সারাদিন একঝাঁক প্রজাপতি সাথে চলে কোলাহলে
শুনশান পৃথিবীর নিজস্ব প্রহরে কী-বোর্ডে আহত
শীর্ণ আঙ্গুল বাজিয়ে বলি- এসো হল্লা-কূজন! রঙের মেলায়
তেপান্তরের মাঠজোড়া এই অদৃশ্য তাবুটি আমার, বুঝতে
পারছো শুধুই আমার! দ্রব্যমূল্যের রঙিন দামামা থেকে
কান বাঁচিয়ে আমি নোম্যান্সল্যান্ডে একটি সাদা পতাকা
উড়িয়ে দিয়ে এসেছি। সার্বভৌম রাষ্ট্রের অন্তসত্ত্বা অর্থমন্ত্রী
চেচিয়ে মরছেন, “কর্পোরেট গভর্নেন্স মানে হচ্ছে সুশাসন”-
অচিরেই বলবেন-“আপনারা আরেকটি বাচ্চা নেবার আগে
আরেকটু ভাবেন! দয়া করে খাটের সাইডড্রয়ারেই
একটা ক্যালক্যুলেটর রাখেন।”
আমার মেয়েটি বলছিলো- স্কুলে টিটি-ফেভার ক্যাসেল ঘষে ঘষে
হাত ব্যাথা করে, সিক্সটি শেড-কদিনেই ফুরিয়ে যায় তার আয়ূ
কর্তা তেড়ে এসে বলে টের পাও? খালিতো লিখ ফেসবুকস্টাটাস,
সোশ্যাল স্টাটাস ঠিক রাখতে কিভাবে আসে আর যায় বায়ূ?
তাবুর ভেতর অস্ফুট্ট সায়ত্বশাসন! পা টিপে-টিপে আসা যাওয়া
করে শিশিরের স্বরলিপি, সাধ-সাধ্যের জমাটি ডিসকোর্স; একদিকে
স্বপ্ন-নগর; যেখানে প্রজাপতিদের অবাধ পরাগায়ন! স্বপ্ন দম্পতির-
ট্রিলিয়ন শিশু;
তারা সকলেই যিশু!
ক্যাম্পফায়ারে মাঝে মাঝে উষ্ণ হয় দূরায়নী নাবিকের মন-
একজন
প্রান্তিক
কবি
প্রকৃতি নিঙড়ে লিখছে এমনিতর সব অলৌকিক গান-
মুখরনৈঃসঙ্গ্য
সর্বশেষ এডিট : ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০১৪ সকাল ৮:৫৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



