
শামা ওবায়েদের ফুফাতোবোন সায়মার স্বামী আমাকে বলেছে বিএনপি ক্ষমতায় গেলে আমার চাকুরী থাকবে না। বিএনপি ক্ষমতায় গেলেও আমার চাকুরী যেন না যায় সেজন্য আমি এ্যানি চৌধুরীর কাছের মানুষকে জামাই বানিয়ে বসে আছি। আমি শৈশব স্মৃতিতে বলেছিলাম, সব সময় আমি আমার একটা দল থাকা পছন্দ করি যেন বিপদে-আপদে নিরাপদ থাকার চেষ্টা করা যায়। কারণ কোন ক্ষেত্রে অসহায় আত্মসমর্পণ সঠিক নয়।
ছিয়ানব্বইতে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় যাওয়ার পর জেঠাকে বলেছিলাম, জেঠা দেশতো ভালো চলছে। জেঠা বললেন, আমার জীবনটাই যদি না থাকে তবে দেশের ভালো দিয়ে কি হবে।সে সমসয় ঈমানদার আওয়ামী লীগের উৎপাতে সাধারণ লোকের জীবন ভাজা-ভাজা ছিলো।একজনের নিকট থেকে শুনলাম ভোলার ঈমানদার বিএনপিগণ বলছে ক্ষমতায় গেলে তারা আওয়ামী লীগদেরকে ভেজে দিবে। কে যেন একজন বলেছিলো, ভাত দে হারামজাদা, না হয় মানচিত্র চাবায়ে খাব।সুতরাং সুষ্ঠ রাজনৈতিক পরিবেশ দরকার। যাতে ভাজা-ভাজির চেতনা থাকবে না। ভাজতে হয় বাপু করল্লা ভাজ। মানুষ ধরে ভাজতে হবে কেন?
সাপোট না করলে বলে, সাপোট করিস না কেন? সাপোট করলে বলে তোর সাপোট দিয়ে কি হবে? তুই তো কাউয়া। তুই তো আওয়ামী লীগের ঝুটা খেতে এসেছিস। যা ভাগ। আমরা একাই মারিয়াছি, একাই কাটিয়াছি, আমরা একাই খাব। তোদের কোন ভাগ নাই। দেশ স্বাধীন করেছি আমরা। সুতরাং আমরাই স্বাধীণতার সুফল ভোগ করব। তোরা কিছু পাবি না। বঞ্চিতরা তখন বলে তোরা মানুষ না, তোরা আওয়ামী লীগ। তাদের একজন আমাকে ঝালকাঠিতে বলল, স্যার আপনি কি কাউয়া কাদেরের এলাকার লোক?
এদেশে দু’বেলা দু’মুঠো খেয়ে বেঁচে থাকতে হলে নানা সমীকরণ মিলিয়ে বেঁচে থাকতে হয়। সোনাগাজী দেশে থাকে না বলে অনেক পাকা পাকা কথা বলে। যে এলাকায় আওয়ামী লীগ বিএনপি সেয়ানে লড়াই সেখানে জান নিয়ে বাঁচতে হলে আপনাকে সাবধানে চলতে হবেই। আমাদের এলাকায় নৌকার বিদ্রোহী চেয়ারম্যান হওয়ার পর চেয়ারম্যান সাহেবের ডান হাত বাঁহাত বলে খ্যাত দু’জন এখন আর পৃথিবীতে নাই। সেই দায়ে এখন অন্য পক্ষ দৌড়ের উপর আছে। লোকেরা আমাদেরকে ইতিহাসের কথা শুনায়, চেতনার কথা শুনায়। আর বাস্তবতার মুখোমুখী হয়ে আমরা চেতনা হারাই।এগজবের রাজনীতি এদেশ থেকে কবে দূর হবে আল্লাহ মালুম। আল্লাহ তাদেরকে হেদায়াত দান করুন-আমিন।
সর্বশেষ এডিট : ২৪ শে জুলাই, ২০২৩ সন্ধ্যা ৬:৩৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


