যখন সাইপ্রাস নিয়ে এই সাইটে আমার লেখা প্রতিবেদন টি বিভিন্ন পএিকায় আসার কথা ঠিক তখনই চোখে পড়লো বিভ্রান্তিকর সংবাদ। তা যায়যায়দিনে।
সম্প্রতি যায়যায়দিনে একটা লেখা পড়লাম সাইপ্রাস নিয়ে। যেখানে একটু চেপে গিয়েছিলাম কিছু অসাধু বাঙালীর আচরন নিয়ে, যাদের বাঙালীর খাতা থেকে নামটা বাদ দিয়ে দেয়া উচিত। কারন আমার বাংলা নিয়ে আমি গর্ব করি। বাংলার বুকে এমন কালিমা মানায়না। আজ তা লিখতে হচ্ছে , কষ্ট হয় এমন কিছু লিখতে যেখানে আমার এই সোনার বাংলার মান সম্পৃক্ত। এমন কিছু বাঙালী, যারা সাইপ্রাসে অবসহান করছে। তাদের প্ররোচনাও কম নয়। তারা নিজেরাতো ওখানে গিয়ে বিপাকে অন্যদিকে তারা প্রলোভন দেখিয়ে ছাএদেরকে সাইপ্রাস যাওয়ার ব্যাপারে উৎসাহিত করছে। এতে করে তারা সাময়িক লাভবান হচ্ছে। একজন ছাএ তারা কলেজকে দিতে পারলে বিনিময়ে তারা পাচ্ছে কিছু টাকা। এমনকি এ ধরনের কিছু দালাল রা বাংলাদেশ থেকে যাওয়া নতুন ছাএদের সর্বস্বও কেড়ে নিচ্ছে। এমন অভিযোগ আমার কাছে বেশ কিছু ছাএ করলেন। তার মধ্যে অ্যামেরিকানোস কলেজে পড়তে যাওয়া একজন ছাএ নয়ন বললেন তার কাছ থেকে বেশ কিছু টাকা হাতিয়ে নিয়েছে নারায়নগঞ্জের রিয়াদ। সে (রিয়াদ) প্রলোভন দেখিয়ে আরও কিছু ছাএ নিয়েছে বাংলাদেশ থেকে এবং পায়তারাও করছে আরও ছাএ নেয়ার। এমন অভিযোগ মাসুম , আজাদ, তৌহিদ , সাইফুল, ইপেল এবং আরও অনেকের।
যায়যায়দিনের ঐ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে সাইপ্রাসে পড়ালেখার পাশাপাশি কাজ করা যায়। আমার প্রশ্নওখানেই যে, যে দেশে ইমিগ্রেশন অথোরিটিজ ছাএ-ছাএীদের কাজ করার অনুমতি দেয়না এবং কাজ করার ব্যাপারটা প্রমানিত হলে জেলের ঘানি টানতে হয় সেখানে কাজ করা যায় কি ভাবে...???
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



