
গ্রীষ্মের দুপুরে ক্লান্ত শহরে হেটে হেটে,
মাকড়শার জালে কুয়াশার জটিলতা দেখে দেখে,
হাজার বছরের পুরানো রাতগুলো বিনিদ্র কাটিয়ে,
তাকে অনেক খুঁজেছি । অনুনয়ও করেছি অদৃশ্যে।
একবার। অন্তত একটাবার! তোমার মুখোমুখি হওয়া খুব জরুরী।
সে বড় হেয়ালী অথবা ভীতু ছিল।
লুকিয়ে থাকল, অথবা খুঁজে পেলাম না।
নিজের ঘরে যখন আটলান্টিকের চেয়ে গভীর এক সমুদ্র আবিষ্কার করলাম।
আর সেই উত্তাল সমুদ্রে স্বপ্ন ডিঙি ভাসিয়ে রাখতে যখন যারপরনাই ক্লান্ত।
তখন সে এল,
হ্যাঁ। আমার আমি এল!
ব্যস্ততার ব্যাগ কাধে নিয়ে স্বল্প সময়ের জন্য।
হুড়মুড়িয়ে, এক নিঃশ্বাসে শতটা প্রশ্ন করে বসলাম,
জ্যোৎস্নার মায়া তবে আর মাখো না?
এখনো কি ঘোরগ্রস্ত করে হাসনা হেনা?
স্বপ্ন ডিঙি তবে ডুবেই গেল নোনা জলে?
বলনা! বাহবা প্রিয় লোকালয়ে কি মুক্তি মেলে?
মুকাভিনয়ের মঞ্চেই উঠবে?
নাকি সন্ন্যাসী হয়ে হিমালয়ে যাবে?
সে করুণ অথবা হাস্যোজ্জল অথবা দুষ্টুমিভরা দৃষ্টিতে আমাকে দেখে নিল,
“ইগনর! ইগনর! ইগনর!”
উদাসীন কণ্ঠে শত প্রশ্নের এককথায় উত্তর দিয়ে, শূণ্যে মিলিয়ে গেল।
প্রিয় পৃথিবী শোনো, আজকে তোমাকে বলি
সেইদিন থেকেই তোমার বুকে, চোখ বন্ধ করে চলি।
সর্বশেষ এডিট : ২০ শে মার্চ, ২০১৭ রাত ১২:৪৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



