চাচা এলাকার সরকার দলের লোকজন চামড়া তুলতে আসছে।
নেতারা তো তুলে মানুষের চামড়া। দেখসা বলে ওমুকের চামড়া তুলে নেব আমরা।। কিন্তু বিষয়টা কী? ঈদের দিনে তো কোন ঝামেলা হইবার কথা না? কে কি করছে? ঈদের কোরবানীর পশুর হাটতো ভালই জমেছে। আগের চেয়ে বেশি টাকাই এবার বাজারের জমা বইয়ে দিলাম। কালকে গরু কিনতে না কিনতে ঈদের দিনেই আন্দোলন ব্যপার কি?
আরে না চাচা মানুষের চামড়া না। গরুর চামরা।
ওহ। বুঝাইয়া কইবিতো? যাক নেতাদের আদব কায়দা কিছুটা ভাল হৈসে। আগে মানুষের চামড়া তুলতে চাইত । আজকালকা গরুর চামড়া। ওদের স্লোগানটা কি?
" লাল গরুর চামড়া তুলে দেব আমরা।" এই ধরনের।
আরে না চাচা। কোন শ্লোগান টোগান নাই। এমনিই আইসা কইল " আমরা চামড়া তুলি"।
চাচা: বেশ বেশ। এতদিন রাজনীতি করলাম। মানুষের অনেক উপকার করলাম। অনেক উপকারের কথা শুনলাম। এই বারই প্রথম শুনলাম নেতারা ঈদের দিন গরুর চামড়া তুলায় সহযোগিতা করতে আইছে। আল্লা তাদের অনেক দিন বাঁচিয়ে রুখুক। দেনা ওদের বসতে দে। চামড়া তোলা শেষ হলে তাদের কিচু পায়েস খেয়ে যেতে বলছি। দিন কাল পাল্টাইছে , কত ধরনের কাজ যেহয়।
আরে না চাচা।
তারা চামড়া ছিলবেনা। আমরা ছিলার পর তার এইটা নিবে। কষ্ট করবো আমরা। গরিব মানুষ গরুবের চামড়ার কয়েকটা টাকা পাইবো। এইডাও তাদের নেয়া লাগবো?
চাচা এইবার আসল ব্যপারটা বুঝতে পারলেন। যেহেতু ছাত্রলীগের নেতা কর্মি তাদের আগের অনেক ঘটনাই তার চুখের সামনে ভেসে উঠলো। তিনি আতঙ্কে একটু কেপে উঠলেন। বললেন। নিতে আসছে দিয়ে দে।
কিন্তু চাচা? ওরাতো টাকাতো কম দিতে চায়?
কোন কিন্তু নাই। ওদের টাকাও নেয়া দরকার নাই। গরিবের সবকিছুতেই নেতাদের অধিকার আছে। তারাতো গরিবের জন্যই রাজনীতি করে। আর গরুর চামড়া চাইছে মানুষের চামড়াতো চায়নাই আমরা সাধারন জনগন এতেই খুশি।
ইহা একটা কাল্পনিক ভুতের গল্প।
সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই নভেম্বর, ২০১১ দুপুর ২:১৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


