
প্রাক্তন মন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম অসুস্হ হয়ে জুনের ১ তারিখে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন; পরীক্ষায় উনার দেহে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়ে; উনি এখনো হাসপাতালে আছেন; গতকাল (৮ই জুন) দ্বিতীয় বার করোনাভাইরাস পরীক্ষার জন্য স্যাম্পল নেওয়া হয়েছিল, আজকে রেজাল্ট নেগেটিভ এসেছে (বিডি নিউজ-২৪); উনার সুস্হতা কামনা করছি।
মাত্র ৭ দিনের ভেতর করোনাভাইরাস শরীর থেকে চলে যেতে পারে না; উনি এখনো অসুস্হ; হাসপাতালের করোনাভাইরাস পরীক্ষায় সমস্যা আছে। মন্ত্রির বেলায় এই তুঘলকি কান্ড ঘটছে, যন্ত্রীদের বেলায় কি ঘটছে সেটা অনুমান করা সম্ভব।
পার্বত্য চট্রগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী বীর বাহাদুরও করোনাভাইরাসে আক্রান্ত বলে কোথায় যেন পড়লাম। এসব ক্ষমতাশীল ও ধনী লোকজন, যাদের বড় বড় বাড়ী ও অনেক চাকর বাকর, ড্রাইভার আছে, তারা যদি একের পর এক করোনায় আক্রান্ত হয়ে থাকে, যারা গিন্জি ধরণের এলাকায় ও বস্তিতে আছেন, তাদের কি অবস্হা? দেশের শহরগুলোতে করোনাভাইরাস বেশ ছড়ায়ে পড়েছে।
বাংলাদেশে সামান্য সংক্রমণও যদি থেকে যায়, গার্মেন্ট ব্যবসায়ীরা আসবে না, অর্ডার আরো কমে যাবে। ইউরোপ আমেরিকার মানুষের ক্রয় ক্ষমতা ইতিমধ্যেই কমে গেছে, সাদারা বেশ কিছু সময় কাপড় চোপড় কিনবে না। দেশের অভ্যন্তরেও ব্যবসা বাণিজ্য হবে না, কাজকর্ম ক্রমেই থেমে যাবে, মানুষের ক্রয় ক্ষমতা থাকবে না; অভাব অনটন আরো বেড়ে যাবে।
করোনা প্রাকৃতিকভাবে কখন শেষ হবে, সেটার উপর ভরসা না করে, দেশের মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করে ইহার মোকাবেলা করার দরকার। গত বিশৃংখল লকডাউনের ফলে, সাময়িকভাবে করোনার সংক্রমণ কমেছিলো, এখন সংক্রমণ রাড়ছে। মন্ত্রী ও ব্যুরোক্রেটরা আক্রান্ত হচ্ছে; ফলে, এখন ডাটার অভাব নেই।
কলেজ, ইউনিভার্সিটি থেকে ১০ লাখের মতো ছাত্র ভলনটিয়ার, এবং তাদেরকে পরিচালনার জন্য মিলিটারী ও বিজিবি দিয়ে দেশে ভালোভাবে আবার ৪ সপ্তাহের জন্য লকডাউন দেয়ার দরকার।
সর্বশেষ এডিট : ০৯ ই জুন, ২০২০ বিকাল ৩:১৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


