যেসব মালিকের ৫ টির বেশী এপার্টমেন্টে আছে, তাদেরকে ২ মাসের ভাড়া মওকুফ করতে অর্ডার দেয়া সম্ভব।
সরকারের হাতে যেই পরিমাণ সম্পদ আছে, বর্তমান অর্থ বছরের উন্নয়ন বাজেটেট যেই পরিমাণ টাকা খরচ হয়নি, সেটা মানুষের জন্য ব্যয় করা সম্ভব। এছাড়া, দেশের রিজার্ভ প্রায় ৪০ বিলিয়নের কাছাকাছি, এখানে থেকে ৬/৭ বিলিয়ন ব্যবহার করা সম্ভব; সরকার সহজেই বিশ্ব ব্যাংক, আইএমএফ, এশিয়ান ব্যাংক, জাপান ও ভারতে থেকে ক্যাশ ঋণ পাবে এই অবস্হায়; ফলে সম্পদ ও ক্যাশ এখন সমস্যা নয়; সমস্যা হলো সঠিক পরিকল্পনা, সিদ্ধান্ত ও ফাইন্যান্সিয়াল দক্ষতা। ৬০ লাখের মতো কলেজ ও ইউনিভার্সিটিট ছাত্র আছে, যাদের থেকে অনেক ভলনটিয়ার পাওয়া সম্ভব।
কলেজ ও ইউনিভার্সিটির ছাত্ররা ও বয়স্করা এখন গ্রামে চলে গেলে শহরের মানুষের ঘনত্ব কমে যাবে; ছাত্ররা গ্রামে থাকাকালীন চাষীদের ফসল উৎপাদনে ফ্রি কাজ করে দিতে পারবে। ইউনিভার্সিটির ২০/২৫ হাজার শিক্ষক সরকারকে ফাইন্যানসিয়াল ব্যাপারগুলো ম্যানেজ করতে সাহায্য করতে পারবে।
লকডাউনের আগে, ঠান্ডা জাতীয় অসুস্হতা ভোগী মানুষকে সেচ্চায় করোনা-টেষ্ট করার জন্য ইউনিভার্সিটির হলগুলোতে আনা যেতে পারে; কেহ পজিটিভ হলে, তার জন্য হলে ১৫ দিন থাকার ব্যবস্হা করার দরকার হবে; যাদের চিকিৎসার দরকার হবে, তাদেরকে হাসপাতালে বেড দিতে হবে। যারা কোন রকম সিম্পটমে ভুগছে, লকডাউনের সময় তারা পরিবারের সাথে থাকলে, পুরো পরিবারে সংক্রমণ ঘটবে।
এর থেকে দেরী হলে, অবস্হা কন্ট্রোলের বাহিরে চলে যেতে পারে; ১ মাসের মাঝে তাপমাত্রা বাড়লে, ভাইরাসের বিবর্তন হবে, ও সংক্রমণ ক্ষমতা কমে আসার সম্ভাবনা আছে।
সর্বশেষ এডিট : ২৩ শে মার্চ, ২০২০ রাত ২:২৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


