
দেশের ব্যাংকিং সেবার আমূল পরিবর্তন ঘটেছে ইন্টারনেট ব্যবস্থা চালু হওয়ায়। বিপুল হারে এটিএম বুথ চালু হওয়ায় জনগণ সপ্তাহে যে কোনো দিন যে কোনো সময় প্রয়োজনীয় অর্থ সংগ্রহ করতে পারছে। এ ছাড়া দেশের এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্তে টাকা লেনদেন সম্ভব হচ্ছে মুঠোফোনের মাধ্যমে। মাত্র কয়েক টাকা খরচ করে নিমিষেই টাকা পাঠিয়ে দেওয়া সম্ভব হচ্ছে মোবাইল ব্যাংকিং ও অন্যান্য মোবাইলভিত্তিক সেবার মাধ্যমে। বাংলাদেশের এই মোবাইল ব্যাংকিং বিপ্লবের প্রশংসা করেছেন খোদ বিল গেটস। তার মতে, এর মাধ্যমে দরিদ্রের কাছে ব্যাংকিং সেবা পাঠানো সম্ভব হয়েছে। বাংলাদেশে এখন অনলাইন পেশাজীবীর সংখ্যা জ্যামিতিক হারে বেড়ে চলেছে। প্রযুক্তির অনুকূল পরিবেশ ও বাংলাদেশ সরকারের নানাবিধ সুযোগের কারণে এটি করা সম্ভব হয়েছে। এসব অনলাইন পেশাজীবী করমুক্তভাবে বাংলাদেশে বৈদেশিক মুদ্রা নিয়ে আসছেন, যা দেশের অর্থনীতির এক গুরুত্বপূর্ণ চালিকাশক্তি হয়ে উঠেছে। সঙ্গে সঙ্গে হাজার হাজার তরুণ যুবক অনলাইন পেশায় এসে নিজেদের আরও বেশি বিকাশ সাধন করে এগিয়ে নিচ্ছেন দেশকে। নানা সীমাবদ্ধতা থাকা সত্ত্বেও যথেষ্ট দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলেছে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার কাজ। বিশাল জনগোষ্ঠীকে বিভিন্ন খাতের অভিন্ন নেটওয়ার্কের আওতায় আনতে চলছে বিশাল কর্মযজ্ঞ।
সর্বশেষ এডিট : ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ বিকাল ৩:৫৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



