somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

আম জনতাকে রাজাকার বলা ঠিক না

১৬ ই জুলাই, ২০২৪ সকাল ৯:৫৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



আমি কে? -রাজাকার। তুমি কে? -রাজাকার। কে বলেছে? -সরকার। এমন কথা সরকার বলে থাকলে সরকার ঠিক বলেনি। আম জনতা সরকারকে খাজনা দিয়ে কোটা ভিত্তিক অযোগ্য লোকের সেবা গ্রহণ করবে কেন?

আমি থানায় সেবা নিতে গিয়ে বুঝলাম। তাদের মনভাব হলো, আসব যাব খাব। আসবেন যাবেন খাওয়াবেন। সেবার বেলায় কি হবে? ওটার তো ওদের যোগ্যতাই নাই সেটা করবে কেমন করে? পুলিশ বিড় বিড় করে আমাকে কি বললো কিছুই বুঝলাম না। বাসায় আসার পর গিন্নি বললেন, পুলিশ কি বলেছে? আমি বললাম, কিছু একটা তো বলেছে, কিন্তু আমি বুঝিনি। তবে সংক্ষেপে এটা বুঝেছি যে, ওখান থেকে এ বিষয়ে কোন সেবা পাওয়া যাবে না। এগার বছর মামলা চলার পর জজ যে রায় দিলো, সেটাও আমাদের বোধগম্য হয়নি। হাসপাতালে সেবার জন্য গেলে ডাক্তার বলে চেম্বারে আইসেন। চেম্বারে বিবিধ টেস্টের গন্ডি পার হওয়ার পর দেখা যায় ঔষধ কেনার টাকা নাই।

আমরা কর দিতে দিতে ক্লান্ত। অথচ সেবার মান অতি নিম্নমানের। সেদিকে সরকারের দৃষ্টি আকর্শন করলে সরকার রাজাকার বলে গালি দিবে। এটা কিছুতেই ভালো কথা হতে পারে না। সরকার মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ে ভাতা দেয়। রেশন দিতে পারে। তাদেরকে সরকার সবুজ কাড দিতে পারে। যা দিয়ে তারা সরকারি পরিবহনে বিনা ভাড়ায় যাতায়ত করতে পারে। বিনা টাকায় তারা চিকিৎসা সেবা নিতে পারে। কিন্তু তাদেরকে সেবা করার দায়িত্ব দিলে তো তাদের সেবা করার যোগ্যতা থাকা দরকার। আর সেবাতে যদি যোগ্যতাই লাগে তবে তাতে আর কোটা থাকে কেমন করে? তথাপি সরকার এতে কোটা কেন চায়? এ প্রশ্নের উত্তর চেপে যাওয়াই ভালো। সরকার মুক্তিযোদ্ধা ক্ষেত্রে বিনাসুদে ঋণদান করে তাদেরকে আত্মকর্মসংস্থানে নিয়োযিত করতে পারে। যাতে করে তারা নিজেরাই চাকুরী প্রদান করতে পারে।

জনগণ খাজনা দেয়। বিনিময়ে তারা সেবা চায়। সরকার যদি বলে তারা রাজাকার, তাদের সেবা করা যাবে না। তাহলে রাষ্ট্র চালাতে সরকার রাজাকারের খাজনা কেন নেয়? খাজনা যখন নেয় তখন সরকারকে সেবার বিষয়েও নিশ্চয়তা দিতে হবে। আর সেটা হবে যোগ্য লোকের যোগ্য সেবা। সুতরাং কোটা তুলে দেওয়ার বিষয় সংগত। সরকার মুক্তিযোদ্ধাদেরকে অন্যভাবে কৃতজ্ঞতা জানাতে পারে। তার জন্য বহু পথ খোলা আছে। সরকার তাদেরকে চাকুরীর বদলে মনিবি প্রদান করুক। তারা উদ্দৌক্তা হয়ে জাতীয় উন্নয়নে ভূমিকা রাখুক।
সর্বশেষ এডিট : ১৬ ই জুলাই, ২০২৪ সকাল ৯:৫৯
১৫টি মন্তব্য ১৪টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

কোন সুস্পষ্ট প্রমাণের সাথে মতভেদ মহাশাস্তির (জাহান্নাম) কারণ?

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ১০ ই জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ৭:৩৫



সূরাঃ ৩ আলে-ইমরান, ১০৫ নং আয়াতের অনুবাদ-
১০৫। তোমরা তাদের মত হবে না যারা তাদের নিকট সুস্পষ্ট প্রমাণ আসার পর বিচ্ছিন্ন হয়েছে ও নিজেদের মাঝে মতভেদ সৃষ্টি করেছে। তাদের... ...বাকিটুকু পড়ুন

কবিতাঃ শীতার্ত একটি শিশু ও দুটি কুকুর

লিখেছেন ইসিয়াক, ১০ ই জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১১:৩২


রাত বাড়ে যত তাপমাত্রা নামে তত,
পা ফাটে, ঠোঁট ফাটে গভীর হয় ক্ষত।

একটা শিশু কাঁপছে শীতে ছাতিম গাছটার নীচে।
দুটো কুকুর গা ঘেঁষাঘেসি করে তাকে ছুঁয়ে আছে।

শীতার্ত সবাই তারা,সমান... ...বাকিটুকু পড়ুন

কাবার কালো পাথর ছিনতাই

লিখেছেন কিরকুট, ১০ ই জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১:৩৮

ধর্মীয় ইতিহাস নিয়ে কথা বললেই অনেকের মধ্যে এক ধরনের অস্বস্তি কাজ করে। কারণ আমরা প্রায়ই ধর্মকে দেখতে চাই প্রশ্নের ঊর্ধ্বে, ইতিহাসের ঊর্ধ্বে। কিন্তু বাস্তবতা হলো ধর্মের ইতিহাসও মানুষই তৈরি করেছে,... ...বাকিটুকু পড়ুন

শেখ মুজিব হল → ওসমান হাদি হল: নতুন বাংলাদেশের শুরু ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১১ ই জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ১২:২৩


ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শেখ মুজিবুর রহমান হল ও বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলের নাম পরিবর্তনের প্রস্তাব নিয়ে দেশের শিক্ষাঙ্গনে তীব্র বিতর্ক শুরু হয়েছে। একদিকে ডাকসু নেতারা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট নাম... ...বাকিটুকু পড়ুন

জন্মের শুভেচ্ছা হে রিদ্ধী প্রিয়া

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ১১ ই জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১০:০১



জন্মের শুভেচ্ছা নিও হাজার ফুলের
শৌরভে হে রিদ্ধী প্রিয়া, তোমার সময়
কাটুক আনন্দে চির।স্মৃতির সঞ্চয়
তোমার নিখাঁদ থাক সারাটা জীবন।
শোভাতে বিমুগ্ধ আমি তোমার চুলের
যখন ওগুলো দোলে চিত্তাকর্ষ হয়
তখন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×