
বাংলাদেশে নারী নির্যাতনে একটা প্যাটার্ণ আছে: নির্যাতীতারা (ধর্ষণ শব্দটা বেশী বিশ্রী) অপেক্ষকৃতভাবে দরিদ্র, অসহায় পরিবারের নারী, মেয়ে, বালিকা; যারা এদেরকে টার্গেট করে, তারা এদিকটা খেয়াল রাখে। আবার যারা এসবের বিচার আচার করার কথা, তারা এই শ্রেণীর মানুষদের নিয়ে বেশী মাথা ঘামাতে চাহে না; পুলিশও এদের জন্য অকারণ খাটতে চাহে না; পুলিশ ঘটনা জানার পর, নিজের থেকে কিছু করে না, এবং সব সময় বলে যে, কেহ তো এই ব্যাপারে কেইস করতে আসেনি, কেইস করতে এলে, তারা ব্যবস্হা নেবে।
দেশ চালাচ্ছেন নারীরা: শেখ হাসিনা, শিরীন আক্তার, মতিয়া চৌধুরী, দীপু মনি, শীপু মনি, রওশন মওশন, ইত্যাদিরা; এরা নারীদের ন্যুনতম অধিকারও রক্ষা করছে না; এরা জেনেশুনে সৌদীতে নারী পাঠাতে দিচ্ছে, নারীদের দুবাই ও মালয়েশিয়াতে পাচার করতে দিচ্ছে; এরা জানে না, সেখানে কি হচ্ছে? এরা যদি সেটা জেনে চুপ করে থাকে, এরা বস্তির একটা মেয়ে, বা নোয়াখালীর দরিদ্র পরিবারের একটা মেয়ের জন্য কিছু করবে বলে আপনার মনে হয়?
দেশে অরাজকতা চলছে; প্রতিটি এমপি, উপজেলা চেয়ারম্যান, মেয়র, আওয়ামী লীগের নেতাদের ক্যাডার আছে; এসব ক্যাডারদের কারো চাকুরী নেই; কিন্তু এদের আয় যেকোন চাকুরীজীবি থেকে বেশী; এরা চাদাবাজী, মাদক ব্যবসা, চোরাকারবাবী, ভুমিদস্যুতায় যুক্ত; দলের সব নেতার বাহিনী আছে, এরা নিজেরা মাদকে ডুবে থাকে; এরা থানা পুলিশ কাউকে পাত্তা দেয় না, উল্টো ওদের কিনে রাখে।
এগুলো কমপ্লেক্স সমস্যা, এক সময় নোয়াখালী, চট্টগ্রামের সাধারণ মানুষরা এদেরকে থামাতো, মাঝে মাঝে অভিযান চালিয়ে এলাকা পরিস্কার করতো; কিন্তু এখন বখাটে ক্যাডারেরা সাধারণ মানুষ থেকে বেশী শক্তিশালী; কারণ, চেয়ারম্যান, মেম্বার, এমপি, উপজেলা চেয়ারম্যান, সবাই মাসলম্যান, সবার বাহিনী আছে; অনেকে ২/৩ শত ক্যাডার পোষে।
সব সময় ক্যাডারেরা যে নির্যাতন করছে তা নয়, দেশের এনার্খীর সুযোগ নিয়ে সমাজের দলহীন পশুরাও নারীদের উপর নির্যাতন চালাচ্ছে। দেশের আরেক অপরাধী হচ্ছে আরবী শিক্ষার কেন্দ্রগুলো; এগুলোতে গরীবের মেয়েদের আরবী, ধর্ম ইত্যাদি শিখাতে পাঠালে, সেখানকার মোল্লারা মেয়েদের উপর অত্যাচার চালায়; যৌনচর্চা যেন আরবী শিক্ষার অংশ, ইহা আলাদা সমস্যা। যাক, এগুলো আজকাল বড় সমস্যা।
শেখ হাসিনার পুলিশ, আদালত, প্রশাসন, ইত্যাদি মেয়েদের রক্ষার জন্য কোন ব্যবস্হা নিচ্ছে না; দরকার প্রতিরোধ, ঘটনা ঘটার জন্য অপেক্ষা না করে, আগের থেকে ব্যবস্হা নেয়ার, "প্রিভেনশান" দরকার।
সরকার যখন ব্যবস্হা নিচ্ছে না, ব্যবস্হা নিতে হবে আমাদের; পোষ্ট লিখে, কবিতা লিখে এগুলো কেহ থামাতে পারবে না; এগুলোর জন্য সংগঠিত হয়ে নোয়াখালী-চট্টগ্রাম ষ্টাইলে এ্যাকশনে যেতে হবে, এলাকা পরিস্কার করতে হবে।
সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই অক্টোবর, ২০২০ বিকাল ৩:৩৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


