somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ফুলবাড়ী কয়লাখনি আন্দোলন : তিন শহীদ পরিবারের খোঁজ নেয় না কেউ

০৮ ই নভেম্বর, ২০১০ রাত ১:০৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

ফুলবাড়ী কয়লাখনি আন্দোলন : তিন শহীদ পরিবারের খোঁজ নেয় না কেউ

ডিজিটাল দিনাজপুর ##
ফুলবাড়ী কয়লাখনি আন্দোলনে ৩ শহীদ স্বজনের খোঁজ-খবর কেউ নেয় না। ওরা শুধু মিটিং, মিছিল, সভা, সমাবেশ করে। যারা ফুলবাড়ীর মাটি থেকে চিরবিদায় নিলেন, তাদের পরিবারকে কেন দেখতে আসে না—কথাগুলো কন্নাজড়িতকণ্ঠে বলেন ফুলবাড়ী কয়লা খনিবিরোধী আন্দোলনে শহীদ তরিকুলের মা তহমিনা বেগম।
প্রায় ৪ বছর আগে ২০০৬ সালে ২৬ আগস্ট খনিবিরোধী আন্দোলনে গুলিতে মারা যান রাজশাহী নিউডিগ্রি কলেজের প্রথম বর্ষের অনার্সপড়ুয়া মেধাবী ছাত্র আবু সালেহ তরিকুল ইসলাম (২০)। কলেজ বন্ধ থাকার কারণে তরিকুল নিজ বাড়ি ফুলবাড়ী পৌর শহরের চানপাড়া গ্রামে আসে। খনিবিরোধী আন্দোলনের দিনে বিডিআরের গুলিতে প্রাণ হারায় আবু সালেহ তরিকুল ইসলাম। মৃত দেহটি প্রশাসন লুকিয়ে রাখলেও ফুলবাড়ী পৌর প্যানেল মেয়র মোখলেছুর রহমানের চাপের মুখে বিকালে তরিকুলের লাশ ফেরত দিতে বাধ্য হয়। এ মৃত্যুকে পুঁজি করে বাম সংগঠনগুলো প্রতিনিয়ত ফুলবাড়ীতে মিছিল-মিটিং-সভা-সমাবেশ করেছে। কিন্তু যারা মারা গেল তাদের স্মরণে কোনো কিছু করা হলো না। শুধু ফায়দা লুটার তালে থাকে তারা—একথা বললেন তরিকুলের বাবা। তিনি আরও বলেন, বাম নেতারা ৩০ অক্টোবর লংমার্চ করল; কিন্তু তারা তো আমাদের ডাকতে পারত। আমাদের তো লংমার্চ সমাবেশে উপস্থিত জনগণের মধ্যে নিয়ে যেতে পারত। তা তারা করেনি।
তত্কালীন জোট সরকার নিহতদের ২ লাখ টাকা করে অনুদান দিয়েছে। আর বিরোধীদলীয় নেতা শেখ হাসিনা ২০ হাজার করে এবং স্থানীয় বিএনপি নেতা সাবেক প্রতিমন্ত্রী মনসুর আলী ৫ হাজার টাকা করে অনুদান দেন। তারপর থেকে আর কেউ সহযোগিতার হাত বাড়ায়নি। বাম দলের কেন্দ্রীয় নেতারা প্রথমে দু-একদিন তরিকুলসহ বাকিদের কবর জিয়ারত করতে এলেও এখন তারা আর আসে না। অন্যদিকে ফুলবাড়ী এলাকার বারোকোনা গ্রামের শহীদ শিশু আমিনের বাবা দিনমজুর আবদুল হামিদ ও মা রেহেনা বেগম বলেন, বাম সংগঠনের পক্ষ থেকে আমরা কোনোদিন কোনো সুযোগ-সুবিধা পাইনি। তারা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল অনেক; কিন্তু বাস্তবায়ন হয়নি একটিও। নিহত সালেকিনের মা সুফিয়া বেগম আক্ষেপের সঙ্গে বলেন, বামদলের নেতারা আমাদের নানা আশ্বাস দিয়েছিলেন। অনেক কিছু পাব। আজ পর্যন্ত ৪ বছর পার হয়ে গেলেও তারা কোনো অনুদান অথবা পুনর্বাসনের ব্যবস্থা নেননি।
সূত্র :: দৈনিক আমারদেশ, ৭ নভেম্বার'২০১০, Click This Link
১টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

শুভ সকাল

লিখেছেন সামিয়া, ১২ ই মে, ২০২৬ সকাল ১০:৪৭


মাঝে মাঝে জীবন আসলে খুবই অদ্ভুত রকম সুন্দর। প্রতিদিন একই রাস্তায় হাঁটতে হাঁটতে, একই আকাশ দেখতে দেখতে হঠাৎ কোনো একদিন মনে হয় পৃথিবীটা বদলে গেছে। মানুষ বদলায় না, বদলে যায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

সূর্যমুখী ফুলের মত দেখি তোমায় দূরে থেকে....

লিখেছেন মরুভূমির জলদস্যু, ১২ ই মে, ২০২৬ বিকাল ৩:৫৫


সূর্যমুখী
অন্যান্য ও আঞ্চলিক নাম : রাধাপদ্ম, সুরজমুখী (হিন্দি)
সংস্কৃত নাম : আদিত্যভক্তা, সূর্যকান্তি, সূর্যকান্তিপুষ্প
Common Name : Sunflower, Common sunflower
Scientific Name : Helianthus annuus

সূর্যমুখী একটি বর্ষজীবী ফুলগাছ। সূর্যমুখীকে শুধু ফুলগাছ বলাটা... ...বাকিটুকু পড়ুন

রাত যত গভীর হয় প্রভাত তত নিকটে আসে

লিখেছেন আরোগ্য, ১২ ই মে, ২০২৬ বিকাল ৫:২১

গতবছর এই মে মাসের ১৭ তারিখেই আমার চোখের প্রশান্তি, আমার কর্মের স্পৃহা, আমার জননী এই ক্ষণস্থায়ী পৃথিবী ও আমাদের কাছ থেকে মহান রব্বের ডাকে সাড়া দিয়ে পরপারে পাড়ি জমান। আব্বু... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইচ্ছে করে

লিখেছেন বাকপ্রবাস, ১২ ই মে, ২০২৬ বিকাল ৫:৩৮

ইচ্ছে করে ডিগবাজি খাই,
তিড়িং বিড়িং লাফাই।
কুমারী দীঘির কোমল জলে
ইচ্ছে মতো ঝাপাই।

রাস্তার মোড়ে সানগ্লাস পরে
সূর্যের দিকে তাকাই,
সেকান্দর স্টোর স্প্রাইট কিনে
দুই-তিনেক ঝাঁকাই।

ঝালমুড়িতে লঙ্কা ডাবল,
চোখ কচলানো ঝাঁঝে,
ছাদের কোণে যাহাই ঘটুক,
বিকেল চারটা বাজে।

ওসবে আমার... ...বাকিটুকু পড়ুন

মায়া বড় কঠিন বিষয় !

লিখেছেন মেহবুবা, ১২ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪০


মায়া এক কঠিন বিষয় ! অনেক চেষ্টা করে জয়তুন গাছ সংগ্রহ করে ছাদে লালন পালন করেছি ক'বছর।
বেশ ঝাকড়া,সতেজ,অসংখ্য পাতায় শাখা প্রশাখা আড়াল করা কেমন আদুরে গাছ !... ...বাকিটুকু পড়ুন

×