স্কুল অতঃপর কলেজ। এভাবে মাটি খুঁড়ে উদ্ভিদের
মতোন গজাতে থাকে তার নিরেট বয়স,
বেড়ে ওঠে হাতের তালু, চিমটি কাটা নাক
বিনোদিনী প্রত্ন শরীর।
আমার পাঁজর ছেপে যার ভালোবাসার
ঘনঘটা কেঁপে উঠেছিলো একটা মহুর্তে-
এভাবেই এক ক্ষয়িষ্ণু স্বপ্নের বেড়ে ওঠা !
ও আমার পরাবাস্তব স্বপ্ন ! পরাবাস্তব আইরিন !
ও আমার দৃষ্টি সীমানার আহত পাখি-
যার ডাকে ন্যুব্জ হতো আকাশ
ও আমার দ্বন্ধ সীমানার আইরিন -
যার অবহেলায় জল ভরাতো উল্লোসিত চোখ,
ইলশেগুড়ি স্বপ্ন
বুঝিনা কিছুই, কখন কিসের ছায়া এসে জমে
কখনো আলো আঁধারে অস্পষ্ট বাস্তবতা
প্রেম অথবা ঘৃনার মাঝামাঝি রাখে নিতান্ত দুপুর
বঞ্চনার দ্রাঘিমা রেখা সব সময় ঘনিয়ে যায় আমার পাশে
আমার ভালোবাসা অবজ্ঞায় নুয়ে পড়ে তার ছায়ায়
তার দেয়া অবহেলা আর ঘৃনা উপচে পড়ে
আমার সহ্যের শরীরে
সখি, আজো একাকার হয়ে ডুবছে আত্নবিশ্বাস।
খুনসুটিরা বেকার অযত্নে,
আঁধার ঘেঁসে কবে থেকে বসে আছি
একটি প্রেমকে আলো দেবো বলে
আমার মৃত্যুর পরেও বেঁচে থাকার আকাঙ্খায়
ধুপের গন্ধে খুঁজে ফিরবে আমাকে
আর আমার ভালোবাসাকে।
ও আইরিন এক ! অথচ অনেক আইরিন।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


