হাফেজ মানে কি টিয়াপাখি মার্কা হাফেজ????? পুরা কোরাণ ঠোটস্থ কিন্তু কোন অর্থ জানে না-
হাফেজ সেই ব্যাক্তি যার কোরাণ মুখস্থ অর্থ সহ এবং যে তার উপর আমল করে।এবং সে সম্পর্কে মানুষকে নির্দেশনা দান করেন।
কিন্তু অত্যন্ত দুখের বিষয় আমাদের দেশে অধিকাংশ টিয়াপাখি মার্কা হাফেজ যারা শুধু কোরাণ মুখস্থ করে যার কোন অর্থ জানে না
অর্থ কেও পড়লে তাকে তারা নিরৎসাহিত করবে এবং এই মর্মে বোঝেবে যে তুমি তো ভুল পড়লে কঠিন গোনাগার হয়ে যাবে, তার থেকে বরং হুজুর (মসজিদের ঈমাম, পাড়ার মুসল্লিা, ডাইল খোড় থেকে তাবলিগ জামাতে গিয়ে লম্বা দাড়িওয়াদেরই এরা বোঝায়)। যেমনটি হিন্দু ধর্মে প্রচলিত আছে সাধারণদের উচ্চ ধর্মগ্রন্থ পাঠ করা নিষেধ। কিন্তু সাধারণই পাঠ করতে করতে অসাধারণ হয়ে উঠবে যা তাদের পন্ডিতেরা মানতে নারাজ কারণ তাদের ভাত থাকবে না। আমাদের দেশের ফার্ম হুজুরদেরও এখন এ অবস্থা। ---" এই তুমি বাংলায় কোরাণ হাদিস পড়ছ, এতে তো ভুল আছে, ভুল পড়লে তুমি কঠিন গোনাহগার হয়ে জাহান্নামী হয়ে যাবে। কিন্তু ভুল পড়তে পড়তেই একসময় সঠিক হয়ে যাবে। আমরা যখন ছোটবেলায় অ অ A B C D পড়তাম তখন নিশ্চয় সব সঠিক পড়তাম না কিছু ভুল থাকত যা আস্তে আস্তে শুদ্ধ হয়ে যেত।
আমাদের দেশের এই হুজুর তৈরীর ফার্মগুলি অন্য ভাষায় হুজুর তৈরীর গার্মেন্টস গুলি সাধারণ ঘরের ছেলেমেয়েদের বস্তুত ভিখেরী বানিয়ে দেন যারা তাদের জীবিকা নির্বাহের জন্য। মসজিদের ঈমামতি, কোন মাদরাসায় আবার বাচ্চাদের হুজুর তৈরী করা, মানুষের বাড়ী বাড়ী গিয়ে আরবী শিক্ষা দেয়া, বিভিন্ন মিলাদ মাহফিল আর মৃতের জানাজা-চল্লিশা ছাড়া তাদের কোন কাজ করার যোগ্যতা থাকে না। আর সবকিছুতেই তারা কেয়ামতের লক্ষণ খুজে বেরায়। কিন্তু এসব করে কি আদৌও ইসলামের প্রসার, ইসলামিক আইন, ইসলামিক সমাজ ব্যবস্থা বাস্তবায়ন সম্ভব???? ইসলামিক আইন, ইসলামিক সমাজ ব্যবস্থা চালু করতে হলে প্রয়োজন রাজনীকি সম্পিকতাও। আমরা তার কথাই মানতে বাধ্য যে আইন প্রণয়ন করে, যেমন সিটি মেয়র, কাউনসিলর, চেয়ারম্যান মেম্বার, পুলিশ প্রশান। অতএব যারা এই সমস্ত জায়গায় যাবে তাদেরই কোরাণ শিক্ষা দরকার। আমাদের দরকার প্রচলিত শিক্ষার সাথে ধর্মীয় শিক্ষাটাও মজবুত করা, আবার যারা ধর্মীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান চালাচ্ছেন তাদের ধর্মীয় শিক্ষা যেমনটা মজবুত তেমনী রাষ্ট্র পরিচালনায় যে শিক্ষা দরকার সেটিও মজবুত করতে হবে তা না হলে ধর্মীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্রদের সারা জীবন দান দক্ষিণা আর দোয়া মাহফিলের উপরই জীবিকা নির্বাহ করতে হবে তারা কোন দিন অন্যের জীবিকা বা কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে পারবে না। পারবে না কোন দিন কোন ধর্মীয় আইন প্রণয়ন করতে, পারবে না কোন দিন ধর্মীয় সমাজ পরিচালনা করতে। তারা শুদু মসজিদে বসে আর বাসায বাসায় গিয়ে বছরে একবার আল্লাহর নামে জিকির করা ছাড়া কোন যোগ্য হবে না।
সর্বশেষ এডিট : ১৪ ই জুন, ২০১৬ দুপুর ১২:০৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



