গণতন্ত্রে জ্ঞানীর মতামতের যেই মান,
মূর্খের মতামতের একই মান।
গণতন্ত্রে পুরুষের মতামতের যেই মান,
নারীদের মতামতের একই মান।
গণতন্ত্রে তৈলের দাম আর ঘি-এর দাম সমান। গোবরের দাম আর মাখনের দামও সমান।
গণতন্ত্রে কোয়াণ্টিটি বা সংখ্যা হল মূল নিয়ামক,
কোয়ালিটির কোন মূল্য নেই।
গণতন্ত্রে জালেমের মোকাবেলায় মজলুমের কোন স্থান নেই,
গণতন্ত্রে সংখ্যাগুরুর মোকাবেলায় সংখ্যালঘুর কোন স্থান নেই - যদিও সংখ্যালঘু ন্যায় সঙ্গত অবস্থানে থাকে।
গণতন্ত্র সংখ্যার জোরে হালালকে হারাম, হারামকে হালাল ঘোষনা দিতে পারে - যেমন সুদ, মদ, ব্যাভিচারকে বৈধ করতে পারে। আবার জিহাদের মত ফরজ হুকুমকে রহিত করে দিতে পারে।
অথচ দেখুন, সমাজে ভালো জিনিস সংখ্যায় সবসময় কম থাকে। ভালোর চেয়ে খারাপ সবসময় বেশি থাকে। সমাজে জ্ঞানীদের চেয়ে মূর্খ থাকে
বেশী, সরলমনাদের তুলনায় কূটমনা থাকে বেশী, পরিচ্ছন্নতার তুলনায় আবর্জনা থাকে বেশী, ভালো ও ব্যবহারযোগ্য যেকোন জিনিসের তুলনায় অপদার্থ থাকে বেশী। গণতন্ত্রের নিয়ম অনুসারে আপনাকে ভালোটা রেখে পচাটাই গ্রহণ করতে হবে যদি সেটা 'সংখ্যায় বেশী' হয়।
কিয়ামতের একটি য়ালামত হল হারাম জিনিসকে হালালের মোড়কে বৈধ করার চেষ্টা হবে। যেমন মদকে বীয়ার বলা, সুদকে ব্যবসা বলা, নাচ-গান-বাজনা-বাদ্যকে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান বলা, জিনা ও ব্যাভিচারকে লিভ টুগেদার বলা।
গণতন্ত্রকে বৈধকরণের সেরকমই একটি প্রচেষ্টার নাম "ইসলামী গণতন্ত্র।"
ফেসবুকে পড়ুনঃ গণতন্ত্রকে যেমন দেখেছি
সর্বশেষ এডিট : ১০ ই জানুয়ারি, ২০১৫ সকাল ১০:০১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




