somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

রমজানে সবচেয়ে বেশি ব্যায় সংযম খাতে।

০৭ ই আগস্ট, ২০১১ সকাল ৯:৪৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


ধর্মকারিতে একটা পোষ্ট রমজানে বেশি ব্যায় সংযম খাতে। সংযমের মাসে আল্লা নাকি বন্দি করে রাখে শয়তান কে। তাই এই মাসে অন্যায় হয় অাগের তুলনায় কম। এ কথাটা কিছুটা সত্য। যেমন সাভার আমিন বাজারে ডাকাত সন্দেহে পিটিয়ে হত্যা করেছে ছয়জনকে। রমজানে নোয়াখালীতে ডাকাত সন্দেহে জনতা পিটিয়ে হত্যা করেছে একজনকে। কিছুটা তো কম। না হলে হয়তো দশজনকে পিটিয়ে মারতে পারতো।যাক সংযম কিছুটা হয়েছে।
চৌরঙ্গীতে লেখা
বাজরে চিনি নেই, ডালের দাম বেশি, চালের দাম বেশি, মাছের দাম বেশি, মাংসের দাম বেশি। হাতে টাকার পরিমান কিন্তু বেশী না। উহু কথাটা মনে হয় পুরোটা ঠিক নয়। কিছু মানুষের হাতে রমজান উপলক্ষে একটু বেশিই টাকা পকেটে এসে থাকে। তারা নিশ্চয় আল্লার খাস বান্দা। রমজান এলেই আসে ঈদ। ঈদের খরপাতি বেড়ে যায়। বাড়তি খরচ তো আর বেতনের টাকায় হয়না।তাই রাস্তায় নামতে হয়। আরে না ছিনতাই করার মতো তুচ্ছ ব্যপার বলছিলান। রমজানে রাস্তায় রাস্তায় মোড়ে মোড়ে দেখাযায় পুলিশের একটা মোরট্ সাইকেল। অথবা একটি ভ্যান। সবাইকে দাঁড় করিয়ে কাগজ চেক করছে। মামলা দিব বলে হুমকি দিচ্ছে। হেলমেট নেই দুইশত টাকা জরিমানা। এমনিতেই পকেটের অবস্থা খারাপ আবার যদি দুইশত টাকা চলে যায় কষ্টের কথা। আমারাও তো চালু মাল। সাথে সাথে একশত টাকার একটা নোট রেডি করেতেই পুলিশ অফিসির বলেন। আচ্ছা ঠিক আছে আর কোন দিন যেন এমন না হয়। জি আচ্ছা আপনার মেহেরবানি।
আসলে আমি পুলিশের কথাই বলছি। রমজান উপলক্ষে তারা থাকেন খুব তৎপর।শত হোক আমাদের নিরাপত্তা যেহেতু তাদের হাতে এমন কিছু একটু আধটু তো হতেই পারে।

বাজর স্থিতিশিল রাখার জন্য মন্ত্রিরা অমৃত বচন দেন: একদিন বাজরে কম যান আর একজন বলেন একটু কম খান। ক্রেতারা বলেন পাইনা তো খাব কোথা থেকে?


এই বাজার ঠিক রাখে মাঠে নেমেছে ভ্রাম্যমান আদালত। তারা সব কিছুর দাম ঠিক আছে কিনা যাচাই করছেন। এই কাজটা করতে একটা কাকতালিয় ব্যপার ঘটছে। বাজারের দাম আরো এক ধাপ বেড়েছে। আগে তো সত্তর টাকা কেজি চিনি পাওয়া যেত এখন দোকানি বলে চিনি নেই।
আতএব চিনির সংযম হচ্ছে। যারা দুপুরে ছোট কাপর দিয়ে ঢাকা দোকানে বসে চা খেত। সেই চা পাঁচটাকার বদলে এখন আট টাকা দিতে হচ্চে। তাই চা খাওয়া কিছুটা কমিয়েছি। সংযম তো করতে হবে।

হুম রমজানে সংযমে ভালই আছি। সময় করে খেতে পাইনা কিন্তু সংযম তো পালন করছি।


০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

পণ্ডশ্রম

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১০ ই জুন, ২০২৬ রাত ১২:৩৪



এই নিয়েছে ঐ নিল যাঃ! কান নিয়েছে চিলে,

চিলের পিছে মরছি ঘুরে আমরা সবাই মিলে।

কানের খোঁজে ছুটছি মাঠে, কাটছি সাঁতার বিলে,

আকাশ থেকে চিলটাকে আজ ফেলব পেড়ে ঢিলে।

দিন-দুপুরে জ্যান্ত আহা, কানটা... ...বাকিটুকু পড়ুন

আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?

লিখেছেন নাহল তরকারি, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৮:২৮

আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?

ধরুন, মাসুদ একদিন বাজার করতে বের হয়েছেন। তার মানিব্যাগে একটি Contactless Visa Card ছিল। বাজারের ভিড়ের মধ্যে একজন চোর একটি বিশেষ স্ক্যানিং ডিভাইস নিয়ে ঘুরছিল।... ...বাকিটুকু পড়ুন

১০০০-তম পোস্টঃ কন্যা আপন সাজন সাজে রে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:২৪

আমাকে ও রাহমিনকে এনিমেট করলে কেমন দেখাবে? এই আইডিয়া থেকেই গানটা রিমিক্স করে এনিমেটেড ভিডিও সং বানিয়ে ইউটিউবে ছেড়েছি। ছোটবেলায় মেঝ খালার বিয়েতে এই গানটা শুনেছিলাম। সবাইকে গানটি দেখা ও... ...বাকিটুকু পড়ুন

নাজিয়া সামান্তা, হিজাব এবং আমাদের সমাজের প্রাতিষ্ঠানিক ভণ্ডামি।

লিখেছেন মহিউদ্দিন হায়দার, ১০ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৫১



​একজন তরুণী প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে ড্রাম বাজিয়ে দর্শক মাতাল। নেটিজেনরা বাহবা দিল। কিন্তু সমস্যাটা অন্য জায়গায়—মেয়েটি বোরকা-হিজাব পরা, সে ২০২৫ সালে হজ করেছে, পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ে এবং নিজের... ...বাকিটুকু পড়ুন

শৃঙ্খল মুক্তি আমার

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ১০ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:৪৫

শৃঙ্খল মুক্তি আমার



ভেঙেছি সমাজের যত চেনা দায়,
চিন্তার প্রাচীর আজও ধুলোয় মেশায়।
ঈমানের নোঙর ছিঁড়েছি হেলায়,
ডুবেছি একাকী ; এক অচিন ভেলায়।
ভালোবাসা, মানবিকতার যত শত মায়াজাল,
ছিঁড়ে ফেলেছি আমি সব কটা পাল।
সহমর্মিতার পথ... ...বাকিটুকু পড়ুন

×