
সরকার প্রধান যখন বললেন মুক্তিযোদ্ধার নাতি-পুতি চাকুরী পাবে না তো কি রাজাকারের নাতি-পুতিরা চাকুরী পাবে? তখনই সবাই বুঝেফেলেছে মুক্তিযোদ্ধা ছাড়া অবশিষ্ট জনগণ আসলে রাজাকার। তারপর শ্রোগান হলো আমি কে রাজাকার, তুমি কে রাজাকার, কে বলেছে সরকার।বাচ্চারা শেষাংশ বাদ দিয়ে, আমি কে রাজাকার, তুমি কে রাজাকার, গলাচড়িয়ে এটুকুই বলে যাচ্ছে। তো মুত্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তি পনের বছর ক্ষমতায় থাকার পর তাহলে আমরা কি একটা রাজাকার জাতি উপহার পেলাম?
জামায়াত-শিবির নিষিদ্ধ হলো। তারপর শিবির হলো সাধারণ ছাত্র এবং জামায়াত হলো মুছল্লী। অত:পর জামায়াত-শিবির মারার পর দেখা যাচ্ছে ও গুলো আসলে সাধারণ মানুষের লাশ। তারা বলছে লাশের দেহে জীবন দে, নইলে গদি ছেড়ে দে। ঘটনাচক্রে মনে হচ্ছে সরকার পতনের আন্দোলন শুরু হয়েছে। এদিকে লাশের সংখ্যাও বাড়ছে। তবে আন্দোলনকারীরা পিছু হটছে না। নব্বইয়ের আন্দোলনে আমরা ছিলাম, এখন বাচ্চারা আছে। এদিকে ব্লগেও সরকার পক্ষের লোক সংখ্যা কম বলে মনে হচ্ছে।অনেক মেরে কেটেও উত্তেজিত জনতাকে পিছু হটানো না গেলে হয়ত সরকারকেই পিছু হটতে হবে। তারপর অন্য সরকার আসলে জামায়াত-শিবির নিষিদ্ধ থাকবে কি? আপাতত সরকার তাদেরকে আন্দোলনে নিবিদিত প্রাণ করে দিলো। সরকার বিরোধী যে পতাকাই দেখবে সে পতাকার পিছনেই তারা সমবেত হবে। মূলত এটাই এখন তাদের মূল কাজ।আর সরকার জামায়াত-শিবির লেবেল এঁটে সাধারণ জনতা মারলে সরকারের জন্য এর পরিণাম ভালো হবে না।জনগণ সব রাস্তায় নেমে গেলে সরকারের না পালিয়ে উপায় থাকবে কি? এ বয়সে আমাদে দেহ সেই ত্যাজ নেই। সেজন্য এখন আমরা দেখছি। সরকারকে আপতত জ্ঞান দেওয়ার কিছু নাই। কারণ সরকার সে স্টেজ অতিক্রম করেছে। এখন খেলা হবে। সেই খেলায় যে পক্ষ জিতবে সেপক্ষকে স্বাগত জানাতে অন্যরা মুখিয়ে আছে। সরকারী চুকুরী জীবিরাতো যারা সরকারে থাকবে বা যারা সরকার হবে তাদের গান গাইবে।
সর্বশেষ এডিট : ০২ রা আগস্ট, ২০২৪ রাত ১১:০৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




