
এখনি মিডিয়ায় দেখাচ্ছে, পুটিন বলছে যে, রাশিয়ার টিকা প্রস্তুত, স্বাস্হ্য বিভাগ ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছে, পুটিনের মেয়ে টিকা নিয়েছে; সংবাদের ফলে আমেরিকান স্টক-মার্কেট ইনডেক্স প্রায় ৩০০ পয়েন্ট উপরে উঠেছে লাফায়ে। কিন্তু আমেরিকান সংবাদ পাঠকই বলছে যে, এই টিকা সম্পর্কে বিশ্ব স্বাস্হ্য সংস্হা ও পশ্চিমের কোন ইউনিভার্সিটি, রিসার্চ সংস্হা কোন ডাটা পায়নি।
ব্লগে এই টিকার কথা লিখেছিলেন ব্লগার শাহ আজিজ; এটাই করোনা ভাইরাসের প্রথম অনুমোদিত টিকা। কিন্তু টিকাটি পরীক্ষার কোন ফেইজের ডাটা বিশ্বের কাছে প্রকাশ করা হয়নি। আমেরিকার সিডিসি'র প্রাক্তন এক কমিশনার ডাক্তার স্কট গটলিব বলছেন, স্বয়ং পুটিনের ঘোষণার কারণে এই ভেকসিনটা তিনি নিতে ইচ্ছুক নন।
রাশিয়া ভেকসিন ক্যান্ডিডেট ঘোষণা করার ২ মাসের ভেতরেই ভেকসিনটা অনুমতি পেলো; এই অল্প সময়ে তারা ২০/২০ হাজার মানুষের উপর ৩য় ফেইজ করতে পারার কথা নয়। ভেকসিনটি শরীরে প্রয়োজনীয় পরিমাণ "এন্টবডি তৈরি করে কিনা, এবং কত সময় এই এন্টিবডি শরীরে থাকে" এটা একটি দরকার পরিমাপ; আরো দরকারী পরীক্ষা হলো, ইহা মানব শরীরের ক্ষতি করবে কিনা! এসব বিষয় সম্পর্কে রাশিয়ান টিকার কোন ডাটা বিশ্ব সংস্হাকে দেয়া হয়নি।
পুটিনের রাশিয়ার ক্ষমতায় আসা ও ক্ষমতায় থেকে যাওয়া, তার রাজনীতি ও রাশিয়ার অনেক রাজনীতিবিদকে হত্যা, রাশিয়ার তেল ও হীরক খনির মালিকানা দখল ইত্যাদি পুটিনকে বিশ্বের সবচেয়ে বড় প্রতারক ও ধনীতে পরিণত করেছে। পশ্চিমের কেহ তাকে বিশ্বাস করে না। ফলে, ভেকসিনটা সন্দেহের উদ্রেক করেছে। তবে, রাশিয়ানরা মগজের দিক থেকে পশ্চিমীদের দলে, কিংবা তার চেয়ে ভালো মগজের জাতি; কিন্তু পুটিনের রাজনীতি তাদেরকে বিশ্বের সবচেয়ে বড় মাফিয়া জাতিতে পরিণত করেছে; রাশিয়ার ৯০ ভাগ সম্পদ এখন প্রতারকদের দখলে। এই টিকা নিয়ে সন্দেহ থেকে যাবে।
সর্বশেষ এডিট : ১১ ই আগস্ট, ২০২০ বিকাল ৪:৪৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



