পুড়ছে আগরবাতি, বিবাগী লোবান। ঘরে নড়ে নানা লোক,
প্রবীণ, নবীন ছায়া পাশুটে দেয়ালে।
অনুরাগী কেউ আসে কেউ যায়, দেখে তার সমস্ত শরীরে
উচ্চারত মৃতূ্যর অব্যয় মাতৃভাষা।
আসেন সমালোচক, পেশাদার; বন্ধু কেউ কেউ, জুটে যায়
বেজায় ফেরেববাজ প্রকাশক
- শামসুর রাহমান (একজন কবি : তার মৃতু্য /আমি অনাহারী)
একটা ছবি - কবি শামসুর রাহমানের শবযাত্রার পরের দিন অর্থাৎ শনিবার দৈনিক প্রথম আলোয় একটি ছবি ছাপা হয়েছিল - কবির দুই নাতনী প্রথম আলো সাময়িকীতে কবির উপর লেখা পড়ছে
ক্যাপসনটিও ছিলো তাই :
কবির দুই নাতনী প্রথম আলো সাময়িকীতে কবির উপর লেখা পড়ছে -
কবির জন্য কি গভীর শ্রদ্ধা আমাদের
এই দিনেও ভুলে যেতে পারি না সানসিল্ক, রাধুনি গুড়া মশলা, কোকাকোলা, মোজোর মজমা থেকে নিজেদের সরিয়ে রাখতে...
স্বান্তনা -
শামসুর রাহমান তার পংক্তির শব্দগুলো বাস্তবে ঘটে যেতে দেখে নিশ্চয়ই মিটি মিটি হাসছেন ,ভাবছেন -আমিতো বলেইছিলাম...
দুইজন মানুষ একজন এবং একজন মানুষ দুইজন
সেদিন রাতে ল্যাম্পপোষ্টের নীচে - হালকা হলুদ আলোয়
দেখি দুজন মানুষ একজন
যেন একসাথেই ওরা পার হয়ে যাবে
জীবনের সব বাকীটা পথ।
সেদিন সকালে সূর্যের নীচে ফরসা রোদে দাড়িয়ে ছিলো
একজন মানুষ দুজন
যেন একজনকে পেরিয়েই তাকে পৌছুতে হবে
জীবনের পরম লক্ষ্যে -
শামসুর রাহমানের থাকা না থাকাটা আমার কাছে কেন যেন কবিতার প্রথম আর দ্বিতীয় পংক্তির ফারাক মনে হচ্ছে।
সর্বশেষ এডিট : ২১ শে আগস্ট, ২০০৬ রাত ১:৩১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



