somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

মালয়েশিয়ান ফ্লাইট ৩৭০-কেন এতো লুকোচুরী

১৩ ই এপ্রিল, ২০১৪ দুপুর ১:২৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

অদ্ভুত এক চক্করে সবাই। তথ্য প্রতি মুহুর্তে পালটাচ্ছে।

১। তারা বললেন বিমানের ব্ল্যাকবক্সের "পিং" পাওয়া গেছে। আমরা ভাবলাম এবার বুঝি রহস্যের উম্মোচন হল। এর পর কয়েকদিন নিরব। আমরা হতাশ হলাম।তারপর আবার অস্ট্রেলিয়ান প্রধানমন্ত্রী বললেন ২/১ দিনের মধ্যে সুসংবাদ দেবেন। সবাই অপেক্ষায়। এখন তিনি বলছেন মালয়েশিয়ার বিমানটির খোঁজ পেতে ‘দীর্ঘ সময়’ লাগতে পারে। তাহলে কেন এতো লুকোচুরি ?

২। বিমানের কোন ধ্বংসাবশেষ পাওয়া যায় নি। একদম না। অথচ বাংলাদেশের প্রায় ২ গুন আয়তনের এলাকা থেকে তারা "পিং" লোকেট করলেন। তাও আবার পানির ৫ কিলোমিটার নীচ থেকে। বিশ্বাস হয় ??

৩। আমার আগের পোস্টে লিখেছিলাম যে কোন দেশের আকাশসীমায় অচেনা বিমান দেখা গেলে তা ধাওয়া করার জন্য সব দেশের ফাইটার এয়ারক্রাফট রেডী থাকার কথা। ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া বা থাইল্যান্ডের কোন ফাইটার কি আকাশে উড়েছিল ? এখন আমরা জানতে পারলাম মালয়েশিয়ান এয়ারফোর্সের ফাইটারগুলো আকশে উড়েছিল যা নাকি সে দেশের সিভিল এভিয়েশন জেনেছে ৩ দিন পর আর আমরা জানলাম ৩০ দিন পর। কেন এই লুকোচুরি। এরকম আর কত তথ্য লুকানো হয়েছে ??

৪। গুড নাইট.....মালয়েশিয়া থ্রি সেভেন যিরো." এটাই ছিল শেষ বার্তা। এটা কে বলেছে ? পাইলট/কো পাইলট নাকি অন্য কেউ ? এখন বলা হচ্ছে এটা পাইলটই বলেছেন। যে মানুষ ৩০ বছর বিমান চালিয়েছেন তার ভয়েস কন্ট্রোল টাওয়ার বা তার সহকর্মীরা চিনবে না এটা বিশ্বাস হয় ????
আধুনিক ভয়েস আইডেন্টিফাই করার সফটওয়ার এর কথা বাদই দিলাম।

৫। মহাসাগরের ৫ কিলোমিটার নীচ থেকে ব্ল্যাকবক্স উঠিয়ে আনলেই কি আমরা সব জানবো ? না তা নয়। কারন ব্ল্যাকবক্সে ভয়েস/ডাটা রেকর্ড থাকে বড়জোর শেষ ২ ঘন্টার কথা। কিন্ত বিমানটি উড়েছিল প্রায় ৮ ঘন্টা। তাহলে হারিয়ে যাবার পর পর প্রথম ৪/৫ ঘন্টায় যা ঘটেছে তা অলরেডী মুছে গেছে। আমরা কোনদিন জানবো না পাইলটের ভুমিকা যার হাতে ২৩৮ জনের জীবন নির্ভর করছিল।

আমার ধারনা :
ক। যেখানে খোজা হচ্ছে.......বিমানটি সেখানে নেই।
খ। মালয়েশিয়া, চীন, অস্ট্রেলিয়া, আমেরিকা........সবাই জানে কি হয়েছে।
গ। মিডিয়া (বিশেষ করে সি এন এন) আমাদের ঘোল খাওয়াচ্ছে

এভাবে মালয়েশিয়ান ফ্লাইট ৩৭০ হয়ে উঠেছে শতাব্দী'র (ইতিহাসের) সবচেয়ে রহস্যময় ঘটনা। তাই সবাই চোখ রাখুন ..... কি হয়।
সর্বশেষ এডিট : ১৩ ই এপ্রিল, ২০১৪ দুপুর ১:৩০
৭টি মন্তব্য ৩টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

কি আছে কারবার

লিখেছেন আলমগীর সরকার লিটন, ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১১:৪৩


ঐ যে হেঁটে যাচ্ছিলাম- দেখলাম
ভণ্ডামি আর প্রলোভন কাণ্ড;
ক্ষমতায় যেনো সব, ভুলে যাচ্ছি অতীত-
জনগণ যে ক্ষেতের সফল ভিত
অবজ্ঞায় অভিনয়ে পাকাপোক্ত লঙ্কা;
চিনলাম কি আর খেলেই ঝাল ঝাল
তবু ভাই চলো যাই, হেঁটে- হেঁটেই... ...বাকিটুকু পড়ুন

সিংহাসনের লড়াই: নেকড়ের জয়ধ্বনি ও ছায়ার বিনাশ

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১:৪৮



“Game of Thrones: Winter is coming” - এর ছায়া অবলম্বনে।

বাংলার আকাশে এখন নতুন সূর্যের আভা, কিন্তু বাতাসের হিমেল পরশ এখনো যায়নি। 'পদ্মপুর' দুর্গের রাজকীয় কক্ষের একপাশে বিশাল মানচিত্রের দিকে তাকিয়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

৭১ পরবর্তি বাংলাদেশ ( পর্ব ০৮)

লিখেছেন মেহেদী আনোয়ার, ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৪:২৩


মুক্তিযুদ্ধে ‘ত্রিশ লাখ শহিদ হয়েছে'— এই দাবি বিশ্ববাসী প্রথম জানতে পারে ৩ জানুয়ারি ১৯৭২ সালে সোভিয়েত রাশিয়ার কমিউনিস্ট পার্টির পত্রিকা ‘প্রাভদা'তে প্রকাশিত এক সংবাদ নিবন্ধে। দু'দিন পর চট্টগ্রাম থেকে প্রকাশিত... ...বাকিটুকু পড়ুন

আজ শবে বরাত!!

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১১:২০



ইসলামি বিশ্বাস মতে,
এই রাতে আল্লাহ তার বান্দাদেরকে বিশেষ ভাবে ক্ষমা করেন। ফারসি 'শবে বরাত' শব্দের অর্থ ভাগ্য রজনী। দুই হাত তুলে প্রার্থনা করলে আল্লাহ হয়তো সমস্ত অপরাধ... ...বাকিটুকু পড়ুন

ফেলে আসা শৈশবের দিনগুলি!

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ২:২১


চট্টগ্রামে আমার ছোটবেলা কেটেছে নানুর বাড়িতে। চট্টগ্রাম হলো সুফি আর অলি-আউলিয়াদের পবিত্র ভূমি। বেরলভী মাওলানাদের জনপ্রিয়তা বেশি এখানে। ওয়াহাবি কিংবা সালাফিদের কালচার যখন আমি চট্টগ্রামে ছিলাম তেমন চোখে পড়েনি।... ...বাকিটুকু পড়ুন

×