
এসিম্পটোমিক করোনা রোগীর বেলায় ডিহাইড্রেশান হলে, কিডনী ফেল করতে পারে, ব্লাড-ক্লটিং হয়ে রোগী ষ্ট্রোক করতে পারে।
এসিম্পটোমিক করোনা রোগী হচ্ছেন, যারা করোনা-পজেটিভ, করোনায় ভুগছেন, কিন্তু তেমন কোন সিম্পটমস (উপসর্গ ) নেই; এদের সংখ্যা অনেক। আপনারা সংবাদে দেখছেন যে, আমেরিকায় মোটামুটি ১০ লাখের কাছাকাছি মানুষের করোনা ধরা পড়েছে; আসলে, কমপক্ষে ১ কোটীর মতো আমেরিকানের করোনা হয়ে গেছে; এদের স্বাস্হ্য অনেক ভালো বলে, বেশীর ভাগই ছিলো এসিম্পটোমিক; কোন ইউনিভার্সিটি যদি আসল ডাটা নিয়ে আসে, আপনারা দেখতে পাবেন যে, ধরা পড়া করোনা থেকে ৭/৮ গুণ বেশী মানুষের করোনা হয়েছিলো সব দেশেই।
বাংগালীদের স্বাস্হ্য নিয়ে বেশ বড় ধরণের সমস্যা আছে; গরমের দেশ হওয়ায় ও বিশুদ্ধ পানির অভাব থাকায় বিপুল পরিমাণ মানুষের কিডনী সমস্যা আছে, শতকরা ১৫ জনেরও বেশী মানুষের সমস্যা আছে; এরপর আছে সিগারেট ও পলুশানের জন্য ফুসফুসের সমস্যা। যারা এসিম্পটোমিক, তাদের জীবনের ঝুঁকি খুবই কম; কিন্তু রোজার ফলে যদি ডিহাইড্রেশন হয়, ইহা হঠাৎ করে কিডনীর কাজ বন্ধ করে দিতে পারে। ডিহাইড্রেশান "ব্লাড ক্লটিং" ঘটায়ে, ষ্ট্রোক ঘটাতে পারে।
এই করোনার সময়ে রোজা না রাখলেও অসুবিধা হওয়ার কথা নয়, রোজা পরেও রাখা যায়; যারা শরীরে কোন রকম অসুবিধা অনুভব করবেন তাদেরকে খেয়াল রাখতে হবে, শরীরে ডিহাইড্রেশন যেন দেখা না দেয়।
সামুর ব্লগারেরা ইতিমধ্যে হয়তো করোনা স্পেশালিষ্ট হয়ে গেছেন; নুরু সাহেব সেই জানুয়ারী মাস থেকেই পোষ্ট দিয়ে আসছেন; ইতিমধ্যেই অনেক ঔষধের নাম ও টিকা নিয়ে পোষ্ট এসেছে, ভালো। এখন রোজা নিয়ে আগামী ১ মাস অবধি পোষ্ট আসতে থাকবে; এই মাসের পোষ্ট পড়ে অনেক ব্লগার সওয়াব কামাই করবেন, অনেক যাযা পাবেন; কিন্তু এই করোনার সময়ে ডিহাইড্রেশন সম্পর্কে সামান্য খেয়াল রাখবেন; না হয়, ইহা আপনাকে যাযা থেকে বেশী কিছু অগ্রিম দিয়ে দিতে পারে, সোাজাসুজি বেহেশতে সীট দিয়ে দিতে পারে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

