
করোনার ফলে চীনে ১ জন মানুষেরও চাকুরী যায়নি; আমেরিকায় প্রাথমিকভাবে ৬ কোটি মানুষের কাজে যাওয়া বন্ধ হয়েগিয়েছিলো; এখন ২ কোটী ৩০ লাখ বেকার, ১ কোটীর কাছাকাছি বেকার ভাতায় আছে; এর বাইরে প্রতি নাগরিককে ১ বার ১২০০ ডলার করে দিয়েছে সরকার, আরেকবারও দিতে হবে। এই দেড় বছরে যেই সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে, এবং হতে যাচ্ছে, এর থেকে বের হতে ১০ বছর সময় লাগবে।
মৃত্যুর হার সবচেয়ে বেশী আমেরিকা, ইতালী, ইংল্যান্ড, ব্রাজিলে; এই সপ্তাহে আমেরিকায় প্রতিদিন গড়ে ৩০০০ মানুষের মৃত্যু হচ্ছে, ২ লাখ ২০ হাজার নতুন সংক্রমণ হচ্ছে; অথচ, এরাই প্রথম টিকা বের করতে পেরেছে; এদের হাসপাতল, মেডিসিন, স্বাস্হ্যসেবার ক্ষমতা বিশ্বে সবার চেয়ে অনেক অনেক গুণে বেশী।
সমস্যাটা কোথায়? ইহা ক্যাপিটেলিজমের নিজস্ব সমস্যা; আশাকরি, যারা ক্যাপিটেলিজম ও সোস্যালিজম সঠিকভাবে বুঝেন, তাঁরা ২টি অর্থনৈতিক ব্যবস্হাকে তুলনা করে বুঝতে পারবেন।
ভিয়েতনাম ও বাংলাদেশ অর্থনৈতিক ও আবহাওয়ার দিক থেকে বেশ মিল আছে; ২টি দেশের নতুন করে শুরুটাও একই সময়ে ঘটেছিলো(৭০ দশকে); একটা বড় পার্থক্য হলো মানুষের শারীরিক গঠন, ভিয়েতনামীরা গড়ে কিছুটা খাটো। ভিয়েতনামের সাথে বাংলাদেশের আরেকটা মিল হলো, এই ২টি দেশের মুল চাকুরী হচ্ছে গার্মেন্টস খাতে। কিন্তু করোনার দিক থেকে দেখতে গেলে, ভিয়েতনাম ইহাকে যেভাবে কন্ট্রোল করেছে, ইহা বিশ্বের জন্য উদাহরণ; আর, বাংলাদেশে যা ঘটেছে, ইহা জাতির জন্য কলংক।
ভিয়েতনাম ঠিক সোস্যালিষ্ট দেশ নয়, তারাও ৩য় বিশ্বের ক্যাপিটেলিষ্ট অর্থনীতির দেশ; কিন্তু তাদর যুদ্ধকালীন সময়ে, তাদের কিছু নেতা ছিলো সোস্যালিষ্ট মনোভাবের, এবং দীর্ঘমেয়াদী যুদ্ধ তাদেরকে অনেকটা সোস্যালিষ্ট মনোভাবের করে তোলে; যুদ্ধের সময় সীমিত খাদ্য, সুযোগগুলো মানুষকে বাস্তবতার কাছাকাছি এনেছিলো, সেই প্রভাবটা এখনো কাজ করছে; আমার ধারণা, ভিয়েতনামকে টিকা কিনতে হবে না।
সর্বশেষ এডিট : ১০ ই ডিসেম্বর, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:২৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


