somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

জন্মদিন

১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৫ রাত ১২:৪৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আজকে তোর জন্মদিন।বুঝছি না, কি উইশ করবো তোকে?তুই তো জানিস সবসময় আমার হাতের অবস্থা খারাপ থাকে,দামি কিছু দেবার মতো সামর্থ্য আমার নেই,তবুও যদি তোর আশেপাশে থাকতাম,তাহলে তোকে নিয়ে সারাদিন ঘুড়তাম,অনেক মজা করতাম আর দিনশেষে ঘরে ফেরার আগে কোন এক চা স্টলে বসে পাঁচটাকার একটা কেক কিনে তোর জন্মদিন পালন করতাম।
ছোট বেলাই নিজে নিজে তুই যেমন করতি।

বন্ধুত্ত্বের শুরু থেকে আজ পর্যন্ত যতো কথা হয়েছে,তোর একটি কথাই সবচেয়ে বেশি আশ্চর্য হয়েছি,
"তোর সাথে এতোদিন আমার বন্ধুত্ত্ব থাকার কথা না,কিন্তু কেনো এই অস্বাভাবিক ঘটনা ঘটছে?"
হ্যা,আমিও বলবো কেনো ঘটছে এই অস্বাভাবিক ঘটনা?
পৃথিবীতে যত অদৃশ্য অলৌকিক বা অস্বাভাবিক ঘটনা আছে,এটা হয়তো তার মধ্যে একটি,যা কেউ জানে না,কেউ শোনে নি,কেউ কখনো দেখেনি।শুধু তুই আর আমি জানি,মুখে কিছু বলতে পারি না,শুধু ভালোবাসা দিয়ে অনুভব করতে পারি।

আমি আবার একটু কল্পবিলাসী।ঘুমাতে গেলে মাঝে মাঝে কল্পনার জগতে চলে যায় "ইস তুই আর আমি যদি সারাজীবন এমন বন্ধু থাকতে পারতাম!"
কল্পনাগুলো শুধু কল্পনাতেই মানাই।বাস্তবতার সাথে এর কোন সম্পর্ক নেই।
জানি, তোর আর আমার মাঝে একদিন দূরত্ব সৃষ্টি হবে,নিজেদের প্রয়োজনে যে যার মতো আলাদা হয়ে যাবো,সাথে আমাদের গতিপথও ভিন্ন হবে,ঠিক মহাকাশ থেকে হঠাৎ করে ছিটকে পড়া কোন এক সাথীহারা গ্রহের মতো।আবার নিজেদের প্রয়োজনে নতুন বন্ধু খুঁজে নিবো,আবার নতুন করে সবকিছু শুরু হবে।

এই কথাগুলো আজ আমি না লিখলেও পারতাম,কেনো লিখলাম জানি না। প্রশ্ন করলে এর কোন উত্তর আমার কাছে নেই। হয়তো মনের মধ্যে জমা এক টুকরো ভালোবাসা থেকে।
একটা রিকুয়েস্ট থাকবে তোর কাছে,প্লিজ এই লিখাটি তোর টাইমলাইনে সেভ রাখিস।
যেদিন আমি থাকবো না, হঠাৎ কোনদিন ফেসবুক লগইন করে যদি আমার এই লিখাটি তোর চোখে পড়ে তাহলে ভেবে নিস "আমিও একদিন তোর বন্ধু ছিলাম।"

"HAPPY BIRTHDAY TO U"
২টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ছবি ব্লগ -৭ বিনীত, অবনত বৃক্ষ

লিখেছেন হুমায়রা হারুন, ১৯ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১:০৯

পথে যেতে চোখে পড়লো নুয়ে পড়া বৃক্ষের শাখাগুলো। মনে হলো স্রষ্টার কাছে সে যেন নিবেদিত প্রার্থনায় অবনত। সব অহংকার, সব আত্মগরিমা, কৃতিত্বের ভার সে ধীরে ধীরে ঝরে... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমি আর তুমিঃ ফানা থেকে বাকাঃ জীবনের উপলব্দি সবই তোমার

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ১৯ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৩:১১


ইশ্‌কে আমি ও তুমি’র ব্যবধান ক্ষীণ হওয়া, ফানা-তে অহংকারের বিলয়, এবং বাকা-তে প্রকৃত বোধ নিয়ে কর্মময় জগতে ফিরে সেবা, বিনয়, করুণা ও কৃতজ্ঞতার জীবন বেছে নেয়ার উপলব্দিতে লেখা... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমরা কোন ইসলাম পালন করছি! কাদের ফলো করছি!

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১৯ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১০:৫১

খোদা ও নবীজীকে অবমাননা করলে অর্থাৎ ধর্মীয় অবমাননা করলে মৃত্যুদণ্ড দিতে হবে, এমন আয়াত কোরআনে পেলাম না!
অনেক খুঁজলাম.........আমি পাই নাই। আপনি পেয়েছেন কি?



পবিত্র কোরআনে উল্লেখ আছে যে,... ...বাকিটুকু পড়ুন

আগ্নেয়াস্ত্র প্রদর্শন, প্রতিমন্ত্রীর পদত্যাগ এবং ঢাকা দক্ষিণের নতুন সমীকরণ: রাজনৈতিক খেলায় ইশরাক কোথায়?

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ১৯ শে অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ১২:৫২

রাজনীতির মাঠে অতি-উৎসাহ কখনো কখনো যে আত্মঘাতী হয়ে দাঁড়াতে পারে, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনের সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ড তারই এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। গত শনিবার রাজধানীর গেন্ডারিয়ায় যেভাবে প্রকাশ্য দিবালোকে আগ্নেয়াস্ত্র উঁচিয়ে, দলবল... ...বাকিটুকু পড়ুন

সৌদি আরবের প্রতি বাংলার মানুষের কেন এত ক্ষোভ?

লিখেছেন জ্যাক স্মিথ, ১৯ শে অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৮



বাংলাদেশের বেকারত্ব সমস্যা দূরীকরণে সৌদি আরব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। দেশটিতে বাংলাদেশের প্রায় ৩৫ লাখ শ্রমিক কাজ করছেন। সৌদি আরবই বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বৈদেশিক শ্রমবাজার। ২০২৫–২৬ অর্থবছরে সৌদি আরব... ...বাকিটুকু পড়ুন

×