somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

এই ছবিতে কি সমস্যা ?

২০ শে জুলাই, ২০১৫ দুপুর ২:২৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


(ছবি ইন্টারনেট থেকে নেয়া)

এধরনের ছবিকে আমরা কেন অশ্লীল বলি? এক যুগলের মিলনের ছবি- এটাকে কেন অশ্লীল বলি? এটা এমন একটা ঘটনা যা প্রতিটা সেকেন্ডে ঘটছে লক্ষ লক্ষ বার। আমাদের যদি মিলনই না হবে তাহলে তো মানবজাতি একসময় বিলীন হয়ে যাবে। তবু আমরা শকড হই কারও ফেসবুকে এধরনের ছবি দেখে। ঘৃনা করি পর্ন ছবি বলে।
কেন?
প্রতিদিন আমরা শত সহস্র ছবি দেখি। পেপারে।ইন্টারনেটে। এক্সিডেন্ট,আগুনে পোড়া দগদগে চেহারা, ইরাক বা আফগানিস্থানের মৃত শিশু, গাজা বা লিবিয়ার বিধস্ত জনপদ। আমরা কিছু বলি না। সয়ে গেছে। ধংস্ব আর অমানুষ্যত্বের ছবি মানুষ কে আর আলোড়িত করে না।আমাদের মনকে একটু নাড়া দেয় না।এটাই স্বাভাবিক।
কিন্তু একটা নগ্ন ছবিতে কি সমস্যা? মানব মানবির চিরাচরিত মিলন দৃশ্যে সবার কেন আপত্তি ?কেন ধর্ম, সমাজ, আইন কানুন সবাই মিলনের প্রতি কঠোর ভাবাপন্ন?মিলন তো “making love”। বাইবেলে তো বলা হয়েছে মিলন হচ্ছে সংগী কে "ভালো করে চেনা"।
তবু সেক্স কেন নিষিদ্ধ বিষয়?
কেন সেক্স আর ভায়োলেন্স একই সাথে দেখা হয়?

DEATH Orientation—killing, destruction, carnage, war = GOOD
LIFE Orientation—sex, love, intimacy = BAD

তাই "এই ছবিতে সমস্যা কি" না বলে প্রশ্ন জাগে " আমাদের কি সমস্যা" ???
আমরা হত্যা-ধ্বংস কে আপন করে নিয়েছি। আর ভালোবাসা, মিলন, জীবনীশক্তিকে ঘৃনা করছি, অস্বীকার করছি,এড়িয়ে চলছি ।
সর্বশেষ এডিট : ২০ শে জুলাই, ২০১৫ দুপুর ২:২৯
৫টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

কি আছে কারবার

লিখেছেন আলমগীর সরকার লিটন, ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১১:৪৩


ঐ যে হেঁটে যাচ্ছিলাম- দেখলাম
ভণ্ডামি আর প্রলোভন কাণ্ড;
ক্ষমতায় যেনো সব, ভুলে যাচ্ছি অতীত-
জনগণ যে ক্ষেতের সফল ভিত
অবজ্ঞায় অভিনয়ে পাকাপোক্ত লঙ্কা;
চিনলাম কি আর খেলেই ঝাল ঝাল
তবু ভাই চলো যাই, হেঁটে- হেঁটেই... ...বাকিটুকু পড়ুন

সিংহাসনের লড়াই: নেকড়ের জয়ধ্বনি ও ছায়ার বিনাশ

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১:৪৮



“Game of Thrones: Winter is coming” - এর ছায়া অবলম্বনে।

বাংলার আকাশে এখন নতুন সূর্যের আভা, কিন্তু বাতাসের হিমেল পরশ এখনো যায়নি। 'পদ্মপুর' দুর্গের রাজকীয় কক্ষের একপাশে বিশাল মানচিত্রের দিকে তাকিয়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

৭১ পরবর্তি বাংলাদেশ ( পর্ব ০৮)

লিখেছেন মেহেদী আনোয়ার, ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৪:২৩


মুক্তিযুদ্ধে ‘ত্রিশ লাখ শহিদ হয়েছে'— এই দাবি বিশ্ববাসী প্রথম জানতে পারে ৩ জানুয়ারি ১৯৭২ সালে সোভিয়েত রাশিয়ার কমিউনিস্ট পার্টির পত্রিকা ‘প্রাভদা'তে প্রকাশিত এক সংবাদ নিবন্ধে। দু'দিন পর চট্টগ্রাম থেকে প্রকাশিত... ...বাকিটুকু পড়ুন

আজ শবে বরাত!!

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১১:২০



ইসলামি বিশ্বাস মতে,
এই রাতে আল্লাহ তার বান্দাদেরকে বিশেষ ভাবে ক্ষমা করেন। ফারসি 'শবে বরাত' শব্দের অর্থ ভাগ্য রজনী। দুই হাত তুলে প্রার্থনা করলে আল্লাহ হয়তো সমস্ত অপরাধ... ...বাকিটুকু পড়ুন

ফেলে আসা শৈশবের দিনগুলি!

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ২:২১


চট্টগ্রামে আমার ছোটবেলা কেটেছে নানুর বাড়িতে। চট্টগ্রাম হলো সুফি আর অলি-আউলিয়াদের পবিত্র ভূমি। বেরলভী মাওলানাদের জনপ্রিয়তা বেশি এখানে। ওয়াহাবি কিংবা সালাফিদের কালচার যখন আমি চট্টগ্রামে ছিলাম তেমন চোখে পড়েনি।... ...বাকিটুকু পড়ুন

×