উড়ন্ত কাঠবিড়ালির সন্ধান ঃ দিলরুবা সুলতানা পপি
বাদুড় ছাড়া আর কোনো স্তন্যপায়ী প্রাণীর ওড়ার ক্ষমতা নেই। কিন্তু আমাদের দেশেই বহুদিন ধরে শোনা যাচ্ছিল উড়ন্ত কাঠবিড়ালি আছে। শুধু অনুমানে বলা হলেও এবারই প্রথম এর দেখা মিলল সিলেট বিভাগের শ্রীমঙ্গলের লাউয়াছড়া ও চুনারুঘাটের রেমা-ক্যালেঙ্গায়। বাংলাদেশের সবচেয়ে রহস্যময় এই চিরসবুজ বনে গত মাসে বন্যপ্রাণী পর্যবেক্ষক সানিয়া রাহুল এই উড়ন্ত কাঠবিড়ালিকে শনাক্ত করেন। উড়ন্ত কাঠবিড়ালি চলাচলের সময় উড়ে যায় বলে মনে হলেও এরা সত্যিকার অর্থে ওড়ে না। এদের হাত ও পায়ের সঙ্গে শরীরের পাশ থেকে বের হয়ে আসা এক ধরনের চামড়া সংযুক্ত থাকে, যাদের বলা হয় প্যারাসুট। এই কাঠবিড়ালি প্রজাতিটির চলাফেরা অন্য সাধারণ কাঠবিড়ালির চেয়ে আলাদা। এরা এক গাছ থেকে অন্য গাছে লাফিয়ে যাওয়ার সময় অনেকক্ষণ বাতাসে ভেসে থাকতে পারে। আর তা দেখে মনে হবে এরা আসলে উড়ে উড়েই চলাফেরা করে। বিশ্রামের সময় এই প্যারাসুট দৃষ্টিগোচর হয় না। তাদের স্থিতিস্থাপক গুণের কারণে এ প্যারাসুটটি শরীরের সঙ্গে লেগে থাকে। আমাদের দেশে মোট আট জাতের কাঠবিড়ালি আছে বলে বন্যপ্রাণী পর্যবেক্ষকরা ধারণা করেন। এদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দেখা যায় ডোরা কাঠবিড়ালি। আর সবচেয়ে কম দেখা যায় উড়ন্ত কাঠবিড়ালি নিশাচর প্রজাতির এই স্তন্যপায়ীরা সন্ধ্যায় আশ্রস্থল থেকে খাবারের খোঁজে বের হয় আর ভোর হওয়ার আগেই ফিরে আসে। ফলে সহসা এদের চোখে পড়ে না। দেশে হাতেগোনা দু’চারটি বনে এদের অস্তিত্ব আছে বলে ধারণা করা হয়। খুব অল্প সংখ্যায় চট্টগ্রামের চিরসবুজ বনে আছে এরা। কাঠবিড়ালি সাধারণত গাছের ফলমুল, বাদাম, বাকল, বাকলের নিচের পোকামাকড় খেয়ে জীবন ধারণ করে। সব প্রজাতির কাঠবিড়ালিই জোড়ায় জোড়ায় থাকতে পছন্দ করে। এরা পাতা, খড়কুটো, শৈবাল ও অন্যান্য নরম উপকরণ দিয়ে তৈরি গাছের গর্তে অথবা মগডালে অগোছালো বাসা বানায়। বাসা নিরাপদ মনে হলে একই জায়গায় বারবার বাসা করে, যা তারা শুধু প্রজননের জন্য নয়, ঘুমানোর জন্যও ব্যবহার করে। প্রজনন ঋতুতে মেয়ে কাঠবিড়ালি দুই থেকে চারটি অল্পব্দ বাচ্চা প্রসব করে। রেমা-ক্যালেঙ্গা ছাড়া লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানে উড়ন্ত কাঠবিড়ালির দেখা পাওয়া শুধু বন্যপ্রাণীর তালিকাকেই সমৃদ্ধ করেনিÑ এদেশে যে এখনো দু’একটি সমৃদ্ধ বন আছে তারও প্রমাণ মিলল। আর এ বনগুলোকে রক্ষা করা না গেলে উড়ন্ত কাঠবিড়ালির মতো একটি মূল্যবান প্রজাতি এ দেশে আর নাও দেখা যেতে পারে।
আসলে কেউ ফেরে না।
মৃতরা ফিরে আসে না।
ফিরে আসে তাদের ফেলে যাওয়া শূন্যতা,
চায়ের কাপের ধোঁয়া,
অধেক বলা কোনো কথা
অথবা হঠাৎ থেমে যাওয়া কোন সুর
যে প্রেম চলে গিয়েছিল,
সে আর কোনোদিন দরজায় কড়া নাড়ে না।
শুধু একদিন আয়নায়... ...বাকিটুকু পড়ুন
দ্য ড্রাগ কিং

সতর্কবার্তা: এটি একটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক ক্রাইম ফিকশন। বাস্তব একটি অপরাধের কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে পাঠকদের জন্য এর চরিত্র, নাম এবং স্থান পরিবর্তন করে গল্পটি সাজানো হয়েছে।
খুলনা... ...বাকিটুকু পড়ুন
সামুতে আবারও লিলিপুটিয়ানদের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে
আমার গত পোস্টে আলামিন১০৪ নামের এক ব্লগার মন্তব্য করেছেন যে - "এ আই দিয়ে হুমায়ূন আহমেদের মতো লেখা যায়।"
তিনি এ আই-কে প্রম্পট দিয়েছিলেন ' হুমায়ুন আহমেদের মতো গল্প লিখে... ...বাকিটুকু পড়ুন
ইজিবাইক চলাচলের প্রকৃত কর্তৃপক্ষ কে?

দেশের বিভিন্ন শহর ও গ্রামে ইজিবাইক নামে একটি যানবাহন চলাচল করে। কিন্তু এর পরিচালনা, লাইসেন্সিং এবং চলাচলের ক্ষেত্র সম্পর্কে সুস্পষ্ট ও সর্বজনবিদিত কোনো নীতিমালা সাধারণ মানুষের কাছে দৃশ্যমান নয়।
শহরের ভেতরে,... ...বাকিটুকু পড়ুন
মন কথনিকা-৪৮৭৩-৭৪
মন কথনিকা-৪৮৭৩
তোমার আমার মতামতে আকাশ পাতাল সীমা
আমার বুলি বরফ জলের তোমার যেন বোমা,
তুমি বলো রোদের তেজে আমি বর্ষার মতন
বুকের ভিতর বন্ধু বুঝি পাথর পুষো যতন।
মন কথনিকা-৪৮৭৪
পিঠে ব্যথা ভাল্লাগে না, মন... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।