আলহামদুলিল্লাহ্ আমাদের দেশে রমজান মাসে কুরআন খতম দেয়ার একটা রীতি প্রচলিত আছে।
মাশাল্লাহ, এটি অত্যন্ত সওয়াবের কাজ। কিন্তু আমরা যেন অসুস্থ প্রতিযোগিতায় লিপ্ত না হই।
কে কত খতম দিতে পারলো,
কে কার চেয়ে বেশী খতম দিতে পারলো ?
সেই অসুস্থ প্রতিযোগিতায় যেন না নামি।
কে কত খতম দিতে পারলো সেটার চেয়ে বেশী গুরুত্বপূর্ণ হল কে কত সুন্দর করে ও মনোযোগ সহকারে কুরআনের হক আদায় করে তিলাওয়াত করতে পারলো।
বেশী বেশী খতম দিতে গিয়ে আমরা যেন জাচ্ছেতাইভাবে, কোন নিয়মনীতি না মেনে কুরআন তেলাওয়াত না করি।
হযরত আনাস ইবনে মালিক রাদিয়াল্লাহু আনহুকে রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কুরআন পঠনের পদ্ধতি সম্পর্কে জিজ্ঞাস করলে তিনে বলেন, ‘রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কুরআন টেনে টেনে পড়তেন। ‘বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম’ পাঠ করার সময় ‘বিসমিল্লাহ’টেনে পড়তেন; ‘আর রাহমান’ টেনে পড়তেন; ‘আর রাহিম’ টেনে পড়তেন।’ (বুখারি)
সূরা মুযযামমিল এর ৪ নং আয়াতে বলা হয়েছে,
.......... এবং কোরআন আবৃত্তি করুন সুবিন্যস্ত ভাবে ও স্পষ্টভাবে।
আমাদের প্রত্যেকের গলা তো আর মাওলানা বা ক্বারিদের মত সুমধুর নয় । তবে যার যার গলায় যতটুকু সুর আছে সে ততটুকু সুর দিয়ে যেখানে যতটুকু টানার প্রয়োজন সেখানে ততটুকু টেনে টেনে তেলাওয়াত করার চেষ্টা করি।
অন্ততপক্ষে তাড়াতাড়ি শেষ করার জন্য খুব দ্রুত না পড়ি।
আল্লাহ্ আমাদের সবাইকে সহি শুদ্ধ ভাবে কুরআন তেলাওয়াত করার তৌফিক দান করুন।
আমিন ..................
সহি শুদ্ধ ভাবে তেলাওয়াত করে আপনি যদি একাধিক খতম দিতে পারেন আলহামদুলিল্লাহ্ তাতে কোন ক্ষতি নেই। তবে আমরা যেন জাচ্ছেতাইভাবে তেলাওয়াত না করি।
আর সম্ভব হলে কুরআনের তাফসীর পড়ার চেষ্টা করি। বুঝলাম অর্থ না বুঝে পড়লেও নেকী আছে, কিন্তু অর্থ না বুঝে তোঁতা পাখির মত আর কতকাল এভাবেই শুধু তেলাওয়াত করে যাবো ??


অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

