শহরে অনেক আনাচে কানাচে ছোট
পোলাপান কোন সাহেব(আমি সাহেব/
সাহেব টাইপের কেউ না) দেখলেই
টাকা চেয়ে বসে, যাদের কে আমরা
বলি টোকাই(এরা রফিক নবীর লেখনি
টোকাই না বাস্তব টোকাই)
এরা টাকা চাওয়ার সময় সরাসরি
হাতে/পায়ে ধরে।
তাদের মুখস্ত কিছু বুলিঃ
১/আব্বা বইত থিকা বাইর কইরা দিছে।
২/খিদা নাগছে।
৩/ আম্মা অসুখ তার নিগা খাবার কিনমু,
আব্বা নাই।
৪/ সকাল থিকা কিচ্ছু খাইনাই।
৫/বাড়িত খাবার নাই।
৬/ আম্মা বাত দিবনা কইছে।
৭/ হারা দিন কেউ খাবার দেয়নাই।
ইত্যাদি ইত্যাদি।
আমিও মাঝে মাঝে টাকা দিতাম
কিন্তু ২ মাস আগে এক টোকাই কে
টাকা দেয়ার পড়েই পাশের দোকানি
বল্লো ওকে টাকা দিলেন কেন ওতো
চুরি করে আর নেশা করে।
এত ছোট বাচ্চা নেশা! বিষয় টা আমার
কাছে সন্দেহ ঠ্যাকল। গেলাম
ছেলেটা যে দিকে গেছে ঐ দিকে
কারণ আমারো ঐ দিকেই যেতে হবে
না দোকানির কথার সাথে কোন গড়
মিল নেই অলরেডি কোন দোকন থেকে
বিরি(জ্ঞান কাঠি-জৈনিক ফকিরের
দেয়া নাম) কিনে সিদ্ধী(গাঞ্জা)
লোড দিচ্ছে!।
সাথে আরো কয়েকজন আমার বয়সী
পোলাপান থাকয় সেখানে যাওয়ার
সাহস পাইনি। পড়ে ভাবছি পোলাপান
কে টাকা দেয়ার কৌশল পরিবর্তন
করতে হবে।
আরেক দিন টাংগাইল নতুন বাসস্টপে এ
গাড়ী থেকে নেমে এক কাপ
চাখাচ্ছি তখন এক টোকাই এসে সেইরকম
আকুতি মিনতি(মনে হচ্ছিল আমি
জমিদার জমি না ছাড়লে বেচারি না
খেয়ে মরবে)। আমি আগেথেকে
ভেবে নিয়েছি টাকা আমি দিব না।
পড়ে শেষ মেশ আর ছাড়ল না।
দোকার থেকে রুটি কলা, বিসকিট
কিনলাম, দিব ভাবছি (এর মধ্যে
বিনিময় গাড়ী এসে পড়েছে ধনবাড়ী
চলে আসব তাই একটু তাড়া) না এগুলো
দিলে অন্য দোকানে বেচে দিতে
পাড়ে। তাই কলা চাকু দিয়ে কাটলাম,
কেচি দিয়ে বিসকিটের প্যাকেট
কাটলাম তার পড় টোকাইয়ের হাতে
ধরিয়ে দিলাম। যাহ এবার যাই করস এর
বদলে আর টাকা পাবিনা। জ্ঞান
কাঠি তে সিদ্ধীও লোড দিতে
পাড়বি না। হা হা হা
বিঃ দ্রঃ সব টোকাই এক না। রফিক
নবী ভাই আপ্নার বইয়ের বিরুদ্ধেও কিছু
লিখিনাই। প্রয়োজন হলে টোকাই ফোর
লেটেস্ট ভার্সন 4G গতিতে আপডেট
দিবাম!
সর্বশেষ এডিট : ১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ সকাল ১১:২২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



