ধরেন আইজকা রাইতে অামি ঢাকার শহরের ১২৭টা কুত্তা একসঙ্গে বাইন্ধা গুলশাল লেকে চুবাইয়া মাইরা হালাইলাম...তারপর মরা কুত্তাগুলারে এক জায়গায় টাল দিয়া থুইলাম...অামি নিশ্চিত, পরদিন পত্রিকার পাতা থেকে শুরু করে প্রতিটি মিডিয়ায় এই নৃশংসতম কর্মকাণ্ডের জন্য ব্যাপক সমালোচনা শুরু হবে...
গুলশান, বনানীর প্রচুর মাম্মি ড্যাডির সাদা সাদা ফার্মের মুরগির লাহান পশুপ্রেমী পোলাপান ইংরেজি লেখা প্ল্যাকার্ড নিয়া রাস্তায় নেমে এসে ভাঙ ভাঙা বংলায় বলবে, ‘বিষার সাই বিষার সাই‘...অবশেষে ৠাব আমারে কোন এক গোপন আস্তানা থেকে গ্রেপ্তার করে গলায় ‘কুকুর হত্যাকারী’ প্ল্যাকার্ড লাগিয়ে সংবাদ সম্মেলন করবে...অার অামাকে গ্রেপ্তারে সরকারকে বাধ্য করার জন্য ‘ভাগো’ বা ‘লাগো’ এই টাইপের নামধারী যে কোন সংগঠন পশ্চিমা বিশ্বের অ্যাওয়ার্ডও পাবে...বিশ্বাস করেন আমি যা কইছি একটুও বাড়াইয়া কই নাই...
কিন্তু দেখেন কী আজব ব্যাপার মাওয়ায় যে লঞ্চ ডুবলো আর তাতে যে এত্তোগুলা মানুষ মরলো তাতে আমাগো কারোরই মন তেমন কাঁদল না...কোন সংগঠন আজকে রাস্তায় প্রতিবাদ জানালো না এই হত্যাকাণ্ডের (হত্যাকাণ্ডই বলবো কারণ জেনেশুনেই মানুষগুলোকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেয়া হয়েছিলো) বিচার চেয়ে...ঘটনার ২৪ ঘন্টা পেরুলেও মালিককে গ্রেফতার করলো না প্রশাসন !!! কোনদিন গ্রেপ্তার করবেও না...কারন এক্ষেত্রে আইনের বিস্তর ফাঁক ফোকর...আসলে এই দেশে সাধারণ মানুষের অবস্থান অন্য যে কোন প্রাণীর চেয়ে অনেক নীচে...
আইচ্ছা একটা আইন করলে কেমন হয়, এখন থেকে যে কোন লঞ্চ ডুবলেই দায়ী লঞ্চ মালিক ও তার পরিবারকে বেঁধে পানিতে ডুবিয়ে মারা হবে....একবার আইনটা প্রনয়ন করা হােক দেখবেন আগামী ১০ বছরেও বাংলাদেশে কোন লঞ্চ না ডুবে বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে...

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



