somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পুলিশের স্প্রেতে আক্রান্ত শিক্ষকের মৃত্যু

১৫ ই জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ১১:৫৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

এমপিওভুক্তির দাবিতে আন্দোলনরত নন-এমপিও শিক্ষকদের ওপর পুলিশের রাসায়নিক মরিচ স্প্রেতে আক্রান্ত হয়ে এক শিক্ষকের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছেন নন-এমপিও শিক্ষক-কর্মচারী ঐক্যজোটের সভাপতি অধ্যক্ষ এশারত আলী।

একই দাবিতে পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী শিক্ষকরা সকাল ১০টার দিকে ন্যাম ভবনের সামনে অনশন করতে গেলে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ের পশ্চিম পাশে পুলিশ বাধা দেয়। আন্দোলনরত শিক্ষক-কর্মচারীদের ওপর জলকামানের পানি ও তরল কাঁদানে গ্যাস ছুড়ে তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেয় পুলিশ।

আন্দোলনরত শিক্ষকরা অভিযোগ করেছেন, পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী তারা ন্যাম ভবনের সামনে অনশন করতে রওনা হলে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ের পশ্চিম পাশে পুলিশ তাদের ধাওয়া করে সোবহানবাগ পর্যন্ত নিয়ে যায়। শিক্ষকরা তাদের দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত রাজপথ ছাড়বেন না বলেও ঘোষণা দেন।

সোবহানবাগের প্রিন্স প্লাজার সামনে শিক্ষক-কর্মচারীরা অবস্থান নিতে চাইলে পুলিশ তাদের ওপর আবারো জলকামান থেকে পানি ও তরল কাঁদানে গ্যাস ছোড়ে। এতে ১০-১৫ জনের মতো আহত হয়েছেন। আহতদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নেয়া হয়েছে।

নন-এমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারী ঐক্যজোটের সভাপতি মো. এশারত আলীসহ আন্দোলনরত শিক্ষকরা দাবি করেন, পুলিশ তাদের ওপর গরম পানি ছুড়েছে। আজকের ঘটনায় বেশ কয়েকজন শিক্ষক-কর্মচারী আহত হয়েছেন। তারা ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

পুলিশের টহল পরিদর্শক আবুল কালাম আজাদ দাবি করেন, গরম পানি নয়, রাস্তায় বাধা সৃষ্টি করায় তাদের ওপর ঠাণ্ডা পানি ছোড়া হয়েছে।

এশারত আলী অভিযোগ করেন, এমপিওর দাবিতে ঢাকায় আন্দোলন করতে এসেছিলেন সংগঠনের পটুয়াখালী জেলার সাংগঠনিক সম্পাদক মো. সেকান্দার আলী। ১০ জানুয়ারি শহীদ মিনারে পুলিশের মরিচের গুঁড়ামিশ্রিত টিয়ার স্প্রেতে অসুস্থ হন তিনি।

তাৎক্ষণিক তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নেন। চিকিৎসার পর ওই দিন বিকেলে তার বাড়ি পটুয়াখালীতে পাঠিয়ে দেয়া হয়। সেখানে অবস্থা আরো খারাপ হয়ে মঙ্গলবার ভোর ৪টার দিকে মারা যান এই শিক্ষক। তিনি দুমকি উপজেলার চড়বয়রা দাখিল বালিকা মাদ্রাসার শিক্ষক ছিলেন। তার বয়স হয়েছিল ৪৫।
Click This Link
৪টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

কিছু খাতের চাকুরী বেতন-ভাতামুক্ত ঘোষণা করা যেতে পারে

লিখেছেন এমএলজি, ১৯ শে আগস্ট, ২০২৬ সকাল ১১:২৮

এক সমীক্ষায় জানা যায়, বাংলাদেশে সরকারি চাকুরেদের প্রায় ৯১ শতাংশ ঘুষ গ্রহণ করে। এছাড়া, সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের অনেকেও মনে করেন বাংলাদেশে দুর্নীতি নির্মূল সম্ভব নয়; যার অর্থ দাঁড়ায়, দুর্নীতিকে আমরা... ...বাকিটুকু পড়ুন

মাংসের ভুলচুক

লিখেছেন আলমগীর সরকার লিটন, ১৯ শে আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১২:০৬


বারে কুত্তার চোখ রঙিন
স্বপ্ন দেখে তাই ঘিন ঘিন
তাই দেখে হাড্ডি হাসে
পিন পিন, নাকের পুহান ঘুম
রক্ত হবে সুরেশ এই চুম;
ঐ গুরুজনে কইছে কথা
কুত্তার পেটে ঘি করে ব্যথা
স্বপ্ন তো দেখবেই ভুক... ...বাকিটুকু পড়ুন

দ্বিচারিতার এক অদ্ভুত মহাকাব্য

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ১৯ শে আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১:২৩



দ্বিচারিতার এক অদ্ভুত মহাকাব্য

যতদিন যাচ্ছে, ততই মনে হচ্ছ -এই দেশের তরুণ প্রজন্মের একটা বড় অংশকে নিয়ে আশাবাদী হওয়াটা রীতিমতো বিলাসিতা হয়ে দাঁড়াচ্ছে।
সেদিন দেখলাম, এক ছাত্রশিবির নেতা মঞ্চে দাঁড়িয়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

=আয় সখিরা ফিরে যাই মেয়ে বেলা=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ১৯ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১০:৪৯


যাবি নাকি তোরা সখি
আমার সাথে মেয়েবেলা;
যেখানটাতে বসতো যে রোজ
কানামাছি বউছি খেলা।

ভাইবোনেরা রোজ বিকেলে
মাঠে হতাম সমবেত,
ডাংগুলি আর গোল্লাছুটে
বিকেল-খেলায় কেটে যেত।

খেলার আসর উঠোনজুড়ে
তোরাও কী খেলতি এমন?
করলে স্মরণ অতীতের দিন
বুকে লাগে কেমন কেমন।

আয়... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমি মাস্টার্স পাস করে ড্রাইভিং পেশা বেছে নিয়েছি

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২০ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১২:৪৩


পিংক বাস সার্ভিসের একজন নারী চালক, নাম রাবেয়া খাতুন। তিনি মাস্টার্স পাশ করে বাস চালাচ্ছেন। খবরটা পড়ে অনেকেই বাহবা দিচ্ছেন, কেউ কেউ বলছেন বাংলাদেশ এমন প্রতিভাকে ধরে রাখার যোগ্য... ...বাকিটুকু পড়ুন

×