
আল্লাহ প্রথম, এক-অদ্বিতীয়, সর্ব শক্তিমাণ, সবচেয়ে বড়, নিরাকার ও একমাত্র উপাস্য সহ আরো অনেক বিশ্বাস হলো সুন্নী বিশ্বাস।সকল অমুসলিম এবং কিছু মুসলিমের এসকল বিশ্বাসের সব গুলোতে বিশ্বাস নাই। আল্লাহর সুন্নী বিশ্বাসের লজিকটা ঠিক কি?
প্রথম হওয়ার কারণে আল্লাহর পূর্বে শূন্য। শূন্যের পর প্রথম কি হবে? বা কে হবেন? শূন্যে কিছু না থাকায় শূন্যে এমনি এমনি হওয়া বিধিবদ্ধ।সীমা দাতা না থাকায় শূন্যে যা হবে তা’ অসীম হবে। তাতে সব কিছুই অসীম হয়ে নিরাকার হবে। কারণ সকল আকার সসীম। সকল অসীমের কোন অসীম, কোন অসীম থেকে আলাদা হবে না। কারণ এক অসীম থেকে অন্য অসীম আলাদা করতে সীমা দেওয়া লাগে এবং সীমা দিলে অসীম আর অসীম থাকে না, বরং সসীম হয়ে যায়।সেজন্য সকল অসীম মিলে এক-অদ্বিতীয় নিরাকার অসীম আল্লাহ।
শূন্যে আল্লাহ কিভাবে হলেন? শূন্যকে পূর্ণ করার প্রতিযোগীতায় শক্তি এগিয়ে।কারণ এর গতি বেশী। আল্লাহ বিশ্বাসের একটি হলো তিনি আলো, তিনি বাতাস নন। আলো শক্তি, বাতাস পদার্থ। বাতাস থেকে আলোর গতি বেশী। এভাবে সকল শক্তির গতি সকল পদার্থের থেকে বেশী।সেজন্য সকল পদার্থের আগে সকল শক্তি শূন্যের দখল নিয়ে সকল শক্তি অসীম হয়ে একজন অসীম সর্ব শক্তিমাণ আল্লাহ হলেন। তাঁর এমনি এমনি হওয়া যেমন বিধিবদ্ধ, তেমনি আর সব কিছুর এমনি এমনি না হওয়া বিধিবদ্ধ।কারণ সীমা না দিলে কোন সসীম হয় না।সেজন্য সকল সসীমকে সীমা দিয়ে সৃষ্টি করলেন আল্লাহ। তো সৃষ্টি করবেন আল্লাহ উপাসনা পাবে কি অন্য কেউ? সেজন্য আল্লাহ একমাত্র উপাস্য। আল্লাহ ছাড়া কোন উপাস্য নাই।
মুসলিমদের এক দলের বিশ্বাস আল্লাহর আকার আছে। তারা বলে আকার ছাড়া আল্লাহ দেখা দিবেন কিভাবে? বিজ্ঞান বলছে নিরাকারকে আকার দেওয়া সম্ভব। যেমন আলোকে আকার দেওয়া যায়। আর আল্লাহকে আলো বলা হয়েছে। আলোর উপর আলো ঘনীভূত হয়ে আল্লাহর আকার হয়ে তিনি দেখা দিবেন, তারপর সেই আলো ছড়িয়ে দিয়ে তিনি বিলিন হবেন। সুতরাং দেখা দেওয়ার জন্য আল্লাহর আকার থাকা জরুরী নয়, বরং তাঁর আকার ধারণ করা জরুরী। আল্লাহর আরশে সমাসিন হওয়া মানে আরশের দায়িত্ব গ্রহণ। যেমন যারা গদিতে বসে তারা গদিতে বসেই থাকে না, তারা এদিক সেদিকও যায়। তবে তারা যেদিকেই যাক না কেন গদির দায়িত্ব তাদেরই থাকে। তারা গদির দায়িত্বে থেকে সব কিছু নিয়ন্ত্রণ করেন। আল্লাহ আরশের দায়িত্বে থেকে সব কিছু নিয়ন্ত্রণ করেন। গদি বলতে ক্ষমতার কেন্দ্র বুঝায়। আরশ হলো আল্লাহর ক্ষমতার কেন্দ্র। আরশ অসীম নয়, কিন্তু আল্লাহ অসীম। সেজন্য আরশ সর্বত্র বিরাজমাণ না হলেও আল্লাহ সর্বত্র বিরাজমাণ। আল্লাহ আরশ সহ সর্বত্র বিরাজমাণ। সুন্নী বিরোধীরা আল্লাহ সর্বত্র বিরাজমাণ থাকার বিষয়টি বিশ্বান করে না। তারা বলে আল্লাহ শুধুমাত্র আরশে বিদ্যমাণ থেকে সব কিছু নিয়ন্ত্রণ করেন। সুন্নী বিশ্বাস হলো সুন্নী বিরোধী কাফের। মুসলিম-অমুসলিম সকল সুন্নী বিরোধী কাফের। সুন্নী বিশ্বাসের লজিক সুন্নী হিসাবে আমি বললাম। তাদের বিরোধী সকল অমুসলিম ও মুসলিমের সুন্নী বিশ্বাসের বিরোধীতার লজিক কি? সেটা তারাই ভালো বলতে পারবে। শেষ বিচারে তারা তাদের লজিক বলতে না পারলে এর জন্য আল্লাহ তাদেরকে মহাশাস্তি দিবেন। আর সেই শাস্তি হলো চিরস্থায়ী জাহান্নাম।
সর্বশেষ এডিট : ১১ ই জুন, ২০২৫ সকাল ৯:২৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




