
বিশ্বের সব জাতিই করোনার জন্য এন্টিভাইরাল বের করতে ও টিকা বের করতে কাজ করছে দিনরাত; সব জাতিই অপেক্ষা করছে, ওদের মনোবল আছে যে, তাদের রিসার্চের লোকেরা অবশ্যই ঔষধ ও টিকা বের করবেই করবে, ইহা সময়ের ব্যাপার মাত্র। আমাদের ঔষধ কোম্পানীগুলো, ইউনিভার্সিটি ও মেডিক্যাল স্কুলগুলো থেকে একটা কনসোর্টিয়াম গঠন করে, বর্তমান সময়ে মেডিসিনে কাছাকাছি যেসব এন্টিভাইরাল আছে, সেগুলোকে ও তাদের কম্পনেন্টসগুলোকে ষ্টাডি করার দরকার।
এই কাজগুলো হয়তো ঔষধ কোম্পানীগুলোর ল্যাবেই করা সম্ভব; সব কোম্পানীর রিসার্চ, ডেভেলপমেন্ট ও কোয়ালিটি কন্ট্রোলে কাজ চলছে, এসব এনভায়েরনমেন্টে বর্তামন ঔধগুলোকে এনালাইসিস করে ( রিভার্স ইন্জিনিয়ারিং'এর মতো) একটা ভালো ধারণা পাওয়া সম্ভব। এই ধরণের প্রচেষ্টা জাতিকে অনেক অভিজ্ঞতা ও মনোবল দেবে।
আমাদের দেশে যদি দরকারী ল্যাব না থাকে, ভারত থেকে সাহায্য নেয়া সম্ভব; ভারত আমেরিকার অর্ধেক ঔষধ ম্যানুফেকচারিং করে থাকে; আমেরিকার সব বাইওটেকের ল্যাব আছে ভারতে।
আমাদের জাতির শিক্ষিতরা তেমন কিছু করছে না; মানুষ আমাদের রিসার্চ ও শিক্ষিতদের থেকে কোন আশার বাণী ও সায়েন্টিফিক ব্যাখ্যা পাচ্ছে না। এই সুযোগে স্বল্প-শিক্ষিত ধর্মীয় লোকজন, তাবলীগ, হেফাজত মেফাজত ও অশিক্ষিতদের রূপকথা "গজব রহমত" ইত্যাদি মানুষকে ভীত ও অসহায় করে তুলছে। জাতির পিএইচডিরা, মাইক্রোবায়োলজি, বাইওটেকের লোকেরা হাত-পা গুটায়ে বসে থাকা সঠিক হচ্ছে না; সরকারী বা বেসরকারী উদ্যোগে, প্রধানমন্ত্রী বা প্রেসিডেন্টের উদ্যোগে একটা কনসোর্টিয়াম গঠন করে, কাজ হাতে দিলে জাতির মনোবল বেড়ে যাবে।
অন্য জাতীরা যা বের করুক না কেন, বাংলাদেশসহ ৩য় বিশ্বকে অবশ্যই ফ্রি দেবে; কিন্তু অপেক্ষা করতে হবে।
সর্বশেষ এডিট : ১৪ ই এপ্রিল, ২০২০ সকাল ১১:০৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




