
সূরা: ৯ তাওবা, ১২২ নং আয়াতের অনুবাদ-
১২২। আর মু’মিনদের এটাও উচিৎ নয় যে (জিহাদের জন্য) সবাই একত্রে বের হয়ে পড়বে। সুতরাং এমন কেন করা হয় না যে, তাদের প্রত্যেক বড় দল হতে এক একটি ছোট দল (জিহাদে) বের হয় যাতে অবশিষ্ট লোক ফিকাহ (দীনের গভীর জ্ঞান) অর্জন করতে থাকে। আর যাতে তারা নিজ কওমকে ভয় প্রদর্শন করে, যাতে তারা সাবধান হয়।
সূরাঃ ৪ নিসা, আয়াত নং ১১৫ এর অনুবাদ-
১১৫। কারো নিকট সৎপথ প্রকাশ হওয়ার পর সে যদি রাসুলের বিরুদ্ধাচরণ করে এবং মু’মিনদের পথ ব্যতিত অন্যপথ অনুসরন করে, তবে সে যে দিকে ফিরে যায় সে দিকেই তাকে ফিরিয়ে দেব এবং জাহান্নামে তাকে দগ্ধ করব, আর উহা কত মন্দ আবাস।
সূরাঃ ৩ আলে-ইমরান, ১০৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
১০৩। তোমরা একত্রে আল্লাহর রজ্জু দৃঢ়ভাবে ধর! আর বিচ্ছিন্ন হবে না। তোমাদের প্রতি আল্লাহর অনুগ্রহ স্মরণ কর।যখন তোমরা শত্রু ছিলে তখন তিনি তোমাদের অন্তরে প্রীতি সঞ্চার করেছেন, ফলে তাঁর দয়ায় তোমরা পরস্পর ভাই হয়ে গেলে।তোমরাতো অগ্নি কুন্ডের প্রান্তে ছিলে, আল্লাহ উহা হতে তোমাদেরকে রক্ষা করেছেন। এভাবে আল্লাহ তোমাদের জন্য তাঁর নিদর্শনসমূহ স্পষ্টভাবে বিবৃতকরেন যাতে তোমরা সৎপথ পেতে পার।
* সুতরাং অভিন্ন ফিকাহ শিক্ষায় জোটবদ্ধ হওয়া ইসলামের জরুরী কাজ।
সূরাঃ ৮ আনফাল, ৬০ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬০। তোমরা তাদের মোকাবেলার জন্য যথাসাধ্য শক্তি ও অশ্ব-বাহিনী প্রস্তত রাখবে। এর দ্বারা তোমরা সন্ত্রস্ত রাখবে আল্লাহর শত্রুকে, তোমাদের শত্রুকে, এছাড়া অন্যদেরকে যাদের সম্পর্কে তোমরা জাননা, আল্লাহ জানেন।আল্লাহর পথে তোমরা যা ব্যয় করবে এর পূর্ণ প্রতিদান তোমাদেরকে দেওয়া হবে এবং তোমাদের প্রতি জুলুম করা হবে না।
সূরাঃ ৮ আনফাল, ৬৫ ও ৬৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬৫। হে নবি! মু’মিন দিগকে যুদ্ধের জন্য উদ্বুদ্ধ কর। তোমাদের মধ্যে কুড়িজন ধৈর্যশীল থাকলে তারা দুইশতজনের উপর বিজয়ী হবে।তোমাদের মধ্যে একশত জন থাকলে এক হাজার কাফিরের উপর জয়ী হবে।কারণ তারা বোধশক্তিহীন সম্প্রদায়।
৬৬। আল্লাহ এখন তোমাদের ভার লাঘব করলেন।তিনিতো অবগত আছেন যে তোমাদের মধ্যে দূর্বলতা আছে।সুতরাং তোমাদের মধ্যে একশত জন ধৈর্যশীল থাকলে তারা দুইশতজন উপর বিজয়ী হবে।তোমাদের মধ্যে এক হাজার থাকলে আল্লাহর অনুমতিক্রমে তারা দুই হাজারের উপর বিজয়ী হবে।আল্লাহ ধৈর্যশীলদের সাথে রয়েছেন।
* অভিন্ন ফিকাহ শিক্ষায় জোটবদ্ধ হওয়া একতৃতীয়াংশ বাহিনী ও ভোটার যদি ইসলাম কায়েমে জয় ছিনিয়ে না এনে ঘরে না ফিরার মনভাব সম্পন্ন হয় তবে তারা ইসলাম কায়েম করতে এবং ইসলাম কায়েম রাখতে সক্ষম হবে। এবারের নির্বাচনে যারা ইসলামের পক্ষে কাজ করেছে তাদের এক আসনে পরাজয়ের কারণ জিজ্ঞাস করলে তাদের একজন বলল তাদের পোলিং এজেন্টের যথেষ্ট ঘাটতি ছিল।
সূরাঃ ৩ আলে-ইমরান, ১০৫ নং আয়াতের অনুবাদ-
১০৫। তোমরা তাদের মত হবে না যারা তাদের নিকট সুস্পষ্ট প্রমাণ আসার পর বিচ্ছিন্ন হয়েছে ও নিজেদের মাঝে মতভেদ সৃষ্টি করেছে। তাদের জন্য মহাশাস্তি রয়েছে।
সূরাঃ ২ বাকারা, ২৫৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৫৩। ঐসব রাসূলদের আমরা তাদের কোন জনের উপর কোন জনকে শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছি। তাদের মধ্যে কোন জনের সঙ্গে আল্লাহ কথা বলেছেন।আর কোন জনকে উচ্চ মর্যাদায় উন্নীত করেছেন। আর আমরা মরিয়ম পুত্র ঈসাকে প্রকাশ্য মুজেযা দান করেছি। আর তাকে পবিত্র আত্মা দ্বারা সাহায্য করেছি।আর আল্লাহ ইচ্ছা করলে নবিগণের পরবর্তী লোকেরা পরস্পরের সঙ্গে যুদ্ধ-বিগ্রহে লিপ্ত হতো না। কিন্তু তারা পরস্পর ইখতিলাফ (মতভেদ) করেছিল।তাতে তাদের কিছু লোক মুমিন এবং কিছু লোক কাফের হয়ে গেল। আল্লাহ ইচ্ছা করলে তারা পরস্পর যুদ্ধ-বিগ্রহে লিপ্ত হতো না। কিন্তু আল্লাহ যা ইচ্ছা তাই করে থাকেন।
সূরাঃ ৪৮ ফাতহ, ২৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৯। মোহাম্মাদ আল্লাহর রাসুল; তাঁর সহচরগণ কাফিরদের প্রতি কঠোর এবং নিজেদের মধ্যে পরস্পরের প্রতি সহানুভূতিশীল; আল্লাহর অনুগ্রহ ও সন্তুষ্টি কামনায় তুমি তাদেরকে রুকু ও সিজদায় অবনত দেখবে।তাদের লক্ষণ তাদের মুখমন্ডলে সিজদার প্রভাব পরিস্ফুট থাকবে: তওরাতে তাদের বর্ণনা এরূপ এবং ইঞ্জিলেও তাদের বর্ণনা এরূপই। তাদের দৃষ্টান্ত একটি চারা গাছ, যা থেকে নির্গত হয় নতুন পাতা, অতঃপর ইহা শক্ত ও পুষ্ট হয় এবং পরে কান্ডের উপর দাঁড়ায় দৃঢ়ভাবে যা চাষীদের জন্য আনন্দ দায়ক। এভাবে মুমিনদের সমৃদ্ধি দ্বারা আল্লাহ কাফিরদের অন্তর্জালা সৃষ্টি করেন। যারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে আল্লাহ তাদেরকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন ক্ষমা ও মহাপুরস্কারের।
সূরাঃ ৩৫ ফাতির, ১ নং আয়াতের অনুবাদ-
১।প্রশংসা আকাশমন্ডলী ও পৃথিবীর সৃষ্টিকর্তা আল্লাহর, যিনি বার্তাবাহক করেন মালাইকাকে (ফেরেশতা) যারা দুই-দুই, তিন-তিন অথবা চার-চার পাখা বিশিষ্ট। তিনি তাঁর সৃষ্টিতে যা ইচ্ছা সৃষ্টি করেন। আল্লাহ সর্ব বিষয়ে সর্ব শক্তিমান।
* মতভেদের কারণে সাহাবায়ে কেরাম (রা.) জোটবদ্ধ থাকতে পারেননি। তাঁরা পরস্পরের সঙ্গে যুদ্ধ-বিগ্রহে লিপ্ত হয়ে হাজারে হাজারে নিহত হয়েছেন।তাতে যারা সাহাবা (রা.) তাঁরা তো ক্ষমা পেলেন, কিন্তু যারা সাবাহা ছিল না তারা কাফের হয়ে গেল। পরে এ কাফের সংখ্যা বাড়তে থাকায় কারবালায় হযরত ইমাম হোসেন (রা.) তাঁর প্রতিপক্ষে কোন মুমিন খুঁজে পাননি। তারা তাঁর মাথা কেটে ইয়াজিদকে উপহার দেয়।অভিন্ন ফিকাহ শিক্ষা প্রসারের মাধ্যমে হযরত ইমাম হোসেন (রা.) একতৃতীয়াংশ নাগরিক ও যোদ্ধাকে তাঁর পক্ষে জোটবদ্ধ রাখেননি। আল্লাহর এ ইচ্ছার বাস্তবায়ন হলে তিনি হযরত ইমাম হোসেনের (রা.) পক্ষে পাঁচ হাজার ফেরেশতা পাঠিয়ে দিলে প্রতিপক্ষ তাঁর মাথা কাটতে সক্ষম না হয়ে তাঁর সাথে হেরে যেত।
সূরাঃ ৩ আলে-ইমরান, ২৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৬। বল হে সার্বভৈৗম শক্তির (রাজত্বের) মালিক আল্লাহ! তুমি যাকে ইচ্ছা ক্ষমতা (রাজত্ব) প্রদান কর এবং যার থেকে ইচ্ছা ক্ষমতা (রাজত্ব) কেড়ে নাও। তুমি যাকে ইচ্ছা ইজ্জত দান কর, আর যাকে ইচ্ছা বেইজ্জতি কর।তোমার হাতেই মঙ্গল।নিশ্চয়ই তুমি সকল বিষয়ে সর্বশক্তিমান।
সূরাঃ ৯ তাওবা, ১১৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
১১৯। হে মুমিনগণ! আল্লাহকে ভয় কর এবং সাদেকীনদের (সত্যবাদী) সাথে থাক।
* ক্ষমতা যেহেতু আল্লাহ দেন সেহেতু তাঁর নিকট থেকে ক্ষমতা পেতে তাঁর ইচ্ছার বাস্তবায়ন তো লাগবেই। জামায়াত/চরমোনাই/ছুন্নী জোট তাদের পক্ষে একতৃতীয়াংশ ভোটার ও বাহিনী জোট বদ্ধ করতে সক্ষম হয়েছে কি? তারা একতৃতীয়াংশ ভোটার ও বাহিনী জোট বদ্ধ করতে সক্ষম হলে তারা আরো একতৃতীয়াংশ ভোটার ও বাহিনী তাদের পক্ষে নিয়ে আসতে সক্ষম হতো। তাদের প্রতিপক্ষ তারচেয়ে কম ভোটে জয়ী হয়েছে।জামায়াত/চরমোনাই/ছুন্নী জোট বলছে তাদের ভোট চুরি হয়েছে। আল্লাহ তাদের পক্ষে থাকলে তো তাদের পক্ষে ফেরেশতা থাকতো্। তাদের পক্ষে ফেরেশতা না আসায় চোর তাদের ভোট চুরি করলে চোরের কি দোষ? অতি জ্ঞানী চরমোনাই বলছে জামায়াত শরিয়া আইন জারি না করার কথা বলায় তারা জোট ভেঙ্গেছে। তো শরিয়া আইনের পক্ষে একতৃতীয়াংশ ভোটার ও বাহিনী আছে কি? শরিয়া আইনের পক্ষে একতৃতীয়াংশ ভোটার ও বাহিনী থাকলে তারা চরমোনাইয়ের পক্ষে কেন ছিল না? একতৃতীয়াংশ ভোটার ও বাহিনী চরমোনাইয়ের পক্ষে থাকলে তাদের পক্ষে ফেরেশতা নামেনি কেন? বুঝাগেল চরমোনাই মিথ্যাবাদী ছিল বিধায় ফেরেশতা তাদের পক্ষে থাকেনি।
সূরাঃ ২ বাকারা, ২৬৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৬৯। তিনি যাকে ইচ্ছা হিকমাত দান করেন। আর যাকে হিকমাত দান করা হয় এর ফলে সে নিশ্চয়ই প্রচুর কল্যাণ লাভ করে।মূলত জ্ঞানী ব্যক্তিরা ছাড়া কেউই বুঝতে পারে না।
সূরাঃ ৩১ লোকমান, ১২ নং আয়াতের অনুবাদ-
১২। আমরা লোকমানকে হিকমাত দান করেছিলাম এবং বলেছিলাম যে আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ কর।যে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে সে তো তা’ করে নিজের জন্য। আর কেউ অকৃতজ্ঞ হলে আল্লাহ তো ধনি ও প্রশংসিত।
সূরাঃ ৪ নিসার ৭৫ নং আয়াতের অনুবাদ-
৭৫। তোমাদের কি হলো, তোমারা আল্লাহর রাস্তায় জিহাদ করছো না? অথচ নারী-পুরুষের এবং শিশুদের মধ্যে যারা দূর্বল তারা বলে, হে আমাদের রব আমাদেরকে অত্যাচারী অধিবাসীদের এ নগর থেকে বের করে দিন। আর আপনার কাছ থেকে আমাদের জন্য ওলী (অভিভাবক) এবং আপনার কাছ থেকে আমাদের জন্য সাহায্যকারী পাঠান।
সূরাঃ ১৬ নাহল, ১২৫ নং আয়াতের অনুবাদ-
১২৫।ডাক তোমার রবের পথে, হিকমাত (কৌশল) ও উত্তম ওয়াজের মাধ্যমে। আর তাদের সাথে তর্ক কর উত্তম পন্থায়। নিশ্চয়ই তোমার রব খুব জানেন কে তাঁর পথ ছেড়ে পথভ্রষ্ট হয়। আর তিনি খুব জানেন কোন সব লোক হেদায়াত প্রাপ্ত।
সূরাঃ ৯ তাওবা, ৬০ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬০। সদকা বা যাকাত ফকির, মিসকিন, এর কর্মচারী, মোয়াল্লেফাতে কুলুব (অন্তর আকৃষ্ট),দাসমুক্তি, ঋণ পরিশোধ, আল্লাহর পথে ও মুসাফিরের জন্য। এটা আল্লাহর বিধান। আল্লাহ সর্বজ্ঞ সুবিজ্ঞ।
* হযরত লোকমানের (আ.) মধ্যে যে চিকিৎসা হিকমাত ছিল জামায়াত আমির দম্পতির মধ্যে সে চিকিৎসা হিকমাত ছিল। সেজন্য তাদের মধ্যে প্রচুর কল্যাণ ছিল।সেজন্য তারা শরিয়া আইন জারির কথা বাদ দিয়ে অত্যাচার প্রতিরোধের বিষয়টি বেছে নিয়েছে। তাদের প্রতিপক্ষও ন্যায়পরায়নতার পক্ষে প্রচার প্রচারণা চালিয়েছে। এরপর যাদের জয়ের প্রস্ততি ভালো ছিল আল্লাহ তাদের দিয়ে জয় দান করেছেন। জামায়াতের পূর্বের আমিরগণের মধ্যে হিকমাত না থাকায় তারা আল্লহর আইন ও সৎলোকের শাসন একত্রে চেয়ে তেমন সাফল্য পায়নি। জামায়াতের বর্তমান আমির আগে সৎলোকের শাসন পরে আল্লাহর আইন চাওয়ার বিষয় নির্ধারণ করে মোটামুটি সাফল্য পেয়েছেন। রাসূল (সা.) দম্পতিও ব্যবসায় হিকমাত প্রাপ্ত ছিলেন। তাঁরাও সফল দম্পতি ছিলেন। অন্য ইসলামী দলে হিকমাতের বড়ই অভাব। সেজন্য কল্যাণ তাদের থেকে পালিয়ে বেড়ায়। তারেক দম্পতির মধ্যেও চিকৎসা হিকমাত আছে। তাদের কন্যার মাঝে আছে আইনের হিকমাত। পারিবারিক হিকমাত যোগে উভয় পরিবার ঠিক আছে। কিন্তু কাজের হিকমাতে এগিয়ে থেকে জনাব তারেক জয় ছিনিয়ে নিয়েছেন। প্রতিযোগিতায় ডা. সফিক অযোগ্য নন। কিন্তু প্রস্ততি সংক্রান্ত ঘাটতির কারণে তিনি জয় ছিনিয়ে নিতে পারেননি। ক্ষমতার ক্ষেত্রে মোয়াল্লেফাতে কুলুব (অন্তর আকৃষ্ট) এর একটা বিষয় আছে। রোমান সম্রাট এর জন্য মহানবিকে (সা.) হযরত মারিয়া কিবতিয়া ও ইয়েমেনি শাল উপহার দেন। রাসূল (সা.) হযরত আবুসুফিয়ান (রা.) ও হযরত মুয়াবিয়াকে (রা.) একশতটি করে উট উপহার দেন। হযরত আলী (র.) হেযরত মুয়াবিয়াকে (রা.) সিরিয়ার গভর্ণর পদ থেকে বরখাস্ত করে মোয়াল্লেফাতে কুলুব (অন্তর আকৃষ্ট) এর বিধান লংঘন করেন। তারপর তিনি আর খেলাফত একত্রিত রাখতে পারেননি।ডা. সফিক মোয়াল্লেফাতে কুলুব (অন্তর আকৃষ্ট) এর বিষয়ে জনাব তারেক থেকে পিছিয়ে থেকে নির্বাচনে পরাজিত হয়েছেন। ভোট যুদ্ধও একটা যুদ্ধ। যুদ্ধ জয়ে প্রতিপক্ষকে বিভ্রান্ত করা একটা বিষয়। সে বিষয়ে জনাব তারেক পাস এবং জনাব ডা. সফিক ফেল। চরমোনাই লড়াইয়ের নিয়ম না জেনে লড়াই করে জয়ের আশা করতে পারেন না। তাঁর একটি পথ হলো কারামত। সেটিও তাঁর ক্ষেত্রে কাজ করছে না। আল্লাহ পক্ষে না থাকলে যা হয় আরকি। যোগ্যতমের জয়- এ সূত্র আল্লাহও মানেন। সেখানেই ইসলামপন্থীরা ধরা খায়।
সর্বশেষ এডিট : ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১০:২২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




