
গত শুক্রবারে, হোয়াইট হাউসে যেই পরিমাণ করোনা রোগী ছিলো, একমাত্র হাসপাতাল ছাড়া, বিশ্বের কোন ঘরে একই সাথে এত বেশী করোনা রোগী একই সময় উপস্হিত ছিলো না: প্রেসিডেন্ট, তার বউ, ঘর সামলানোর লোকজন, হোয়াইট হাউসের প্রেসের লোকজন, অফিসের লোকজন, সিনেট, প্রশাসন ও সরকারের লোকজন, প্রেসিডেন্টের এডভাইসার মেডভাইজার মিলে ২০ জনের বেশী করোনা রোগী ছিলো সেখানে; সব ঘটেছে ট্রাম্পের গরিলা-বিবেক ও বুদ্ধিহীনতার কারণে।
ট্রাম্প গত শনিবার থেকে শুরু করে ৪ রাত বিশ্বের সবচেয়ে দামী হাসপাতালে থেকে গতকাল হোয়াইট হাউসে ফিরেছে, যেখানে তার বউ অসুস্হ, আরো কতজনের শরীর তখন পজিটিভ সেটা পরে জানা যাবে। ট্রাম্প হেলিকপ্টারে ফিরে, ঘরে বারান্দায় উঠে নিজের মাস্কটা খুলে বলেছে, "করোনাকে ভয় করার মতো কিছু নেই"।
যেই ২ লাখ ১০ হাজার মারা গেছে, তাদের ছেলেমেয়ে ও আপনজনেরা শুনেছে, "করোনাকে ভয় করার মতো কিছু নেই", যেই ৪ কোটীর চাকুরী নেই তারাও এই অভয় বাণী শুনেছে, ইডিয়ট! হোয়াইট হাউসে গতকাল কুত্তাও ছিলো না, ভয়ে তেমন কেহ কাজে আসেনি; শুধু সিক্রেট সার্ভিসের কিছু লোকজন, ডাক্তার-নার্স, পাহারাদারেরা ব্যতিত তেমন কেহ কাজে আসেনি; মেলোনিয়া হয়তো নিজে রান্না করে খেয়েছে! ট্রাম্প রাতে হয়তো উপোষ থাকার কথা।
গর্দভ বিশ্বের সবচেয়ে দামী হাসপাতালে থাকার সময়, ধুর্ত ঔষধ কোম্পানীগুলো দুনিয়ার সব ধরণের নতুন ঔষধগুলো এই বড় বানরের উপর পরীক্ষা করে নিয়েছে: রিজেনেরণ নামে এক কোম্পানী তাদের "এন্টিবডি ককটেইল", গিলিয়ার্ড তাদের নতুন মানের "রেমিডেসিবির", আরেক কোম্পানী তাদের "ষ্টোরয়েড" উহার উপর প্রয়োগ করেছে। ফলাফল, এসব কোম্পানীর ষ্টক লাফ দিয়েছে; রিজেনেরণের ষ্টক ৩০ ডলার বেড়ে গেছে; সবাই খুশী বড় বানরের উপর পরীক্ষার কাজটা সেরে নিতে পেরেছে।
সর্বশেষ এডিট : ১৩ ই অক্টোবর, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:০৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


