somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ডঃ জাফর ইকবাল ও প্রাসঙ্গিক কিছু কথা...

২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৫ রাত ১১:৩৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

ডঃ জাফর ইকবাল সম্পর্কিত আমার কিছু লেখা নিয়ে অনেকে বেশ কিছু মন্তব্য করেছেন। তাদের মতামতকে সম্মান করেই বলছি, একজন জাফর ইকবাল আমাদের এই দূনীর্তি বাজদের ভীড়ে যে কত বড় একটি সম্পদ তা আমরা জাতি হিসেবে কখনো মুল্যায়ন করতে পারিনি। কিন্তু আমেরিকার সরকার, সে দেশের নামজাদা বিজ্ঞানীরা পেরেছেন। আপনারা যদি একটু পড়াশোনা করেন তাহলেই জানতে পারবেন।

ডঃ জাফর ইকবাল পৃথিবীর প্রথম বিজ্ঞানী যিনি টাইম প্রজেকশন চেম্বার বানিয়েছিলেন। তিনি কাজ করেছেন পৃথিবীর সবচেয়ে নামী রিসার্চ সেন্টার ক্যালটেকে। (অনেক বড় বড় বিজ্ঞানী শুনেছি ক্যালটেক ভিজিট করতে পারলেই গৌরব ফিল করেন এবং তাদের ওয়েবসাইটে তা বর্ণনা করেন।) আমার কিছু বন্ধু এআইইউবি তে পড়ায়। তাদের কাছে শুনেছিলাম, ডঃ জাফর ইকবালকে এআইইউবি নাকি মাসে 3 লাখ টাকা অফার করেছিলো তাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে সময় দেবার জন্য, কিন্তু তিনি বিনয়ের সাথে অপারগতা জানিয়েছেন।

এইতো গেলো তার ব্যক্তিজীবনের সাফল্যের কথা। এবার আসি, দেশের পর্যায়ে। আমেরিকার সরকারের অনুরোধ এবং চমৎকার জীবনের হাতছানি পেছনে ফেলে তিনি দেশে এসেছেন, তার দেশপ্রেমের কারনেই। (আমি মনে করি তার দেশপ্রেম নিয়ে কারো মনে আর কোন সন্দেহ নাই) দেশে সাম্প্রদায়িক শক্তির হুমকির মুখেও তিনি কখনো তার কাজ থেকে বিরত হননি। কি দারুন ভালবাসা থেকে তিনি শিশুদের জন্য, কিশোরদের জন্য চমৎকার কিছু বই লিখেছেন। গনিত অলিম্পিয়াডের আয়োজন করে দেশকে কয়েকধাপ এগিয়ে দিয়েছেন। সর্বশেষ, শিক্ষা ব্যবস্থাকে কি একটা অরাজকতা থেকে বাচিয়েছেন, তার জন্য আপনারা কতজন তাকে ধন্যবাদ দিয়েছিলেন?

কিছু কিছু মানুষ তার রাজনৈতিক ইনফ্লুয়েনস নিয়ে বিতর্ক করার চেষ্টা করে। আমি নিশ্চিত জানি, আমাদের জাতীয় জীবনের সবচেয়ে বড় সমস্যা, মেধাহীনদের রাজনীতি ও ক্ষমতায়ন। ডঃ জাফর ইকবালরা যতদিন রাজনীতিতে সরাসরি এক্টিভ না হবেন, ততদিন আমাদের কোন মুক্তির পথ আমি দেখিনা। একবার চোখবন্ধ করে কল্পনা করুন, জেআরসি স্যার দেশের প্রধানমন্ত্রি, ডঃ কায়কোবাদ শিক্ষামন্ত্রি, ডঃ জাফর ইকবালর পরিকল্পনা, বাস্তবায়ন মন্ত্রি, আবু সাঈদ স্যার তথ্যমন্ত্রি- এর চেয়ে ভাল সারা পৃথিবীতে কোন মন্ত্রিসভা নেই। আমি নিশ্চিত জানি, মাহাথিরের মত 28 বছর এঁেদর লাগতোনা কখনোই।

সবশেষে বলি আমাদের দেশের জন্য, আমাদের ভবিষ্যতের জন্য এই মানুষগুলো অনেক গুরুত্বপূর্ণ। এদের যথাযথ মর্যাদা দিতে না পারলে মহাকাল কখনোই আমাদের ক্ষমা করবেনা।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০
১১টি মন্তব্য ২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মক্তব চালু করলে শিশুরা ফিরে আসবে ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২৬ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ২:৪২


ববি হাজ্জাজ প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী। মুসা বিন শমসেরের ছেলে। মন্ত্রী হওয়ার পর থেকে পুরো দেশ চষে বেড়াচ্ছেন। নতুন দায়িত্ব পেয়েছেন, নতুন নতুন আইডিয়া দিচ্ছেন। মনে হয়,... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাঁধনের কেন ফেমিকন লাগে !!!

লিখেছেন অপলক , ২৬ শে আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১:৩৪



বাঁধন এখন বন্ধন মুক্ত। মিডিয়া পাড়ায় সরব উপস্থিতি। উপর মহলের ডাকে সারা দিতে হয়। কাজেই ফেমিকন লাগতেই পারে। মানে ফেমিকনের এ্যাড করা লাগতেই পারে। মিডিয়া আইকন হিসেবে জনসচেতনাতা বাড়াতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ফিরে ফিরে আসো

লিখেছেন সেজুতি_শিপু, ২৬ শে আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৪:৪৬


সময়ের সাথে সাথে নিজেকে বদলে নিতে হয়,
তোমার শরীর জুড়ে যখন
অভিজ্ঞতার গল্প পাঠের আসর,
তখনও ছেলে ভোলানো ছড়ায়
নিজেকে ভোলালে চলে?

আঁজলা ভরে সময়ের যন্ত্রণাকে পান কর,
পান কর সত‍্যকে।
পান কর... ...বাকিটুকু পড়ুন

“উন্নয়নের দুর্ভিক্ষে বাংলাদেশ”

লিখেছেন মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ, ২৬ শে আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৪:৫৮



বাং/লাদেশের মূর্খ জনগণ উন্নয়নের চেয়ে কথিত ফ্যাসিবাদকে বড় করে দেখেছে কিন্তু “উন্নয়নের দুর্ভিক্ষ” কি জিনিস তা দেখেনি।

দেখতে থাকুক….। আর ভাতের দুর্ভিক্ষ শুরু হলে বলে…..।

ফ্যাসিবাদ দূর করতে গিয়ে উন্নয়নই "নাই"... ...বাকিটুকু পড়ুন

সম্পত্তি

লিখেছেন সাইফুলসাইফসাই, ২৬ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১১:৪৭

সম্পত্তি
সাইফুল ইসলাম সাঈফ

মায়ের কোলে থাকা অবস্থায়
বাবা ইন্তেকাল করেন।
দিগবিদিক জ্ঞানশূন্য হয়ে পড়েন মা
বাবার অর্জিত কোনো সম্পত্তি ছিল না।
ওয়ারিশ সূত্রে কিছু খণ্ড খণ্ড জমি
এখনও বিদ্যমান বা আছে।
শৈশবে দেখেছি একটি জমিতে
চার-পাঁচটি কদম গাছ,... ...বাকিটুকু পড়ুন

×