সুজনরে খুব মিসাই..
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
Tweet
সুজনরে প্রথমে পাগলা সুজন, এবং ক্রমান্বয়ে ুদন বইল্যা ডাকা শুরু হৈলো ফ্রেন্ড সার্কেলে। অনেক ধরনের কান্ডজ্ঞানছাড়া কীর্তিকলাপ কৈরা বেড়াইতো এই পুলাডা। যেমন, রাস্তায় অপ্রিয় কোনো মুরব্বীর দুইহাত ব্যস্ত থাকার সুবাদে লুঙ্গি ধরে টান..অত:পর দৌড়। (একবার একই দিনে এই লোকের লুঙ্গি ধরে দুইবার টান দিছে)...একবার সে তার এক নির্বোধ সহপাঠিনীর কাছ থিকা ফর্মফিলাপের ট্যাকা নিছে ফি কমাইয়া দেয়ার কথা কৈয়া, কিন্তু নিখোজ হৈছে ট্যাকাসহ!
শেষ দিকে, নেশাপাতির জগতে ঢুইক্যা যাওয়ার পর, একটা সিগারেটের জন্যেও নাকি দিগম্বর হৈত সে! কথা বিশ্বাস না করলেও একদিন হাতে নাতে ফল পেয়ে সবাই থ বনে গেছিলাম এবং বিশ্বাস করি যে একখান চীজ!
নিজের অপ্রিয় মানুষদের সে বিভিন্নভাবে শায়েস্তা করতো, যার একটির কথা শুনে সুজনের ুদন নামাকরনের সার্থকতা টের পাই এবং সযত্নে তার সংসর্গ ত্যাগ করি। কথিত আছে, একবার একজনরে পকেট থিকা বের কৈরা পিয়ারের সহিত সিগারেট খাওয়াইছে সে; সেই সিগারেটের ফিল্টার বিশেষ জায়গায় ঘষা হয়েছিলো! বুঝেন অবস্থা!
সুজনের মধ্যে কোনো রাখঢাক দেখিনাই কখনো। কথা যেটা মনে খচখচাইতেয়াছে, ওইডা বলার জন্যে কোনো স্থান-কাল-পাত্র বিবেচনায় ধরতো না সে। ঢাকায়, পাবলিক বাসে যাইতে যাইতে হয়তো বলতেছে...এই রিণি মাগীর জন্য জীবনডা শেষ হৈয়া গেলো....,কিংবা গুয়ের গন্ধে তো আমার নেশা ধৈরাললো..
বসুন্ধরা মার্কেটে অনেকদিন পর দেখা; কেমন আছিস, কি করছিসের পর তার হাতে ঝালমুড়ির ঠোঙা থেকে খানিকটা নিই এবং মুগ্ধ হওয়ার রেশ টেনে জিজ্ঞেস করি, কোথায় পাইছিস এতো মজার জিনিস?তার সিরিয়াস উত্তর, কাওরান বাজারের নিচ তলায়! পরে ভেঙ্গে বলে, আসলে একটা বিল্ডিংয়ের নিচতলায়! একটু পর, তার বিচক্ষণ প্রশ্ন শুনে বিষম খাই...বনযোভি'র নায়ক নাকি মারা গেছে?
ম্যালাদিন ধরে দেখা নাই ওর সাথে। মিস করি, কে জানে কোথায় কোন পাগলামি করে বেড়াচ্ছে!
২টি মন্তব্য ২টি উত্তর
আলোচিত ব্লগ
তেহরানের ছায়া কি এখন ঢাকা সেনানিবাসে ?

সোমবার সকালে জলসিঁড়িতে একটা অনুষ্ঠান হলো। ফিতা কাটা, ফুলের তোড়া, বক্তৃতা, ক্যামেরার ফ্ল্যাশ, স্বাভাবিক একটা উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যা যা থাকে সবই ছিল। সেনাপ্রধান ওয়াকার উজ জামান নিজে হাজির, পাশে... ...বাকিটুকু পড়ুন
বাতিঘর (Lighthouse)

বাতিঘর (Lighthouse)
বাতিঘর নিয়ে সেই ছোট্টবেলা থেকেই আমার অনেক কৌতুহল ছিল। কেন ঐ বয়সেই বাতিঘর নিয়ে আমার এতটা আগ্রহ ছিল, তার কারণ আজও খুঁজে পাই না। অথচ আমি নিজ... ...বাকিটুকু পড়ুন
"‘৫ই আগস্ট সবার জন্য ভালো হয়েছে’- একটি বক্তব্যের রাজনৈতিক পাঠ"

"‘৫ই আগস্ট সবার জন্য ভালো হয়েছে’- একটি বক্তব্যের রাজনৈতিক পাঠ"
"৫ই আগস্ট সবার জন্য ভালো হয়েছে। শেখ হাসিনার প্রয়োজন ছিল বিশ্রাম। আওয়ামী লীগের দরকার ছিল শুদ্ধিকরণ। অন্যান্য দলগুলোরও... ...বাকিটুকু পড়ুন
যে বিষয়ে মজিবর ও হাসিনা এক বিন্দুও ভুল করেনি!

বাংলাদেশের ইতিহাসে মজিবরের শেষ শাসন কাল ও হাসিনার শেষ শাসন কাল দুটি ভিন্ন সময়ে হলেও গুরুত্বপূর্ণ কাঠামোগত মিল বহন করে। নির্বাচনী বৈধতার নিরিখে ১৯৭৩ সালের নির্বাচনের সংগে ২০১৪, ২০১৮... ...বাকিটুকু পড়ুন
জুলাই যোদ্ধা!

এই লোকটির নাম আল আমিন। সে বিশেষ একটি দলের হয়ে জুলাই মঞ্চে জ্বালাময়ী বক্তব্য দেয় মাঝেমধ্যে। এর সম্পর্কে গুরুতর একটি অভিযোগ উঠেছে, সে নাকি ৫ আগস্ট দিবাগত রাতে ময়মনসিংহের দাপুনিয়া... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।