somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

জাতীয় সংসদে শক্তিশালী বিরোধী দল নিশ্চিতকরণে কোন দলের দুইশ’র বেশী আসনে অংশগ্রহণ নিষিদ্ধ করতে হবে

০১ লা জানুয়ারি, ২০২৩ রাত ৯:২৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :




কোন দলের জাতীয় সংসদের দুইশ’র বেশী আসনে অংশগ্রহণ নিষিদ্ধ হলে জাতীয় সংসদে বিরোধী দলীয় সংসদ সদস্য কমপক্ষে একশত জন হবে। আর তখন জাতীয় সংসদের অধিবেসন জমজমাট হবে। আর তখন সরকারের কাজের জমজমাট সমালোচনা থেকে সরকার তাদের ভুল সংসোধনের সুযোগ পাবে। আর সব আসনে সব দলের অংশগ্রহণের সুযোগ থাকলে বিরোধীদল মুক্ত জাতীয় সংসদ গঠিত হওয়ারও সুযোগ থাকবে।

বর্তমান অবস্থার প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে অধিকাংশ সময় নামমাত্র বিরোধীদল পাওয়া গেছে। আর নামমাত্র বিরোধীদল বিশিষ্ট জাতীয় সংসদের প্রতি জনগণের আগ্রহ ছিল না। জনপ্রতিনিধি বিশিষ্ট জাতীয় সংসদের প্রতি জনগণের আগ্রহ না থাকেলে বিষয়টা কেমন হয়? যদি কোন রাজনৈতিক দল মনে করে এইবার কোন আসনে তারা অংশগ্রহণ না করায় সেই আসনে তাদের সমর্থকগণ দলীয় সাংসদ পাওয়া থেকে বঞ্চিত হয়েছে তাহলে পরের বার তারা আগেরবার অংশগ্রহণ না করা আসনে অংশগ্রহণ করবে এবং আগেরবার অংশগ্রহণ করা একশত আসনে পরের বার অংশগ্রহণ করা থেকে বিরত থাকবে।

কোন কোন রাজনৈতিক দল সকল আসনের নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে একটি আসনও পায় না। বিষয়টা বিরক্তিকর।নতুন পদ্ধতি চালু হলে এমন বিরক্তিকর দলের একশত প্রার্থীর নির্বাচনে অংশগ্রহণ করা থেকে জাতি রক্ষা পাবে। আর যে দল যে আসনে জামানত হারাবে সে দলের সে আসনে পরেরবার নির্বাচনে অংশগ্রহণ নিষিদ্ধ থাকতে হবে।আর যে স্বতন্ত্র প্রার্থী একবার জামানত হারাবেন তাঁর জন্য বাকী জীবন নির্বাচনে অংশগ্রহণ নিষিদ্ধ করতে হবে। কেউ সখের বসে নির্বাচনে অংশ না নিয়ে সেটাকা জনহিতে ব্যায় করলে মানুষ উপকৃত হবে।

অনেকে আবেগের বসে নির্বাচনে প্রার্থী হয়। তাদের জনপ্রিয়তা না থাকায় তারা হাস্যকর বিবেচিত হয় এবং এতে তাদের পরিবার ক্ষতিগ্রস্থ্য হয়। এমন হাস্যকর কাজ বার বার করার সুযোগ থাকা ঠিক নয়। কারণ মানুষের সহ্যেরও একটা সীমা থাকে। সখের বসে কেউ নির্বাচনে প্রার্থী হয়ে চিৎকার চেঁচামেচি করে অহেতুক জনগণের কান ঝালাপালা করবে, এমনটা হতে দেওয়া ঠিক না। সমাজ ও রাষ্ট্র থেকে একটা একটা করে বেঠিক কাজ অপসারন করতে হবে। তাতে সমাজ ও রাষ্ট্র আরো উন্নত হবে। জাতীয় সংসদের মত এমন একটি সুন্দর স্থানের পরিবেশ আরো সুন্দর করতে বিজ্ঞজনদের চিন্তা-চেতনা আরো চমৎকার করা উচিত।



সর্বশেষ এডিট : ০১ লা জানুয়ারি, ২০২৩ রাত ৯:২৮
৭টি মন্তব্য ৭টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ওয়াশিংটন থেকে বেইজিং: বাংলাদেশের নতুন কূটনৈতিক সমীকরণ

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৬ ই এপ্রিল, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:০৫


মার্চ ২০২৬-এর ক্যালেন্ডার বলছে, বাংলাদেশের কূটনীতি নতুন দিকে মোড় নিয়েছে । একই সময়ে বাংলাদেশের তিনজন হেভিওয়েট ব্যক্তিত্ব আমেরিকার মাটিতে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান নিউ ইয়র্কে ব্যস্ত নিজের ক্যাম্পেইনে। সেনাপ্রধান জেনারেল... ...বাকিটুকু পড়ুন

২০০১ থেকে ২০০৬ / ২০২৬শে এসে আবারও দেশ ফিরে গেলো খাম্বার খপ্পরে ‼️

লিখেছেন ক্লোন রাফা, ০৭ ই এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১:২৪

তারেক জিয়া “ ২০০১ থেকে

২০০৬ পর্যন্ত যা করে গিয়েছিলেন। তিনি ঠিক সেখান থেকেই ২০২৬ শুরু করলেন। অনেকেই তার অনেক ইতিবাচক পরিবর্তনের কথা বলছেন। ছোট ছোট... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলাদেশে AI, গণমাধ্যম, এবং জনস্বার্থের প্রশ্ন

লিখেছেন শরৎ চৌধুরী, ০৭ ই এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ১১:৩২

বাংলাদেশে AI নিয়ে আলোচনা এখন আর শুধু “নতুন প্রযুক্তি” নিয়ে উত্তেজনা বা ভয় নয়। এখন বিষয়টা অনেক বড়। AI ধীরে ধীরে গণমাধ্যম, সরকারি কাজ, জনবিশ্বাস, ভাষা, এবং নীতিনির্ধারণের অংশ হয়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাল্যবিবাহে আমারও আপত্তি নেই, তবে…(একটু প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য)

লিখেছেন বিচার মানি তালগাছ আমার, ০৭ ই এপ্রিল, ২০২৬ দুপুর ১২:৩০



১. প্রথমেই সেসব ফেসবুক যোদ্ধাদের কাছে প্রশ্ন, যারা লুবাবা‘র বাল্যবিবাহ নিয়ে খুব উৎসাহ দিচ্ছেন, তেনারা নিজেদের ১৪/১৫ বছরের কন্যা সন্তানকে বিয়ে দিবেন কিনা। বিয়ে মানে কিন্তু শুধু জীবনসঙ্গীর সাথে এক... ...বাকিটুকু পড়ুন

ট্রেইন্ড সালাউদ্দিন ওরফে শিলং সালাউদ্দিন ওরফে সংবিধান সালাহউদ্দিন

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ০৭ ই এপ্রিল, ২০২৬ দুপুর ১২:৫০


ট্রেইন্ড সালাউদ্দিন ওরফে শিলং সালাউদ্দিন যিনি দীর্ঘসময় ভারতের তত্ত্বাবধানে শিলংয়ে সংবিধানের ওপর পিএইচডি করেছেন ফলে উনি এখন সংবিধান সালাহউদ্দিন যার সুফল এখন আমরা পেতে চলেছি। ইতোমধ্যেই আপনারা লক্ষ্য করেছেন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×