somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

যারা হযরত রাসূল (সা.), হযরত মুয়াবিয়া (রা.) ও অন্যান্য সাহাবার (রা.) সমালোচনা করে তাদের সাথে মুসলিম জাতির অপরাংশ কোন দিন ঐক্যবদ্ধ হবে না

১৭ ই এপ্রিল, ২০২৬ রাত ৯:৫৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :




সূরাঃ ৮ আনফাল, ৬৭ থেকে ৬৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬৭।দেশে ব্যাপকভাবে শত্রুকে পরাভূত না করা পর্যন্ত বন্দী রাখা কোন নবির উচিত নয়। তোমরা পার্থিব সম্পদ কামনা কর। আল্লাহ চান পরকালের কল্যাণ। আল্লাহ পরাক্রমশালী প্রজ্ঞাময়।
৬৮। আল্লাহর পূর্ব বিধান না থাকলে তোমরা যা গ্রহণ করেছ সেজন্য তোমরা মহাশাস্তিতে আক্রান্ত হতে।
৬৯। যুদ্ধে যা লাভ করেছ তা’ বৈধ ও উত্তম বলে ভোগ কর। আর আল্লাহকে ভয় কর, আল্লাহ ক্ষমাশীল, দয়ালু।

সূরাঃ ৪৮ ফাতহ, ২৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৯। মোহাম্মাদ আল্লাহর রাসুল; তাঁর সহচরগণ কাফিরদের প্রতি কঠোর এবং নিজেদের মধ্যে পরস্পরের প্রতি সহানুভূতিশীল; আল্লাহর অনুগ্রহ ও সন্তুষ্টি কামনায় তুমি তাদেরকে রুকু ও সিজদায় অবনত দেখবে।তাদের লক্ষণ তাদের মুখমন্ডলে সিজদার প্রভাব পরিস্ফুট থাকবে: তওরাতে তাদের বর্ণনা এরূপ এবং ইঞ্জিলেও তাদের বর্ণনা এরূপই। তাদের দৃষ্টান্ত একটি চারা গাছ, যা থেকে নির্গত হয় নতুন পাতা, অতঃপর ইহা শক্ত ও পুষ্ট হয় এবং পরে কান্ডের উপর দাঁড়ায় দৃঢ়ভাবে যা চাষীদের জন্য আনন্দ দায়ক। এভাবে মুমিনদের সমৃদ্ধি দ্বারা আল্লাহ কাফিরদের অন্তর্জালা সৃষ্টি করেন। যারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে আল্লাহ তাদেরকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন ক্ষমা ও মহাপুরস্কারের।

সূরাঃ ২ বাকারা, ২৫৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৫৩। ঐসব রাসূলদের আমরা তাদের কোন জনের উপর কোন জনকে শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছি। তাদের মধ্যে কোন জনের সঙ্গে আল্লাহ কথা বলেছেন।আর কোন জনকে উচ্চ মর্যাদায় উন্নীত করেছেন। আর আমরা মরিয়ম পুত্র ঈসাকে প্রকাশ্য মুজেযা দান করেছি। আর তাকে পবিত্র আত্মা দ্বারা সাহায্য করেছি।আর আল্লাহ ইচ্ছা করলে নবিগণের পরবর্তী লোকেরা পরস্পরের সঙ্গে যুদ্ধ-বিগ্রহে লিপ্ত হতো না। কিন্তু তারা পরস্পর ইখতিলাফ (মতভেদ) করেছিল।তাতে তাদের কিছু লোক মুমিন এবং কিছু লোক কাফের হয়ে গেল। আল্লাহ ইচ্ছা করলে তারা পরস্পর যুদ্ধ-বিগ্রহে লিপ্ত হতো না। কিন্তু আল্লাহ যা ইচ্ছা তাই করে থাকেন।

* আল্লাহর পূর্ব বিধান রাসূল (সা.) ও সাহাবায়ে কেরামের (রা.) প্রতি ক্ষমা ও মহাপুরস্কারের বিধানের কারণে তাঁদের সমালোচনা নিষিদ্ধ। তাঁদের দোষ আল্লাহ ক্ষমা করায় তাঁদের পাপ নাই। আল্লাহর ক্ষমার পর তাঁদের সমালোচনা আল্লাহর ক্ষমার কুফুরী। সুতরাং রাসূল (সা.) ও সাহাবায়ে কেরামের (রা.) সমালোচনাকারী কাফেরদের সাথে এক্যবদ্ধ হওয়া মুসলমানদের পক্ষে অসম্ভব।সেই সব বেকুব বলে সাহাবায়ে কেরাম (রা.) পরস্পরের সমালোচনা করেছেন। তাঁদের পরস্পর সমালোচনা ক্ষমার আওতাভূক্ত। কিন্তু অন্যদের তাঁদের সমালোচনা ক্ষমার আওতাভূক্ত নয়। সুতরাং সাহাবার (রা.) পরস্পর সমালোচনায় তাঁরা কাফের না হলেও তাঁদের সমালোচনায় অন্যরা কাফের হয়ে যায়।সাহাবায়ে কেরামের (রা.) পরস্পরের সঙ্গে যুদ্ধ-বিগ্রহে তাঁরা তো মুমিন থাকলেন, কিন্তু অসাহাবা সবাই সেই সব যুদ্ধ বিগ্রহে কাফের হয়ে গেল।

সূরাঃ ৯ তাওবা, ১০১ নং আয়াতের অনুবাদ-
১০১। মরুবাসীদের মধ্যে যারা তোমাদের আশেপাশে আছে তাদের কেউ কেউ মুনাফিক। মদীনাবাসীদের মধ্যেও কেউ কেউ মোনাফেকী রোগে আক্রান্ত। তুমি তাদের সম্পর্কে জান না। আমরা তাদের সম্পর্কে জানি।আমারা সিগ্র তাদেরকে দু’বার শাস্তি দেব। এরপর তারা মহা শাস্তির দিকে যাত্রা করবে।

সূরাঃ ৫ মায়িদা, ৬৭ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬৭। হে রাসূল! তোমার রবের নিকট থেকে তোমার প্রতি যা নাযিল হয়েছে তা’ প্রচার কর। যদি না কর তবে তো তুমি তাঁর রেসালাত প্রচার করলে না। আল্লাহ তোমাকে মানুষ হতে রক্ষা করবেন। নিশ্চয়ই আল্লাহ কাফির সম্প্রদায়কে সৎপথে পরিচালিত করেন না।

সূরাঃ ৩ আলে-ইমরান, ২৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৬। বল হে সার্বভৈৗম শক্তির (রাজত্বের) মালিক আল্লাহ! তুমি যাকে ইচ্ছা ক্ষমতা (রাজত্ব) প্রদান কর এবং যার থেকে ইচ্ছা ক্ষমতা (রাজত্ব) কেড়ে নাও। তুমি যাকে ইচ্ছা ইজ্জত দান কর, আর যাকে ইচ্ছা বেইজ্জতি কর।তোমার হাতেই মঙ্গল।নিশ্চয়ই তুমি সকল বিষয়ে সর্বশক্তিমান।

সূরাঃ ৬ আনআম, আয়াত নং ১৫৯ এর অনুবাদ-
১৫৯। যারা দ্বীন সম্বন্ধে নানা মতের সৃষ্টি করেছে এবং বিভিন্ন শিয়ায় (দল) বিভক্ত হয়েছে তাদের কোন দায়িত্ব তোমার নয়। তাদের ব্যবস্থ্যা করার দায়িত্ব আল্লাহর।আল্লাহ তাদেরকে তাদের কাজ সম্পর্কে জানিয়ে দিবেন।

সূরাঃ ৩৫ ফাতির, ১ নং আয়াতের অনুবাদ-
১।প্রশংসা আকাশমন্ডলী ও পৃথিবীর সৃষ্টিকর্তা আল্লাহর, যিনি বার্তাবাহক করেন মালাইকাকে (ফেরেশতা) যারা দুই-দুই, তিন-তিন অথবা চার-চার পাখা বিশিষ্ট। তিনি তাঁর সৃষ্টিতে যা ইচ্ছা সৃষ্টি করেন। আল্লাহ সর্ব বিষয়ে সর্ব শক্তিমান।

সূরাঃ ২ বাকারা, ১২৪ নং আয়াতের অনুবাদ-
১২৪। আর যখন তোমার প্রতিপালক ইব্রাহীমকে কয়েকটি বাক্য (কালিমাত) দ্বারা পরীক্ষা করেছিলেন, পরে সে তা পূর্ণ করেছিল; তিনি বললেন নিশ্চয়ই আমি তোমাকে মানব জাতির ইমাম বানাব; সে বলেছিল আমার বংশধরগণ হতেও; তিনি বলেছিলেন, আমার প্রতিশ্রুতি জালেমদের প্রতি প্রযোজ্য হবে না।

সূরাঃ ৩৩ আহযাব, ৩২ নং ও ৩৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
৩২। হে নবী পত্নিগণ! তোমরা অন্য নারীদের মত নও। যদি তোমরা আল্লাহকে ভয় কর তবে পর পুরুষের সহিত কোমল কন্ঠে এমনভাবে কথা বলবে না, যাতে অন্তরে যার ব্যাধী আছে, সে প্রলুব্ধ হয়। আর তোমরা ন্যায় সঙ্গত কথা বলবে।
৩৩। আর তোমরা নিজগৃহে অবস্থান করবে এবং প্রচীন যুগের মত নিজদিগকে প্রদর্শন করে বেড়াবে না।তোমরা সালাত কায়েম করবে ও যাকাত প্রদান করবে। আর আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের অনুগত থাকবে। হে আহলে বাইত (নবি পরিবার)! নিশ্চয়ই আল্লাহ চান তোমাদের থেকে অপবিত্রতা দূর করতে এবং তোমাদেরকে সম্পূর্ণরূপে পবিত্র করতে।

সূরাঃ ৮ আনফাল, ৬০ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬০। তোমরা তাদের মোকাবেলার জন্য যথাসাধ্য শক্তি ও অশ্ব-বাহিনী প্রস্তত রাখবে। এর দ্বারা তোমরা সন্ত্রস্ত রাখবে আল্লাহর শত্রুকে, তোমাদের শত্রুকে, এছাড়া অন্যদেরকে যাদের সম্পর্কে তোমরা জাননা, আল্লাহ জানেন।আল্লাহর পথে তোমরা যা ব্যয় করবে এর পূর্ণ প্রতিদান তোমাদেরকে দেওয়া হবে এবং তোমাদের প্রতি জুলুম করা হবে না।

সূরাঃ ৮ আনফাল, ৬৫ ও ৬৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬৫। হে নবি! মু’মিন দিগকে যুদ্ধের জন্য উদ্বুদ্ধ কর। তোমাদের মধ্যে কুড়িজন ধৈর্যশীল থাকলে তারা দুইশতজনের উপর বিজয়ী হবে।তোমাদের মধ্যে একশত জন থাকলে এক হাজার কাফিরের উপর জয়ী হবে।কারণ তারা বোধশক্তিহীন সম্প্রদায়।
৬৬। আল্লাহ এখন তোমাদের ভার লাঘব করলেন।তিনিতো অবগত আছেন যে তোমাদের মধ্যে দূর্বলতা আছে।সুতরাং তোমাদের মধ্যে একশত জন ধৈর্যশীল থাকলে তারা দুইশতজন উপর বিজয়ী হবে।তোমাদের মধ্যে এক হাজার থাকলে আল্লাহর অনুমতিক্রমে তারা দুই হাজারের উপর বিজয়ী হবে।আল্লাহ ধৈর্যশীলদের সাথে রয়েছেন।

* যাদের মোনাফেকী প্রকাশ করা হয়েছে তারা ছাড়া অন্যের মোনাফেকী সম্পর্কে আল্লাহ ছাড়া অন্য কেউ জানে না বিধায় অপ্রকাশিত মোনাফেককে মোনাফেক বলে লোকেরা আল্লাহর সাথে নিজের শির্ক করে। সুতরাং হযরত মুয়াবিয়াকে (রা.) মোনাফেক বলে লোকেরা নিজে মুশরিক হয়ে যায়।হযরত আলী (রা.) ও হযরত মুয়াবিয়ার (রা.) যুদ্ধে আল্লাহ বিরক্ত ছিলেন। খারেজী হত্যা প্রচেষ্টা থেকে আল্লাহ হযরত মুয়াবিয়াকে (রা.) রক্ষা করলেও হযরত আলীকে (রা.) রক্ষা করেননি। কারণ হযরত ওসমানের (রা.) হত্যাকারীরা কাফের ছিল। কারণ আল্লাহ যে হযরত ওসমানকে (রা.) ক্ষমা করেছেন তাঁরা তাঁকে অপরাধী সাব্যস্ত করে হত্যা করেছে। সেইসব হত্যাকারীকে হযরত আলী (রা.) পুরস্কার দিয়ে বড় পদে নিয়োগ দান করেছেন। আল্লাহ তাঁকে ও তাঁর সেই সব সহযোগীকে মানুষ থেকে রক্ষা করেননি। কিন্তু আল্লাহ হযরত মুয়াবিয়া (রা.) ও তাঁর সহযোগী মারওয়ান এবং তাঁদের বংশে নব্বই বছর মুসলিম বিশ্বের রাজত্ব প্রদান করলেন। তাঁরা স্পেন, তুরস্ক ও সিন্দু জয় করে মুসলিম রাজত্বকে বিস্তৃত ও সুসংহত করেন। অন্যদিকে হযরত আলীর শিয়া বিভিন্ন শিয়ায় (দল) বিভক্ত হয়েছে। তাদের প্রতি আল্লাহর ব্যবস্থা হারাজ বা হত্যাকান্ড। কারবালায় আল্লাহ পাঁচ হাজার ফেরেশতা পাঠালে হযরত ইমাম হোসেন (রা.) হারাজ বা হত্যাকান্ড থেকে রক্ষা পেতেন। কিন্তু তাঁর পক্ষে ফেরেশতার বদলে হুনাইনী ব্রাহ্মন যুদ্ধ করে। এর ফলাফল কি হয়েছে সেটা ইতিহাসে লেখা আছে। ইদানিং হযরত আলীর (রা.) বংশধর আলী খামেনী হত্যাকান্ডের শিকার হয়। হযরত আলী (রা.) ও হযরত মুয়াবিয়ার (রা.) যুদ্ধের হযরত মোয়াবিয়া (রা.) পক্ষে আল্লাহ রাজত্ব দান করেন এবং হযরত আলী (রা.) পক্ষে আল্লাহ হারাজ বা হত্যাকান্ড দান করলেন। তথাপি বেকুবেরা হযরত মুয়াবিয়াকে (রা.) লানত প্রদান করলে সেই লানতে ইহকালে ও পরকালে তারাই ভুগবে। লোকেরা যে আহলে বাইতের কথা বলে সেই আহলে বাইত ছিলেন হযরক আব্বাস ও তাঁর বংশধরগণ। ইব্রাহীম (আ.) বংশিয় এ আহলে বাইতের বংশে আল্লাহ মুসলিম বিশ্বের রাজত্ব দিয়েছেন প্রায় আটশত বছর। তাদের অনুসারী হানাফী রাজত্ব পেয়েছে একাধারে এগারশ বছর। এত দীর্ঘ রাজত্ব বিশ্বে আর কোন পক্ষ পায়নি। মুসলিমদের মধ্যে পারমাণবিক অস্ত্র শুধুমাত্র হানাফী পাকিস্তানের নিকট আছে। এক তৃতীয়াংশ বিশ্ব জনসংখ্যার দৌড়ে হানাফীরা অন্যদের থেকে অনেক বেশী এগিয়ে। আর তারাই বিশ্ববিস্তৃত হয়ে ইসলামকে বিশ্বধর্মে পরিণত করেছে।

সূরাঃ ৯ তাওবা, ৬০ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬০। সদকা বা যাকাত ফকির, মিসকিন, এর কর্মচারী, মোয়াল্লাফাতে কুলুব (অন্তর আকৃষ্ট),দাসমুক্তি, ঋণ পরিশোধ, আল্লাহর পথে ও মুসাফিরের জন্য। এটা আল্লাহর বিধান। আল্লাহ সর্বজ্ঞ সুবিজ্ঞ।

সূরাঃ ১১০ নাসর, ১ ও ২ নং আয়াতের অনুবাদ-
১। যখন আল্লাহর সাহায্য ও বিজয় আসবে।
২। আর তুমি মানুষকে দলে দলে আল্লাহর দীনে প্রবেশ করতে দেখবে।

* মোয়াল্লাফাতে কুলুব তাদেরকে বলে যারা পক্ষে থাকলে মহা উপকার এবং যারা বিপক্ষে গেলে মহাক্ষতি। হুনায়নের যুদ্ধে একশত উট উপহার দিয়ে রাসূল (সা.) হযরত মুয়াবিয়াকে (রা.) মোয়াল্লেফাতে কুলুবের তালিকাভূক্ত করেন।তার বহু পরে হযরত আলী (রা.) মাওলা হয়েছেন। মক্কার রাজপুত্র হযরত মোয়াবিয়া (রা.) এবং তাঁর সহযোগী বৃন্দ হযরত খালেদ বিন ওলিদ (রা.), হযরত আমর ইবনুল আস (রা.), হযরত মুগিরা বিন শোবা (রা.) ও হযরত ওসমান বিন তালহা মক্কার পক্ষ ত্যাগ করে মুসলিম পক্ষে যোগ দিলে মক্কাবাসীর মনবল ভেঙ্গে পড়ে। তখন খালেদ ইবনুল ওয়ালিদ (রা.) মক্কা জয় করেন। হযরত আমর জয় করেন মিশর। হযরত মুয়াবিয়া রোমান সাম্রাজ্যের রাজধানী কন্সটান্টিনোপল জয় করে। হযরত মুয়াবিয়ার সহযোগী মারওয়ান বংশ স্পেন ও সিন্ধু জয় করেন। হযরত আলী (রা.) খায়বর জয় করেন। মোয়াল্লেফাতে কুরূবের বিধি ভঙ্গ করে হযরত আলী (রা.) হযরত মুয়াবিয়াকে (রা.) শাসনকর্তার পদ থেকে বরখাস্ত করে তাঁকে খেলাফতের একাংশ ছেড়ে দিতে বাধ্য হন। তারপর থেকে হযরত মুয়াবিয়া (রা.) ও তার সহতযোগিরা স্ববংশে রাজত্বের পথে এবং হযরত আলী ও তাঁর সহযোগীরা হারাজ বা হত্যাকান্ডের পথে চলতে থাকে। হযরত মুয়াবিয়া পক্ষের রাজত্ব নব্বই বছর পর থামলেও হযরত আলী (রা.) পক্ষের হত্যাকান্ড থেমে নেই। তাদের হত্যাকান্ডে আমাদের মনেকষ্ট আসলেও সহাবায়ে কেরামের প্রতি তাদের বেয়াদবীর কারণে মনে হয় এটাই তাদের প্রাপ্য।এ অভিশপ্তদের থেকে রাসূলের (সা.) বড় বড় সাহাবীরাও (রা.) রেহাই পাচ্ছে না। এরা সাহাবায়ে কেরামের প্রতি লানতের কথা বললেও বাস্তবে এদেরকেই লানত ঘিরে ধরে। সাহাবায়ে কেরামকে (রা.) লানত প্রদানকারী এসব ঘৃণিত লোকদের সাথে অপর মুসলিমদের ঐক্যের কোন সম্ভাবনা নাই।এদের সাহাবার (রা.) প্রতি অসম্মান দেখলে মগজ উতরায়। তখন অমুসলিম থেকেও এদেরকে কম ভালো লাগে। ইহুদী আব্বাসীয় আহলে বাইতের অনুসারী হানাফী ছাড়া অন্যদের শায়স্তা করার পর হানাফীরা হিন্দুদের সাথে জয়ী হয়ে ইহুদীরেদরকে শায়স্ত্ করবে।এটাই অনাগত ভবিষ্যৎ।


সর্বশেষ এডিট : ১৭ ই এপ্রিল, ২০২৬ রাত ৯:৫৮
১টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

যে বাঁধ নেই সে বাধ নিয়ে জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীরবিক্রমের মিথ্যাচার।

লিখেছেন রাবব১৯৭১, ১৬ ই এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১০:২৮

[যে বাঁধ নেই সে বাধ নিয়ে জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীরবিক্রমের মিথ্যাচার।
------------------------------------------------------------------------
একটি কার্যকর গণতন্ত্রে সংসদ হওয়া উচিত মিথ্যা ও বিভ্রান্তির বিরুদ্ধে শেষ প্রতিরোধক। এখানে তথ্য যাচাই হয়, তৈরি... ...বাকিটুকু পড়ুন

কবিতাঃ নাবিকের মনের নোঙর

লিখেছেন খায়রুল আহসান, ১৭ ই এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১২:২২

ছুটি শেষে যে নাবিক গৃহত্যাগ করে
ফিরে চলে পোতাশ্রয়ে নোঙর করা
তার জাহাজ পানে, জিজ্ঞেস করোনা
তাকে কখনো তার গন্তব্যের কথা।

তার মনে গেঁথে থাকে ফেলে আসা
প্রিয়জনের কান্নাভেজা মুখ আর চোখ,
বাংলার শ্যামল প্রান্তরে... ...বাকিটুকু পড়ুন

রোকেয়া পদক ২০২৫: ঘৃণা আর পুরস্কারের এক অদ্ভুত সহাবস্থান

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৭ ই এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১:০৭


২০২৪ সালের ৫ই আগস্ট শেখ হাসিনার পতনের পর দেশে অনেক কিছু ঘটেছিল। কিছু আশার, কিছু উত্তেজনার, আর কিছু একেবারে হতবাক করে দেওয়ার মতো। হতবাক করার মতো প্রথমেই যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

এই পাড়েতে পদ্মা বহে, ঐ পাড়ে গঙ্গা।

লিখেছেন শ্রাবণ আহমেদ, ১৭ ই এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১:১৩

এইযে নদী দেখছো!
নদীর এ পাড়ে বহে পদ্মা।
আর ঐ পাড়েতে গঙ্গা।
একই নদীর ভিন্ন নাম
ভিন্ন জাগায় ভিন্ন কাম।
এই পাড়ে যা গা ভেজানো
ঐ পাড়ে তা পাপ ঘুচানো।
গঙ্গা-স্নানে পবিত্র হয় তাদের সারা গা।
এই পাড়েতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ছবি ব্লগ- মেঘলা আকাশ

লিখেছেন হুমায়রা হারুন, ১৭ ই এপ্রিল, ২০২৬ ভোর ৫:৩৮

তাপমাত্রা ১৫ ডিগ্রী সেলসিয়াস
সময় সন্ধ্যা ৭টা বেজে ৪০ মিনিট
জানালা থেকে ঐ বাঁ দিকে Lake Ontario -র জল আর আকাশের মেঘের মেলা মিলেমিশে একাকার


একটু আলোর রেখা
টরোন্টো... ...বাকিটুকু পড়ুন

×