ব্লগ গুলোতে সবচেয়ে হিট পোষ্ট হচ্ছে নাস্তিক আস্তিক নিয়ে লেখা। এই শিরোনাম থাকলে পাঠক হুমরি খেয়ে পড়ে। কিন্তু কোন সূরার শানে নযুল সহ ব্যাখ্যা দিয়ে কোন পোষ্ট আসলে কোন কমেন্টই পড়েনা। ব্যপারটা কি? নাস্তিকরা তো খারাপ কাজ কবোই কিন্তু ব্লগ গুলোতে এত যে আস্তিক তারাও তো ইসলামী লেখা তেমন একটা পড়েনা। বেশির ভাগ পোষ্টই কমেন্ট শুন্য থাকে।
তার মানে কি আস্তিকগণ নাস্তিকদের ব্লগ পড়তে বেশি পছন্দ করেন? নাকি তারা মুখে বললেও ইসলামি লেখা পড়তে ভাল লাগেনা। এমন কি হতে পারে যে যেখানেই ক্যাচাল সেখানেই দলে দলে আস্তিক ক্যাচাল বন্ধুরা ঝাপাইয়া পড়ে। ঝাপাইয়া পড়ুক বা উল্টা পাল্টা হইয়া পড়ুক আমার তাতে কি? পড়লেই ছোয়াব , তারা তো পড়বেই।
পড়ুক ক্ষতি নাই। নাস্তিক গন কখনো আস্তিক প্রবেশ নিষেদ এমন বাক্য পোষ্টে যুক্ত করতে দেখি নাই। তার মানে নাস্তিকের সকল পোষ্ট সকলের জন্য উন্মুক্ত। তাই পড়তে কোন বাধা নাই।
শুধু পড়লেই হবেনা কমেন্টও করতে হবে। আসলে ব্লগে লিখলে যদি কেউ কমেন্ট না করে তবে ব্লগার হতাশ হন। আমার মতো হলে অবশ্য হাতাশ হওয়ার কিছু নেই।
তো নাস্তিকের পোষ্টে সবচেয়ে বেশি কমেন্ট থাকে আস্তিকের, তারা যদিও গালাগালিই বেশি করেন তবুও তা কমেন্ট হিসেবেই গন্য হয়। এই কারনে নাস্তিকদের পোষ্ট হিটের বন্যা বয়ে যায়। নাস্তিকরা তাদের ধর্মগ্রন্থ অনুচ্ছেদ উল্লেখ পূর্বক গালাগালী করতেই পারেন, এটা দুষের কিছু দেখি না।
বিরক্তিটা লাগে তখনই যখন দেখি একই প্রশ্ন যুগ যুগ ধরে করে যান। বার বার উত্তর দিলেও তারা একই প্রশ্ন করেন। এই কারনটা হতে পারে কুরানেও একই কথা বার বার ঘুড়িয়ে ফিড়িয়ে এসেছে। তাই এই একই কথা বার বার বলে যাওয়া ধর্ম সম্মতও বলা যায়।
কি সেই বিখ্যাত প্রশ্ন যা আস্তিকরা প্রায়ই করে থাকেন?
১। আমাদের দেশের দেশের নাস্তিকরা আসলে ইসলাম বিদ্ধেষি। পৃথিবীতে এত ধর্ম থাকতে তারা কেন ইসলামের বিরুদ্ধে লাগতে যায়?
এর যথার্থ উত্তর অনেকেই দিয়েছেন। কিন্তু আমার ডাইনোসরীয় একটা উত্তর আছে।
এই ব্লগে যেহেতু সবচেয়ে বেশি আস্তিক ব্লগার ইসলাম ধর্ম মানে, এবং সবচেয়ে বেশি কমেন্ট তারাই করে থাকে,তাই ইসলামিদের খেদমতেই নাস্তিকরা পোষ্ট দিয়ে থাকেন। এখন আপনারাই বলেন। আপনাদের সংখ্যা যদি কম হতো তবে ইসলাম বিরোধি পোষ্টও কম হতো। এই বার নিশ্চয় বুঝতে পারছেন কেন আমাদের দেশের নাস্তিকগণ ইলামী বিরোধি পোষ্ট দেয়।আপনাদের সংখ্যা এইটা তো আল্লার ইচ্ছাতেই হৈসে।
২। আমাদের দেশের বেশির ভাগ নাস্তিকই মুসলমানের নাম নিয়ে নাস্তিক্য প্রচার করে। এবং এক খান গালি দিয়ে প্রশ্ন করা হয়। ধর্ম ত্যাগ করলি কিন্তু নামটা ত্যাগ কর।
ডাইনোসরিয় উত্তর: নামটা যে ইসলামি এইডা আপনি কি করে বুঝলেন? নিশ্চয় বলবেন যে আপনাদের কোরানে আছে, তাই এইটা ইসলামী। বলতেই পারেন। কোরানে যেহেতু আছে আপনি দাবী করলে আমরাতো আর অস্বিকার করতে পারিনা। কিন্তু একটা প্রশ্ন আপনাদের করতে চাই(যদিও কোন লাভ নাই) আপনাদের কোরান নাযিল হওয়ার আগে আরবের মানুষের নাম গুলো কেমন ছিল?
আপনার নবীর বয়স যখন চল্লিশ তখন কোরান নাযিল হয়। তবে এই মাহান সুন্দর নাম খান (মুহাম্মদ)যেহেতু আগে থেকেই ছিল এইটা কি ইসলামী নাম হতে পারে?
নবীর বাবা , মা কি মুসলমান ছিলেন?
আপনারা ধর্মসম্মত ভাবে যত খুশি গালি দিতে পারেন। গালি দিয়ে আপনি যদি কিছু সোয়াব কামাতে পারেন ক্ষতিকি?

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


