আজ বেলা সোয়া ৩ টা থেকে বিকাল ৫ টার মধ্যে যেকোন সময় দেখা যাবে বলয় গ্রাস সূর্যগ্রহন। (প্রথম পাতা থেকে সরে যাওয়ার কারনে রিপোষ্ট)
২৬ শে জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৪:০৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আজ বেলা সোয়া ৩ টা থেকে বিকাল ৫ টার মধ্যে যেকোন সময় দেখা যাবে বলয় গ্রাস সূর্যগ্রহন। ফলে অণ্ধকার চাকতির আকার ধারন করবে উজ্জল সূর্য। তবে দূর্লভ এ মহাজাগিতক দৃশ্য বাংলাদেশ থেকে দেখা না গেলেও এখানকার মানুষ পুরোপুরি বন্চিত হবে না৷ আকাশ পরিস্কার থাকলে দেশের বিভিন্ন এলাকায় আংশিক সূর্যগ্রহন দেখা যাবে।
সূর্যকে চাঁদ পুরোপুরি ঢেকে ফেলার চঁাদ ঘটনাকে পূর্ণ গ্রাস সূর্যগ্রহণ বলে। তখন গ্রাস অন্চল অন্ধকার হয়ে পড়ে৷ আর সূর্যের কিছু অংশ অন্ধকার হলে তাকে বলে অংশিক গ্রহণ৷ এ সময় গ্রাস অন্চল পুরোপুরি অন্ধকার হয় না
সতর্কতা: খালি চোখে অনুগ্রহ করে কেউ সূর্যগ্রহন দেখার চেষ্টা করবেননা। এতে করে ভবিষ্যতে চোখ নষ্ট হয়ে যাওয়ারও সম্ভাবনা থাকে।
নষ্ট ফিল্মের নেগেটিভ ২-৩ ভাঁজ করে সূর্যগ্রহন দেখতে পারেন। অথবা একটা গামলায় পানি নিয়ে ছাদে রেখে ঐ পানিতে সূর্যগ্রহনের প্রতিবিম্ব দেখতে পারেন। এছাড়া সানগ্লাস অথবা অন্য কিছু দিয়েই সূর্যগ্রহন দেখার চেষ্টা করবেননা।
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

ঐ যে হেঁটে যাচ্ছিলাম- দেখলাম
ভণ্ডামি আর প্রলোভন কাণ্ড;
ক্ষমতায় যেনো সব, ভুলে যাচ্ছি অতীত-
জনগণ যে ক্ষেতের সফল ভিত
অবজ্ঞায় অভিনয়ে পাকাপোক্ত লঙ্কা;
চিনলাম কি আর খেলেই ঝাল ঝাল
তবু ভাই চলো যাই, হেঁটে- হেঁটেই...
...বাকিটুকু পড়ুন
“Game of Thrones: Winter is coming” - এর ছায়া অবলম্বনে।বাংলার আকাশে এখন নতুন সূর্যের আভা, কিন্তু বাতাসের হিমেল পরশ এখনো যায়নি। 'পদ্মপুর' দুর্গের রাজকীয় কক্ষের একপাশে বিশাল মানচিত্রের দিকে তাকিয়ে...
...বাকিটুকু পড়ুন
মুক্তিযুদ্ধে ‘ত্রিশ লাখ শহিদ হয়েছে'— এই দাবি বিশ্ববাসী প্রথম জানতে পারে ৩ জানুয়ারি ১৯৭২ সালে সোভিয়েত রাশিয়ার কমিউনিস্ট পার্টির পত্রিকা ‘প্রাভদা'তে প্রকাশিত এক সংবাদ নিবন্ধে। দু'দিন পর চট্টগ্রাম থেকে প্রকাশিত... ...বাকিটুকু পড়ুন
লিখেছেন
রাজীব নুর, ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১১:২০

ইসলামি বিশ্বাস মতে,
এই রাতে আল্লাহ তার বান্দাদেরকে বিশেষ ভাবে ক্ষমা করেন। ফারসি 'শবে বরাত' শব্দের অর্থ ভাগ্য রজনী। দুই হাত তুলে প্রার্থনা করলে আল্লাহ হয়তো সমস্ত অপরাধ...
...বাকিটুকু পড়ুনলিখেছেন
সৈয়দ কুতুব, ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ২:২১

চট্টগ্রামে আমার ছোটবেলা কেটেছে নানুর বাড়িতে। চট্টগ্রাম হলো সুফি আর অলি-আউলিয়াদের পবিত্র ভূমি। বেরলভী মাওলানাদের জনপ্রিয়তা বেশি এখানে। ওয়াহাবি কিংবা সালাফিদের কালচার যখন আমি চট্টগ্রামে ছিলাম তেমন চোখে পড়েনি।...
...বাকিটুকু পড়ুন