
মাত্র ১ মাস, বা তার কম সময়ের লক-ডাউনে, ভারতের ২৫ কোটী, আমেরিকায় ১ কোটী ৫০ লাখ মানুষের চাকুরী চলে গেলো কেন? উহানে ৩ মাস কঠিন লকডাউনে ১১ মিলিয়নের মাঝে ১ জনেরও চাকুরী যায়নি, ইহার কোন ব্যাখ্যা দিতে পারবেন? একমাত্র জার্মানী, স্কেনডেনেবিয়া ব্যতিত পশ্চিমের প্রায় দেশের একই অবস্হা; ফ্রান্স ও কানাডায় চাকুরী কম যাবে! স্পেন, ইতালী, পর্তুগালের মানুষের সামনে পাহাড় পরিমাণ সমস্যা এসে দাঁড়াবে। ইয়েমেন , সিরিয়া, আফগানিস্তান ও অনেক মুসলিম দেশের অনেক মানুষের চাকুরীই নেই; ওরা ভালো থাকবে, চাকুরী যাবার সম্ভাবনা নেই।
আগামীকাল থেকে প্রতিটি আমেরিকান এই মাসে ( অর্ধ লকডাউন) ১২০০ ডলার পাবে; বাচ্চারাও পাবে; ৪ জনের পরিবার কমপক্ষে ৩৫০০ ডলার বা তার বেশী পাবে। এইদিকে ১ কোটীর মতো মানুষ "আনএমপ্লয়মেন্ট বেনেফিট"এর জন্য দরখাস্ত করেছে, তারা সেখান থেকে টাকা পাবে। যাদের চাকুরী যায়নি, তারাও সরকারী ১২০০ ডলার পাবে। আমেরিকান সরকার কি দরকারের বেশী টাকা দিয়ে ক্যাশ ক্রাইসিসের মাঝে প্রবেশ করবে না?
ভারতের যেই ২৫ কোটীর চাকুরী গেছে তারা কিছুই পাবে না; ফ্রান্সে যাদের চাকুরী চলে গেছে, তারা আনএমপ্লয়মেন্ট পাবে; ১ বছরের মাঝে তারা চাকুরী চলে যাবার কারণে এককালীন ক্ষতিপুরণ পাবার সম্ভাবনা আছে।
আমেরিকার ৩/৪ টি কোম্পানী আছে, যাদের বার্ষিক রেভেনিউ পুরো বাংলাদেশের জিডিপির প্রায় ২ গুণের বেশী; ২০ টির মতো কোম্পানী আছে, যাদের রেভেনিউ বাংলাদেশের জিডিপির সমান বা কাছাকাছি; বাংলাদেশে ১৯ কোটী মানুষ যেই টাকায় চলে, আমেরিকার কোম্পানীগুলোর এমপ্লয়ী গড়ে ৩/৪ লাখ সেই টাকা থেকে বেতন পায়, তারপরও এদের অনেকের চাকুরী যাচ্ছে কেন?
আমেরিকান এয়ারলাইনসগুলো, টুরিজম, হোটেল, রেষ্টুরেন্ট, ক্যাসিনো, অন্যান্য এন্টারটেনমেন্ট হচ্ছে প্রচুর লাভের যায়গা, এদের প্রায় ১ কোটী মানুষ কাজ করছে না, এবং প্রায় ৫০ লাখের চাকুরী চলে গেছে, এরা এত বেশী লাভ করার পর, মাত্র ১ মাসের মাঝে তাদের কর্মচারীরা কেন চাকুরী হারালো?
সর্বশেষ এডিট : ১৪ ই এপ্রিল, ২০২০ রাত ৯:৫০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




