
রাশিয়ানরা মদ খেলে দিল-দরিয়া হয়ে যায়; রাশিয়ান মেয়েরা মদ খেলে, কোন বিষন্ন পুরুষ দেখলে তাকে খুশী করতে চায়, পুরুষেরা অন্যদের মদ কিনে দেয়, বিভিন্নভাবে সাহায্য করতে চায়, সাহায্যের প্রতিশ্রুতি দেয়! আমেরিকানরা মদ খেলে হাসিখুশী হয়ে গল্প করে বিদায় নিয়ে চলে যায়; কেহ অকারণ ঝামেলা করলে মারমুখী হয়, গোলাগুলিও হতে পারে। ইংরাজরা মদ খেলে গম্ভীর হয়ে যায়; মেক্সিকান স্পেনিশরা মদ খেলে বউ ও ছেলেমেয়েদের স্মরণ করে, তারপর রাস্তার উপর ঘুমিয়ে পড়ে; বাংগালীরা মদ খেলে মেয়ে নিয়ে গল্প করে, অন্যদের গালাগালি করে, মারামারি করতে চায়, মারামারি করে না। মেয়েরা মদ খেলে একা থাকতে চাহে না।
বাংগালীরা গাঁজা গুজা, হিরোইন মিরোইন, পেনসিডিল, ইয়াবা খেলে কি রকম ব্যবহার করে তা আমার জানা নেই; তবে, ইয়াবা নাকি প্রথমে রংগীন স্বপ্নে বিভোর করে?
বাংলাদেশে মেয়েদের উপর যারা নির্যাতন চালাচ্ছে, এদের কতভাগ মাদক ও মদে আসক্ত? বাংগালীরা কম পরিমাণ মদ খেলে হিতাহিত জ্ঞান হারায় না, এবং তারা অন্যদের এড়িয়ে চলে, পরিচিতদের সামনে পড়তে চায় না; কিন্তু কয়েকজন এক সাথে থাকলে কিছুটা এডভেন্চার করতে চায়।
যারা বিবিধ ধরণের মাদক নেয়, তারা সাধারণত: হিতাহিত জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। মাদকাসক্তরা যখন মাদক নেয়নি, তখনও কিন্তু তাদের মেজাজ খারাপ থাকে, তারা নীচু মানের আচরণ করে। মনে হয়, এদের বেশীরভাগই বাংলাদেশে নারীদের উপর নির্যাতন চালাচ্ছে।
মাদক এখন বাংগালীদের জীবনের অংশ হয়ে গেছে; রোহিংগারা মনে হয় ইয়াবা বানাতেও জানে; ওরা জানলে, অনেক বাংলাদেশীও নিশ্চয় জানে। দেশে তরুণরা ইয়াবা খাচ্ছে প্রচুর পরিমানে; মনে হয়, ইয়াবা সব শ্রেণীর বাংগালীর মাঝে ছড়িয়ে পড়েছে। গ্রামের বেকার তরুণরা এখন রাজনৈতিক দলের ক্যাডার; যারা অপরাধের সাথে যুক্ত হয়ে যায়, তারা ক্ষমতাশীল দলের সাথে যোগ দেয়।
আপনারা দেখুন তো, মাদক ও নির্যাতন সমানুপাতিক কিনা? ধর্ষণ নিয়ে অনেক ব্লগার কবিতা লিখেছেন, আশাকরি ধর্ষণ কিছুটা কমে আসবে।
সর্বশেষ এডিট : ০৫ ই অক্টোবর, ২০২০ রাত ১০:২২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


