করিম খুবই অসুস্থ,মৃত্যু পথযাত্রী, তিনি আপনার মুখের দিকে তাকিয়ে আছেন শেষ আশা নিয়ে।
তার চোখে জমে উঠছে পানি,মুখ মলিন।
তার সদ্য বিয়ে করা স্ত্রী চোখে কিছুটা পানি নিয়ে তাকিয়ে আছে আপনার দিকে। হয়তোবা কান্নাও করতে পারছে না চিৎকার করে।
হয়তোবা তাদের স্বপ্ন গুলো সবই তার কাছে ঝাপসা হয়ে আসছে।
তার পরিবার এর সবাই শুধু আপনার মুখের দিকেই তাকিয়ে আছে। কারো মুখে একটা শব্দও নেই।
করিম এর মায়ের মুখটাও খুব মলিন।আপনার মা এর মতই দেখতে অনেকটা।তাই আপনিও মা বলেই ডেকেছেন এই কয়দিন।
কিন্তু এখন এই মা তার ছেলের জন্য আপনার মুখের দিকে তাকিয়ে আছে।
ওদিকে করিম এর ছোট ভাইটা যে কিনা খুব চঞ্চল। এক কথায় দুষ্টুমির সর্দার। কিন্তু সে ও আজ খুব গোমরা মুখ নিয়ে বসে আছে চেয়ারে একদম চুপচাপ।একটি কিটক্যাট ও চায়নি আজ সারাদিনে।
হয়তোবা সেও আপনার কাছে অন্য কিছু চাচ্ছে কিন্তু সেটা গুছিয়ে বলার মতো বয়স হয়ে উঠেনি। কিন্তু আপনি ঠিকই বুঝছেন।
সন্ধ্যা হয়ে গিয়েছে,চা এর কাপে চুমুক দিচ্ছেন।
হঠাৎ আপনার সহকারী হন্তদন্ত হয়ে ছুটে এসে আপনার কেবিনে ঢুকে বলল ''স্যার করিম.........
আপনি ছুটে গেলেন করিম এর কেবিনে,
গিয়ে দেখলেন করিম এর মা ছেলেকে ধরে কাঁদছে,করিম এর স্ত্রী এক কোণে বসে আছে একদম চুপচাপ একটা শব্দও করছে না,শুধু চোখ বেয়ে পানি পরছে।
আর করিম এর ভাইটা দাড়িয়ে আছে করিম এর নিথর দেহটার পাশে,ওর ঠোট দুটো কেমন যেনো কাঁপছে।
হয়তোবা বাচ্চা ছেলেটাও বুঝে গিয়েছে অচিনপুর থেকে কেও ফিরে না...... .........
-
-
-
-
-
কি মনটা খারাপ হয়ে গেলো!!
এটাতো শুধু ডাক্তারদের জীবনের একটি ক্ষুদ্র অংশ ।
হাজারো মানুষের কষ্ট নিজের করে নেন তারা।
আসলেই ডাক্তারদের মন খুব বড় থাকে।
তারা আসলেই মহৎ.....................
সর্বশেষ এডিট : ২৩ শে আগস্ট, ২০১৫ রাত ৯:৪৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



