আজকাল অধিকাংশ মুসলমান'ই বাহ্যিক আবরন বা বেশ ভূষাকেই কোন ব্যক্তির প্রকৃত অবস্থা বিচারের মানদন্ড হিসেবে বিবেচনা করে থাকে। অথচ রাসূল (সাঃ) স্পষ্ট ভাবে জানিয়ে দিয়েছিলেন - "নিশ্চয় আল্লাহ্ তাআলা তোমাদের দেহ এবং চেহারা বা আকৃতি দেখেন্ না, বরং তিনি তোমাদের অন্তর ও আমল দেখেন"। রাসূল (সাঃ) এর উম্মাত হিসেবে দাঁড়ি টুপি আর লম্বা জু্ব্বার মত সহজ সুন্নত গুলো যেমণ পালনীয় তার চেয়ে হাজার কোটি গুন বেশী অনুসরনীয় হচ্ছে তাঁর তের বছরের মাক্কী জিন্দিগী, তায়েফের নির্যাতন, শে’বে আবি তালেবের দুর্ভিক্ষের মত কঠিন সুন্নাতগুলো। ভেবে দেখুন সেদিন ‘আল্লাহ্ ছাড়া কোন মা’বুদ নাই’ এ কথা বলার কারনে রাসূল (সাঃ) এবং সাহাবায়ে কেরাম এর উপর নির্যাতনের ষ্টিম রোলার নেমে এসেছিল আর আজকে দাঁড়ি টুপি আর লম্বা জু্ব্বা পরে সেই এক’ই কথা বলার বিনিময়ে মিলে সুন্দর উপাধী আর দামী উপঢ়ৌকন। কখনো কি চিন্তা করে দেখেছেন, কেন এই বৈপরীত্ব? পরিস্থিতি কিন্তু almost same, এখনকার অবস্থা সেই আইয়ামে জাহেলিয়াত এর চেয়ে কোন অংশে কম নয়। এই বৈপরীত্যের কারন একটাই, আজকে উম্মাতে রাসূল (সাঃ) এর সকল প্রচেষ্টা এবং আয়োজেন শুধু দাঁড়ি, টুপি, লম্বা জু্ব্বা, আর তাসবিহ তাহলীল এর মত কিছু সুখকর সুন্নাত চর্চা ও প্রতিষ্ঠার জন্য। কিন্তু রাসূল (সাঃ) মূলতঃ যে উদ্দেশ্যে প্রেরীত হয়েছিলেন তার ধারে কাছে ও উম্মাতে মুহাম্মদি আজকে নেই। আল্লাহ তাআলা রাসূল (সাঃ) প্রেরণের উদ্দেশ্য সম্পর্কে কোরআনে হাকীমে যেমণটি বলেছেন - ”আল্লাহই তো সে মহান সত্তা যিনি তাঁর রসূলকে হিদায়াত ও সত্য দ্বীন দিয়ে পাঠিয়েছেন যেন তাকে সমস্ত দ্বীনের ওপর বিজয়ী করে দেন। আর এ বাস্তবতা সম্পর্কে আল্লাহর সাক্ষই যথেষ্ট (সূরা- আল-ফাত্হ ২৮)”। একটু ভেবে দেখুন তো রাসূল (সাঃ), তাঁর সাহাবীগণ এবং যুগে যুগে মুসলিম মনীষীরা দেশে দেশে যদি শুধু এই সহজ সূন্নাতগুলো পালন আর প্রতিষ্ঠার জন্য দাওয়াত দিতেন তাহলে কাউকেই এত নির্যাতন সহ্য করতে হতো না। সুতরাং ঐ সহজ সুন্নাতগুলো কোন মু’মিন এর প্রকৃত অবস্থা বিচারের জন্য কোন মানদন্ড হতে পারে না। রাসূল (সাঃ) যে মিশন নিয়ে দুনিয়াতে প্রেরীত হয়েছিলেন সেই মিশন বাস্তবায়ন করার জন্য সচেষ্ট হওয়াই হচ্ছে প্রত্যেক মু’মিন এর উপরে সবচেয়ে বড় ফরজ। ঐ সহজ সুন্নাত গুলো হচ্ছে ‘ইসলাম’ নামক সুরোম্য সৌধটি প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর তার বাহ্যিক সৌন্দর্য্য মাত্র। অতএব ঐ প্রধানতম সুন্নাতটি কার দ্বারা কতটুকু পালিত হচ্ছে তার আলোকেই বিচার করতে হবে কে প্রকৃত মু’মিন আর কে কপট মুসলমান। ধন্যবাদ।
কে মু'মিন আর কে কপট, চেনার মানদন্ড
একজন বণিক, যিনি বদলে দিয়েছিলেন সমগ্র আরবের ইতিহাস

মরুভূমির মাঝে দাঁড়িয়ে পুরো আরবকে বদলে দেওয়ার স্বপ্ন দেতেন একজন মানুষ। শুনতে পাগলামি লাগে, তাই না? কিন্তু সেই মানুষটা যদি ছোটবেলা থেকে কাফেলায় কাজ করে থাকেন, যদি তিনি জানেন... ...বাকিটুকু পড়ুন
কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তা যেভাবে আব্বাসীদের জন্য হুমকি হয়ে আসছে- কী হবে খালেদ মহিউদ্দিনের?
হোমো ইরেক্টাসদের প্রায় বিশ লাখ বছর আগের আগুনের ব্যবহার থেকে শুরু করে ছয় হাজার বছর আগের চাকা আবিষ্কার, ১৮৩১ সালের বিদ্যুৎ, গত শতাব্দীর অ্যান্টিবায়োটিক, আর এই সেদিনের ইন্টারনেট ও স্মার্টফোন—... ...বাকিটুকু পড়ুন
আসলে কেউ ফেরে না।
মৃতরা ফিরে আসে না।
ফিরে আসে তাদের ফেলে যাওয়া শূন্যতা,
চায়ের কাপের ধোঁয়া,
অধেক বলা কোনো কথা
অথবা হঠাৎ থেমে যাওয়া কোন সুর
যে প্রেম চলে গিয়েছিল,
সে আর কোনোদিন দরজায় কড়া নাড়ে না।
শুধু একদিন আয়নায়... ...বাকিটুকু পড়ুন
দ্য ড্রাগ কিং

সতর্কবার্তা: এটি একটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক ক্রাইম ফিকশন। বাস্তব একটি অপরাধের কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে পাঠকদের জন্য এর চরিত্র, নাম এবং স্থান পরিবর্তন করে গল্পটি সাজানো হয়েছে।
খুলনা... ...বাকিটুকু পড়ুন
সামুতে আবারও লিলিপুটিয়ানদের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে
আমার গত পোস্টে আলামিন১০৪ নামের এক ব্লগার মন্তব্য করেছেন যে - "এ আই দিয়ে হুমায়ূন আহমেদের মতো লেখা যায়।"
তিনি এ আই-কে প্রম্পট দিয়েছিলেন ' হুমায়ুন আহমেদের মতো গল্প লিখে... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।