somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

"রোগীর প্রাণের চেয়ে ডাক্তারদের সময়ের দাম বেশি..!!!!!!!!!"

২৪ শে আগস্ট, ২০১৪ বিকাল ৫:১০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

সংক্রমণ যেন শুধু রোগীর বাড়ির লোকজন থেকে ছড়ায়! যত বিধি-নিষেধ তাঁদের জন্য। হাসপাতালের কর্মী বা চিকিৎসকদেরও কি সতর্ক থাকার দায় নেই?

প্রশ্নটা প্রকট হচ্ছে ঢাকা শহরের বিভিন্ন হাসপাতালে। সরকারি, বেসরকারি নির্বিশেষে। ঢাকা শহরের কয়েকটি নামী বেসরকারি হাসপাতালটির কথাই ধরা যাক। যেখানে রোগীকে একঝলক দেখতে হলে পরিজনকে জুতো খোলা-হাত ধোয়ার মতো নানা নিয়ম-কানুন মানতে হয়। সেটাই স্বাভাবিক। অথচ আইসিসিইউ বা সিসিইউয়ের সামনে কিছুক্ষণ দাঁড়ালে ধরা পড়ে অনিয়মের ছবিটা। সয়ং ডাক্তারাই বাইরের জুতো পরে গটগটিয়ে ঢুকে যাচ্ছেন! গায়ে একটা অ্যাপ্রন চাপানোরও দরকার মনে করছেন না!

নামী-দামি হাসপাতালেও সতর্কতার এই হাল দেখে বহু রোগীর পরিজনেরা উদ্বিগ্ন। তাঁদের প্রশ্ন, নিয়ম মানার দায় কি শুধু তাঁদের একচেটিয়া তাঁদেরই? ডাক্তারদের জুতোয় ধুলো-নোংরা থাকে না? নাকি থাকলেও ডাক্তারের জুতো হওয়ার সুবাদে সব দোষ ধুয়ে যায়? হাসপাতাল-কর্তৃপক্ষই বা কেন চোখ বুজে থাকবেন?

তাহলে সমাধান কি....
সমাধান তো একটা আছে,অনেকটা লাঁঠী হঁাতে সমাধানের চোর ধরার মতো... হাসপাতাল-কর্তৃপক্ষকে কড়া হতে হবে। “ডাক্তার-নার্সদের বাধ্য করতে হবে নিয়ম মানতে” তাদের কে বোঝাতে হবে রোগীর পরিজন আর ডাক্তারদের জন্য সতর্কতার বিধি আলাদা হতে পারে না..। শাস্তির ব্যাবস্থা রাখতে হবে..।

বস্তুত হাসপাতালের ওয়ার্ডে সংক্রমণ (চিকিৎসা পরিভাষায়, হসপিটাল অ্যাকোয়ার্ড ইনফেকশন) এখন সারা বিশ্বে মস্ত সমস্যা। একটানা আইসিইউ বা আইটিইউয়ে থাকলে এর শিকার হওয়ার আশঙ্কা বাড়ে। ওঁদের অভিযোগ, পরিচ্ছন্নতা নিয়ে তেমন তৎপরতা কোথাও চোখে পড়ে না। বরং অধিকাংশ জায়গায় উদাসীনতাই প্রকট। যেমন, আইসিইউ-আইটিইউয়ের মধ্যে দিব্যি খাওয়া-দাওয়া সারেন চিকিৎসাকর্মীরা। ফুলহাতা শার্ট পরেই একের পর এক রোগীকে পরীক্ষা করে যান চিকিৎসক।

নামজাদা ডাক্তার রাত এগারোটায় এসে আইসিসিইউ, সিসিইউ-আইটিইউয়ে ঝড়ের গতিতে রাউন্ড দিলেন, বাইরের জুতো পরে। শু্য কভার লাগানোর সময় নেই! আইসিসিইউয়ে এক রোগীর বুকে সংক্রমণ ছড়িয়েছে, কড়া অ্যান্টিবায়োটিক চলছে। অন্য রোগীর আত্মীয় ডাক্তার সাহেকে শুধোলেন, এ ভাবে ওয়ার্ডে ঢোকাটা কি ঠিক? সংক্ষিপ্ত উত্তর, “সময় নষ্ট করাবেন না। তাড়া আছে....,
দেরি হলে আপনার পেশেন্টকে দেখতে পারব না।”

রোগীর প্রাণের চেয়ে ডাক্তারদের সময়ের দাম বেশি কিনা, সে প্রশ্ন করার সাহস ভদ্রলোকের হয়নি....।
২টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

তাহসিফের মৃত্যু: খাতা আর টাওয়ার খুললেই যেসব প্রশ্নের উত্তর মেলে

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ০১ লা নভেম্বর, ২০২৬ রাত ৮:২৩



তাহসিফের মৃত্যু: খাতা আর টাওয়ার খুললেই যেসব প্রশ্নের উত্তর মেলে-

বিমান বাহিনীর সাবেক ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট কে এম তাহসিফ সাউরির মৃত্যু এখন রহস্যের আরেক নাম। ২৭ অক্টোবর সন্ধ্যায় জুনিয়র বন্ধু... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইয়াংসান থেকে জুলাইয়ের নতুন বন্দোবস্ত

লিখেছেন কলিমুদ্দি দফাদার, ০২ রা নভেম্বর, ২০২৬ রাত ১:৩৯



Youngsan সিউলের ভিতরে আমেরিকান একটি মিলিটারি বেইস। মিলিটারি বেইসের ভিতরে বার্গার কিং, KFC, Macdonald সব আছে। কোরিয়ান ভিতরে সামরিক ঘাঁটি হলে ও মিলিটারি বেইসের ভিতরে প্রধান কারেন্সি ইউএস ডলার।... ...বাকিটুকু পড়ুন

দারিদ্র্য কি মানুষকে মহান করে তোলে?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০২ রা নভেম্বর, ২০২৬ রাত ১:৪৬


হুমায়ূন আহমেদ। বাংলাদেশের শেষ জনপ্রিয় লেখক। তিনি ছিলেন একাধারে একজন গুণী লেখক ও নাট্যনির্মাতা। হুমায়ূন আহমেদ সমুদ্রবিলাস নামে একটি নাটক নির্মাণ করেছিলেন। সেখানে একজন শিক্ষক ছিলেন, নাম চ্যালেঞ্জার। তাঁর... ...বাকিটুকু পড়ুন

গাধা উন্নয়ন প্রকল্প এবং একটি ভালো কলেজের গল্প

লিখেছেন মুনতাসির, ০২ রা নভেম্বর, ২০২৬ সকাল ৯:২৫

নটর ডেম কলেজে আমাদের সময় একটা প্রকল্প ছিল। নাম ‘অ্যাস ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট’, সংক্ষেপে এডিপি। বাংলায় বললে ‘গাধা উন্নয়ন প্রকল্প’। নাম শুনে মনে হতে পারে, কোনো প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন কর্মসূচি। বাস্তবে এটি... ...বাকিটুকু পড়ুন

DNA — ঈশ্বর এবং প্রশ্ন ?

লিখেছেন দানবিক রাক্ষস, ০২ রা নভেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১:১২



১. ক্ষুধা
পৃথিবীর জনসংখ্যা বাড়ছিল, বাড়ছিল মানুষের খাদ্যচাহিদা; কিন্তু সীমিত জমিতে প্রচলিত পদ্ধতিতে সেই চাহিদা পূরণ করা কঠিন হয়ে উঠছিল।
মানুষ নির্বাচিত প্রজনন ও বিজ্ঞানভিত্তিক গবেষণার মাধ্যমে এমন ব্রয়লার মুরগির জাত তৈরি... ...বাকিটুকু পড়ুন

×