somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ক্ষমতা ও গণতন্ত্র

০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০২৫ রাত ১১:১৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

ক্ষমতারোহনের পথ গণতান্ত্রিক হলেও ক্ষমতায় গেলে চোখ অন্ধ হয়ে যায়। ‘গণতন্ত্র’ নামক শব্দটিকে অনুন্নত ও উন্নয়নশীল দেশগুলোতে মূলো হিসেবে ধরা হয়। যখন তখন মূলোটি এর ওর সামনে ধরা হয়। কাজ হয়ে যায়। জনগণ যা বোঝার বুঝে যায়। কিন্তু শান্ত জনগণ অনেকটা ঢেউ বিহীন সমুদ্রের মত। এটা যে পরবর্তী ঝড়ের পূর্বাভাস সেটা শাসকরা ভুলে যান। ক্ষমতাসীনরা তখন ক্ষমতার হাতের পুতুল মাত্র।

গণতন্ত্র যে একটি মূল্যবোধ, গণতন্ত্রে যে ভিন্নমত ও বিরোধি পক্ষ অত্যন্ত মূল্যবান সে কথা মনে থাকে না। বলা ভালো গণতন্ত্র এগুলো ছাড়া নিষ্ফল। গণতন্ত্র নিয়ে কাজ করতে হলে এগুলো আগে শিখতে হয়, অনুশীলন করতে হয়। কিন্তু অনুন্নত ও উন্নয়নশীল দেশগুলোতে গণতন্ত্রের প্রথম বিপদটা আসে পরিবারতন্ত্র থেকে। দেশ শাসনে পরিবারতন্ত্র ছিল রাজতন্ত্রের চাবিকাটি। শ’ শ; বছরের রাজতন্ত্রের শাসনামল দাঁড়িয়ে ছিল এই পরিবারতন্ত্রের হাত ধরে। এখনকার গণতন্ত্রের মুখোশধারীরা ডুব দিয়ে জল খাওয়ার মত সেই রাজতন্ত্রের ক্ষুদ্র সংস্করণটিকেই আঁকড়ে ধরতে চান। সেটাকে গণতন্ত্রের পোশাক পরিয়ে পরিবারতন্ত্রটিকে কাজে লাগাতে চান।দিনের পর দিন ভিন্নমত, বিরোধীপক্ষকে উপেক্ষা ও দমন করার ফল যখন বিপজ্জনক হয়ে পড়ে তখন তূণের অন্যতম শক্তিশালী অস্ত্র মাফিয়াতন্ত্রের হাতে কিছুটা ক্ষমতা তুলে দেয়া হয়। এই মাফিয়াতন্ত্র কী এবং কেমন জিনিশ অনুন্নত ও উন্নয়নশীল দেশগুলো মানুষ হাড়ে হাড়ে টের পায়। কিন্তু এই মানুষই যে শেষ কথা বলে তার উদাহরণ যেমন প্রচুর এবং বলা বাহুল্য তার ইতিহাসসিদ্ধ সত্য। একদিন যে শাসক জনগণের নয়নের মণি ছিলেন তিনিই রাতারাতি হয়ে পড়ে চোখের বালি। শুরু হয় পতন।

চোখের সামনে কি এমন পতনের উদাহরন আছে?
@রাজা সরকার।
'যা মনে আসে'

সর্বশেষ এডিট : ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০২৫ রাত ১১:১৭
২টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

স্বর্গময়

লিখেছেন আলমগীর সরকার লিটন, ১৫ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১১:৫৩


ওরা জান্নাত দেখে না
পুড়তে পুড়েই তো ছাই-
কতখানি জান্নাত দেখো
ঘরের ভিতর আছি কি?
নাকি মাটিতে থাক ঘুম;
যতক্ষুণ আছো নিঃশ্বাস
ততক্ষুণ জান্নাত দেখো
পরিবারে কিংবা চারপাশ!
পরকাল কে দেখে শান্তিময়
এখানে রচনা করো স্বর্গময়;

১৫-৬-২৬ ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে ‘র’-এর কৌশল, প্রভাব ও গুপ্তচরবৃত্তির প্রকৃতি , পর্ব ০১

লিখেছেন মেহেদী আনোয়ার, ১৫ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৩:৫৭

'র'-এর গুপ্তচরবৃত্তির প্রকৃতি সম্পর্কে আলোচনা করার পূর্বে স্বাধীনতা যুদ্ধকালীন ও তৎপরবর্তী পরিচালিত কয়েক ধরনের স্ট্র্যাটেজি ও বাংলাদেশ বিরোধী তৎপরতার বিবরণ দেয়া প্রয়োজন । ১৯৬৮ সালে 'র' গঠিত হয়েছিল মূলত বৈদেশিক... ...বাকিটুকু পড়ুন

জীবনের গল্প- ১০১

লিখেছেন রাজীব নুর, ১৫ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:৫০



১। একজন মা (কোহিনূর) সারারাত ঘরের দরজা খুলে বসে থাকেন।
কারণ কেউ একজন এসে তাকে বস্তা ভরতি টাকা দিয়ে যাবে। গতকাল রাতের কথা। আমার বাসায় ফিরতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

১৬ জুনের বিশ্বকাপ কড়চা

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১৬ ই জুন, ২০২৬ রাত ৩:২৩

দারুণ একটা ম্যাচ হয়ে গেলো একটু আগে। মিসর দারুণ খেলেছে আজ। সালাহ নেমে যাওয়ার পরে তাদের খেলার ধার বেশ বেড়ে গিয়েছিলো বলে মনে হলো! কিন্তু, বেলজিয়ামের ফরোয়ার্ডদের পাসিং আর ড্রিবলিং... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমন্ত্রন পত্র থাকলে ভিসার দরকার কী! আপনি জানেন আমি কে?

লিখেছেন মাথা পাগলা, ১৬ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৯:০০



ভারত বাংলাদেশের কোনো একজন গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ব্যক্তিকে আমন্ত্রণ জানাতে চাইলে সেই আমন্ত্রণপত্র ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বাংলাদেশ হাইকমিশনে পাঠাবে। সেখান থেকে আমন্ত্রণপত্র যাবে সেই রাজনৈতিক ব্যক্তির ডিপার্টমেন্টে, তারপর তার কাছে। এরপর... ...বাকিটুকু পড়ুন

×