somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

লাঞ্চনা, বঞ্চনা ও হতাশা চেতনাকে অচেতন করে দেয়

০৩ রা জানুয়ারি, ২০২৩ ভোর ৫:০৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :




চেতনার গোডাউন আওয়ামী লীগ অপশক্তির হাত থেকে রেহাই পায় নাই। জাতির পিতা, মাতা, কাকা, ভাত্রা-ভাবী ও তাদের বান্ধব- স্বজনদেরকে অপশক্তি হত্যা করলেও তাদের হত্যার বিচার হয় নাই। কারণ জনগণ অচেতন ছিল।তারা এমনই অচেতন ছিল যে তাদের চেতনা ফিরতে একুশ বছর লেগে ছিল। পাঁচ বছর পর জনগণ আবার অচেতন হয়ে আট বছর থাকে। আবারও জনগণ অচেতন হলে তাদের চেতনা ফিরতে বহু সময় লাগবে বলে ধারণা করা হয়।

জাতির ভগ্নি অপশক্তির দত্তিকে বোতল বন্দী করে রেখেছেন। তারা এখন ফুঁসছে। এতে কোন রকমে বোতলের ছিপি খুলে বেরিয়ে আসলে আর রক্ষা নাই। তখন ভয়ে জাতি চেতনা হারাবে। তখন তারা আর জাতির কাকে হত্যা করবে বলা মুশকিল। কুল কুল কুল। ঠান্ডার কোন বিকল্প নাই। অপশক্তি ঠান্ডা রাখ। বোতলের ছিপি শক্তভাবে সেঁটে রাখ। লাঞ্চনা দূরিভূত কর। বঞ্চনাকে দেশ ছাড়া কর। আশার ফূলঝুরি ছড়িয়ে দাও। আর এভাবে চেতনাকে চাঙ্গা রাখ। যেন তা’ হয় নাঙ্গা তলোয়ারের মত। তাহলেই আওয়ামী লীহের ক্ষমতার ভীত হবে গ্রানাইটের মত শক্ত।

কিন্তু না! আওয়ামী লীগের ক্ষমতার ভীত যেন টলছে। জাতির অন্তর-আত্মা যেন কাঁপছে। অপশক্তি হাসছে। নেপথ্যে তাদের পদধ্বনী শুনা যাচ্ছে। আওয়ামী লীগের কেউ কেউ বলছে তারা আসছে। তারা যেন বলছে, খামুস! জাতিকি একলা আওয়ামী লীগ? কেউ কেউ ভয়ে ভয়ে বলছে, জি জনাব! আমরা শুনছি। তারা মনে হয় সেটাই বলছে। ভুল ভুল ভুল! আমরাই জাতি। আওয়ামী লীগ ভারতের দালাল। এ নবচেতনা জাগ্রত কর। পুরনো চেতনার চোখে তখন ঘুম ঘুম ভাব। তাহলে পুরনো চেতনা ঘুমে অচেতন হয়ে নবচেতনা জেগে উঠবে কি? সেটা সময় বলবে। তার আগে আওয়ামী লীগকে জাতীয় সেবার মান বাড়াতে হবে। জাতীয় সেবা ছেড়ে দলীয় সেবায় ব্যস্ত থাকলে চলবে না। জনসেবার ঠেলায় জনগণ যেন চিৎকার-চেঁচামেচি না করে সেদিকে আওয়ামী লীগের খেয়াল থাকতে হবে।

আয় বাড়াও ব্যয় কমাও, জনগণ বলে। আওয়ামী লীগ পারছে না, নাকি করছে না? জনগণ যদি ভাবে দেখি ওরা পারে কিনা? এরপর জনগণ যদি ওদের সহায়ক হয়। তাহলে কোথায় থাকবে জাতি আর কোথায় থাকবে চেতনা? তখন এসব ডুবুরী নামিয়ে সাগরের তলায় খুঁজতে হবে। এদিকে ওরা ক্ষমতা কেড়ে নিবে। অতীতে ওরা ক্ষমতা কেড়ে নিয়েছিল। সেই তামশা আওয়ামী লীগ একুশ বছর চেয়ে চেয়ে দেখেছে। তখন জাতির জনক হয়েছে স্বাধীনতার স্থপতি। তারা জনগণকে বুঝালো এর আর এমন কি? এখন সে নেই। সুতরাং এখন আর তার ভাবনার দরকার নেই। যখন তারা বল হারালো। আর বল পেল আওয়ামী লীগ। তখন আওয়ামী লীগ তাদেরকে গোল দিল। আর তখন আওয়ামী লীগ বলল, জাতির পিতার ভাবনার দরকার আছে। বেশ এখন জাতির পিতা শোভা পাচ্ছেন সকল স্থানে। এদেখে তারা ফুঁসছে। আবার তারা ক্ষমতা পেলে জাতির পিতার ভাবনা বেদরকারী ভাবনায় পরিণত হবে। এখন তবে আওয়ামী লীগ কি চায়? তারা তাদেরকে থামিয়ে রাখতে হলে জনতার লাঞ্চনা, বঞ্চনা ও হতাশার প্রতিকার করতে হবে। ইউ বিলিভ অর নট, এটাই পরম সত্য। এটা যদি আওয়ামী লীগ বিশ্বাস করে তবে জয় বাংলা ঠিক থাকবে। নতুবা বাংলাদেশ জিন্দাবাদ হবে। এতে আবার কি ক্ষতি? এটা পাকিস্তান জিন্দাবাদের সাথে মিলে। এতে পাকিস্তান পন্থীরা মন্ত্রী হয়। আর আওয়ামী লীগ তা’ অসহায়ভাবে চেয়ে চেয়ে দেখে। সুতরাং আওয়ামী লীগের মঙ্গলের জন্যই তাদেরকে জনসেবার মান আরো উন্নত করতে হবে। আমার ভোট আমি দিব-যাকে খুশী তাকে দেব, জনতার এ ইচ্ছা বাস্তবায়নে আওয়ামী লীগ সাহসী হতে পারবে কি? জনগণ তাদের এ সাহস দেখতে চায়। ছাঁই দিয়ে মাছ ঢেকে আওয়ামী লীগ কতকাল টিকে থাকতে পারবে? সুতরাং বলি বাচা পথে এস। নতুবা বিভ্রান্ত হয়ে ক্ষমতার পথ হারাবে। তারপর তা ছুঁজে পেতে আবার অনেক সময় লাগবে।
সর্বশেষ এডিট : ০৩ রা জানুয়ারি, ২০২৩ ভোর ৫:১২
১২টি মন্তব্য ১১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ওয়াশিংটন থেকে বেইজিং: বাংলাদেশের নতুন কূটনৈতিক সমীকরণ

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৬ ই এপ্রিল, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:০৫


মার্চ ২০২৬-এর ক্যালেন্ডার বলছে, বাংলাদেশের কূটনীতি নতুন দিকে মোড় নিয়েছে । একই সময়ে বাংলাদেশের তিনজন হেভিওয়েট ব্যক্তিত্ব আমেরিকার মাটিতে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান নিউ ইয়র্কে ব্যস্ত নিজের ক্যাম্পেইনে। সেনাপ্রধান জেনারেল... ...বাকিটুকু পড়ুন

২০০১ থেকে ২০০৬ / ২০২৬শে এসে আবারও দেশ ফিরে গেলো খাম্বার খপ্পরে ‼️

লিখেছেন ক্লোন রাফা, ০৭ ই এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১:২৪

তারেক জিয়া “ ২০০১ থেকে

২০০৬ পর্যন্ত যা করে গিয়েছিলেন। তিনি ঠিক সেখান থেকেই ২০২৬ শুরু করলেন। অনেকেই তার অনেক ইতিবাচক পরিবর্তনের কথা বলছেন। ছোট ছোট... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলাদেশে AI, গণমাধ্যম, এবং জনস্বার্থের প্রশ্ন

লিখেছেন শরৎ চৌধুরী, ০৭ ই এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ১১:৩২

বাংলাদেশে AI নিয়ে আলোচনা এখন আর শুধু “নতুন প্রযুক্তি” নিয়ে উত্তেজনা বা ভয় নয়। এখন বিষয়টা অনেক বড়। AI ধীরে ধীরে গণমাধ্যম, সরকারি কাজ, জনবিশ্বাস, ভাষা, এবং নীতিনির্ধারণের অংশ হয়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাল্যবিবাহে আমারও আপত্তি নেই, তবে…(একটু প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য)

লিখেছেন বিচার মানি তালগাছ আমার, ০৭ ই এপ্রিল, ২০২৬ দুপুর ১২:৩০



১. প্রথমেই সেসব ফেসবুক যোদ্ধাদের কাছে প্রশ্ন, যারা লুবাবা‘র বাল্যবিবাহ নিয়ে খুব উৎসাহ দিচ্ছেন, তেনারা নিজেদের ১৪/১৫ বছরের কন্যা সন্তানকে বিয়ে দিবেন কিনা। বিয়ে মানে কিন্তু শুধু জীবনসঙ্গীর সাথে এক... ...বাকিটুকু পড়ুন

ট্রেইন্ড সালাউদ্দিন ওরফে শিলং সালাউদ্দিন ওরফে সংবিধান সালাহউদ্দিন

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ০৭ ই এপ্রিল, ২০২৬ দুপুর ১২:৫০


ট্রেইন্ড সালাউদ্দিন ওরফে শিলং সালাউদ্দিন যিনি দীর্ঘসময় ভারতের তত্ত্বাবধানে শিলংয়ে সংবিধানের ওপর পিএইচডি করেছেন ফলে উনি এখন সংবিধান সালাহউদ্দিন যার সুফল এখন আমরা পেতে চলেছি। ইতোমধ্যেই আপনারা লক্ষ্য করেছেন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×