ধর্মকারিতে একটা পোষ্ট রমজানে বেশি ব্যায় সংযম খাতে। সংযমের মাসে আল্লা নাকি বন্দি করে রাখে শয়তান কে। তাই এই মাসে অন্যায় হয় অাগের তুলনায় কম। এ কথাটা কিছুটা সত্য। যেমন সাভার আমিন বাজারে ডাকাত সন্দেহে পিটিয়ে হত্যা করেছে ছয়জনকে। রমজানে নোয়াখালীতে ডাকাত সন্দেহে জনতা পিটিয়ে হত্যা করেছে একজনকে। কিছুটা তো কম। না হলে হয়তো দশজনকে পিটিয়ে মারতে পারতো।যাক সংযম কিছুটা হয়েছে।
চৌরঙ্গীতে লেখা
বাজরে চিনি নেই, ডালের দাম বেশি, চালের দাম বেশি, মাছের দাম বেশি, মাংসের দাম বেশি। হাতে টাকার পরিমান কিন্তু বেশী না। উহু কথাটা মনে হয় পুরোটা ঠিক নয়। কিছু মানুষের হাতে রমজান উপলক্ষে একটু বেশিই টাকা পকেটে এসে থাকে। তারা নিশ্চয় আল্লার খাস বান্দা। রমজান এলেই আসে ঈদ। ঈদের খরপাতি বেড়ে যায়। বাড়তি খরচ তো আর বেতনের টাকায় হয়না।তাই রাস্তায় নামতে হয়। আরে না ছিনতাই করার মতো তুচ্ছ ব্যপার বলছিলান। রমজানে রাস্তায় রাস্তায় মোড়ে মোড়ে দেখাযায় পুলিশের একটা মোরট্ সাইকেল। অথবা একটি ভ্যান। সবাইকে দাঁড় করিয়ে কাগজ চেক করছে। মামলা দিব বলে হুমকি দিচ্ছে। হেলমেট নেই দুইশত টাকা জরিমানা। এমনিতেই পকেটের অবস্থা খারাপ আবার যদি দুইশত টাকা চলে যায় কষ্টের কথা। আমারাও তো চালু মাল। সাথে সাথে একশত টাকার একটা নোট রেডি করেতেই পুলিশ অফিসির বলেন। আচ্ছা ঠিক আছে আর কোন দিন যেন এমন না হয়। জি আচ্ছা আপনার মেহেরবানি।
আসলে আমি পুলিশের কথাই বলছি। রমজান উপলক্ষে তারা থাকেন খুব তৎপর।শত হোক আমাদের নিরাপত্তা যেহেতু তাদের হাতে এমন কিছু একটু আধটু তো হতেই পারে।
বাজর স্থিতিশিল রাখার জন্য মন্ত্রিরা অমৃত বচন দেন: একদিন বাজরে কম যান আর একজন বলেন একটু কম খান। ক্রেতারা বলেন পাইনা তো খাব কোথা থেকে?
এই বাজার ঠিক রাখে মাঠে নেমেছে ভ্রাম্যমান আদালত। তারা সব কিছুর দাম ঠিক আছে কিনা যাচাই করছেন। এই কাজটা করতে একটা কাকতালিয় ব্যপার ঘটছে। বাজারের দাম আরো এক ধাপ বেড়েছে। আগে তো সত্তর টাকা কেজি চিনি পাওয়া যেত এখন দোকানি বলে চিনি নেই।
আতএব চিনির সংযম হচ্ছে। যারা দুপুরে ছোট কাপর দিয়ে ঢাকা দোকানে বসে চা খেত। সেই চা পাঁচটাকার বদলে এখন আট টাকা দিতে হচ্চে। তাই চা খাওয়া কিছুটা কমিয়েছি। সংযম তো করতে হবে।
হুম রমজানে সংযমে ভালই আছি। সময় করে খেতে পাইনা কিন্তু সংযম তো পালন করছি।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


