somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

একদিন হঠাৎ দেখা হয়ে যাবে

১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৫ রাত ১:০৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

কত যোজন দূরে তুমি থাকো, তবুও মনে হয় আমার ঘরের পাশেই তোমার ঘর
এবং হঠাৎ একদিন দেখা হয়ে যাবে দরজায় কড়া নাড়বার কালে
সহসা সচকিত চোখে দুজন দুজনার দিকে তাকাবো সবিস্ময়ে।

একদিন হঠাৎ দেখা হয়ে যাবে তোমার-আমার
বইমেলার সরণীতে আনমনে হাঁটছো তুমি, অথবা মধুর ক্যান্টিনে একদিন, অথবা
টিএসসিতে, অথবা চারুকলায়, অপরাজেয় বাংলার গোলচত্বরে, কলাভবন অথবা
রোকেয়া হলের সামনের রাস্তায় একাকিনী, বিষণ্ণতায় সর্বাঙ্গ মেখে
তুমি বসে আছো- কে যেন ছিল, চলে গেছে, কোনোদিনও ফিরবে না আর।
পাবলিক লাইব্রেরিতে, শাহবাগের মোড়ে, নিউমার্কেটের অলিগলিতে
কিংবা ধরো গাউছিয়া বা ইস্টার্ন প্লাজা, বসুন্ধরা সিটিতে সিঁড়ি বেয়ে উঠবার
কালে – সতত ম্লান-বেদনার্ত তোমার অবয়ব- কে যেন ছিল – চলে গেছে -
কোনোদিনও ফিরবে না আর।

কে যেন ছিল – চলে গেছে- কোনোদিনও ফিরবে না আর-
সতত ম্লান-বেদনার্ত তোমার অবয়ব-
তুমি ভালো নেই তুমি ভালো নেই তুমি ভালো নেই
ভালোবাসা হারানোর মতো বেদনা নেই আর কিছুতেই
কে যেন ছিল- চলে গেছে- কোনোদিনই ফিরবে না আর।

ফিরে আসা নয়- তবু একদিন ফিরে আসা- সবটুকু ভালোবাসা,
পৃথিবীর সেরা উপহার, যা তুমি পাও নি কোনোদিনই, হাতের মুঠোয় তুলে সবটুকু
একদিন দাঁড়ালো সে তোমার সামনে সহসাই-
কে যেন ছিল, চলে গেছে- কোনোদিনই ফিরবে না আর।

একদিন হঠাৎ দেখা হয়ে যাবে তোমার-আমার
দৌড়ে ছুটন্ত বাসে চেপে বসতেই দেখবো সামনের সারিতে তুমি বসে।
একদিন হঠাৎ দেখা হয়ে যাবে কোনো রাস্তায়, ফুটপাতে উদাসীন হাঁটতে হাঁটতে
রমনার বটমূলে, বোটানিক্যাল গার্ডেনে, সংসদভবনের বিকেলে,
কিংবা ধরো ঠিক ঠিক কোর্টভবনের কোলাহলমুখর ময়দানে- তুমি বিমূঢ়া-বাকহীনা-
স্থির দাঁড়িয়ে অপলক, হাত খসে পড়ে যায় অতুচ্ছ ফাইলগুলো- গায়ের কালো গাউন
আলুথালু হয়- সহসা অতিশয় আহ্লাদে- বিমূঢ়া-বাকহীনা,
তুমি ভুলে গেলে- কে যেন ছিল, চলে গেছে- কোনোদিনই ফিরবে না আর।

২০০৬


ডাউনলোড লিংক : নিঃসঙ্গ সময়ের সুখপাখি, একুশে বইমেলা ২০০৬, ইত্যাদি গ্রন্থ প্রকাশ
সর্বশেষ এডিট : ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৫ রাত ১:০৮
৭টি মন্তব্য ৫টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আর্কাইভ থেকে: ঈশ্বর ও ভাঁড়

লিখেছেন অর্ক, ২৮ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ৯:১০




বিরাট কিছু চাইনি। পরিপাটি দেয়ালে আচানক লেগেছিলো একরত্তি দাগ। কোনও ঐশী বলে মুছে যেতো যদি—ফিরে পেতাম নিখুঁত দেয়াল। তাতে কী মহাভারত অশুদ্ধ হতো কার! (সে দাগ রয়ে গেছে!)

পাখিদের মতো উড়বার... ...বাকিটুকু পড়ুন

মতভেদ নিরসন ছাড়া মুসলিম আল্লাহর সাহায্য পাবে না

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ২৯ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ৩:০৩



সূরাঃ ৩ আলে-ইমরান, ১০৫ নং আয়াতের অনুবাদ-
১০৫। তোমরা তাদের মত হবে না যারা তাদের নিকট সুস্পষ্ট প্রমাণ আসার পর বিচ্ছিন্ন হয়েছে ও নিজেদের মাঝে মতভেদ সৃষ্টি করেছে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

‘স্বপ্নের শঙ্খচিল’ কে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভকামনা….

লিখেছেন খায়রুল আহসান, ২৯ শে মার্চ, ২০২৬ সকাল ৭:৪৬



আজ সকালে ল্যাপটপ খুলেই উপরের চিত্রটা দেখলাম। দেখে মনটা প্রথমে একটু খারাপই হয়ে গেল! প্রায় একুশ বছর ধরে লক্ষাধিক ব্লগারের নানারকমের বৈচিত্রপূর্ণ লেখায় ও ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়ায় সমৃদ্ধ আমাদের সবার... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনু গল্প

লিখেছেন মোগল সম্রাট, ২৯ শে মার্চ, ২০২৬ দুপুর ১:০৯



(এক)
দশম শ্রেণির ছেলে সাদমান সারাদিন ফোনে ডুবে থাকত। বাবা-মা বকাঝকা করলে প্রায়ই অভিমান করে ভাত খেতো না। একদিন রাতে ঘরের দরজা বন্ধ। ভোরে দরজা ভেঙে সবাই স্তব্ধ। খবরের কাগজে... ...বাকিটুকু পড়ুন

জীবনের গল্প - ১০০

লিখেছেন রাজীব নুর, ২৯ শে মার্চ, ২০২৬ দুপুর ২:৫৫



আমার সাথে একজন সাবেক সচিবের পরিচয় হয়েছে।
উনি অবসরে গেছেন, ১০ বছর হয়ে গেছে। এখন উনি বেকার। কোনো কাজ নাই। বাসায় বাজার করেন অনেক বাজার ঘুরে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

×