কাল নিশ্চয়ই চারুকলা আর বইমেলায় ঢোকাটাই দায় হবে...
মৌসুমি শাড়ি পরা সুন্দরীদের কোমল পায়ের সবল আঘাতে ধুলো উড়বে ওইটুকুন এলাকায়...
সুন্দরীর র্নিলোম বাহু চেপে ধরে থাকা তরুণদের কথা না হয় অন্যরাই বলুক...
বসন্ত উৎসব শেষে সন্ধ্যায় যখন ক্লান্ত শরীরে এলোমেলো শাড়ি জড়ানো মাখন রঙা সুন্দরীরা ‘গ্লোরিয়া জিন্সের’ আরাম কেদারায় গা এলিয়ে দেবে....
আর খোঁপায় জড়ানো সারাদিনে বাসি হয়ে যাওয়া হলুদ গাঁদা সরাতে সরাতে একগাল হেসে বলবে, ‘যাই বলো জলের গানই রকস’...চলো কফি খেতে খেতে কালকের প্ল্যানটা ঠিক করা যাক...
ঠিক তখুনি, সন্ধ্যার ওই সময়টাতেই হাজির হবো আমি...
কফি শপের হলদেটে আলোয় ওইসব সুখী সুখী চেহারার মানুষদের দেখে আমার চোখের ভারী আরাম হয়...
সব সুন্দরীরা কেনো সব্বাই আমার বাহুলগ্না হলো না এসব ভাবতে ভাবতে বুকের মাঝে কেমন যেনো জ্বালাপোড়াও হয়...
তবুও সবকিছু ছাপিয়ে ওই যে শাড়িপরা মাখন মাখন মুখগুলো দেখা সে আনন্দের সঙ্গে কী আর কোনকিছুর তুলনা চলে...
তাই একদিনের বাঙালির উৎসবটাকে পাশ কাটিয়ে চলো বসন্ত বরণটা ওই হলদেটে অলোতেই সারা যাক...

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



